
নিজস্ব প্রতিবেদক: ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের নৃশংস হামলা ও লাগাতার গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাকায় আয়োজন করা হচ্ছে এক বিশাল গণবিক্ষোভ। আগামী ১২ এপ্রিল, শনিবার, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই ব্যতিক্রমধর্মী সমাবেশে লাখো মানুষের ঢল নামবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এই কর্মসূচি কেবল একটি প্রতিবাদ নয়—এটি হয়ে উঠছে একাত্মতা, মানবতা ও ন্যায়ের পক্ষে সমবেত এক স্বর।
ইতোমধ্যেই দেশের জনপ্রিয় দুই ইসলামি বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী এবং শায়খ আহমাদুল্লাহ এই বিক্ষোভ নিয়ে তাঁদের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তারা জানিয়েছেন, "এই কর্মসূচি হবে ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ এবং রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে এক মানবিক জাগরণ।"
আজহারী তার বার্তায় বলেন—"দলমত-ধর্ম নির্বিশেষে সকল মানুষ এখানে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াবে। কারণ এটি মানবতার প্রশ্ন, এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার সময়।"
শায়খ আহমাদুল্লাহ তার বক্তব্যে বলেন—"গাজা রক্তে ভাসছে, আমাদের নীরব থাকা মানেই সে অন্যায়কে মেনে নেওয়া। ১২ এপ্রিল আমরা সেই নীরবতা ভাঙব ইনশাআল্লাহ।"
এই সমাবেশে অংশ নিচ্ছে রাজনীতির বাইরেও এক বিস্তৃত বর্ণমালাঃ - বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হেফাজতে ইসলাম, এবি পার্টিসহ নানা রাজনৈতিক ও ইসলামী দল - জাতীয় দলের ক্রিকেটার, নাট্য জগতের তারকা, জনপ্রিয় ইউটিউবার, সাংবাদিক, লেখক ও চিন্তাবিদ - তাবলীগ জামাত, আহলে হাদীস, মাদরাসা শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আলেম সমাজ - সাধারণ শিক্ষার্থী, তরুণ-তরুণী এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ
সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন অনেক পরিচিত মুখ:
বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতীব মাওলানা আব্দুল মালেক, ‘আমার দেশ’-এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, আয়মান সাদিক, আরজে কিবরিয়া, লতিফুল ইসলাম শিবলী, মাহমুদুল হাসান সোহাগ এবং আরও অনেকে।
এই গণজমায়েতকে ঘিরে ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। অনেকেই বলছেন—এটি হতে যাচ্ছে এমন এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যখন বাংলাদেশ গাজাবাসীর পাশে দাঁড়িয়ে বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দেবে: "আমরা নিরব থাকব না।"
সোহরাওয়ার্দীর মাঠ প্রস্তুত। এখন অপেক্ষা সেই দিনটির, যেদিন গাজার পক্ষে বাংলার হৃদয় একসঙ্গে ধ্বনিত হবে— "গাজা তুমি একা নও!"
সোহাগ/

ঈদুল ফিতরের আনন্দ-উৎসব শেষ না হতেই মুসলিম বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে শুরু হয়েছে আগাম আলোচনা ও অপেক্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমিরাত ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে, যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
২১ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। মধ্যপ্রাচ্যের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই প্রণালী দিয়েই বিশ্ববাজারে প্রবেশ করে।
১৯ এপ্রিল ২০২৬

মানুষের জীবনে প্রতিদিনের ব্যস্ততা ও দুশ্চিন্তার মাঝেও আত্মিক শান্তির সন্ধান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম আমাদের শেখায়, দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করা যায়।
১৮ এপ্রিল ২০২৬

রোগ মানুষের জীবনের এমন এক অধ্যায়, যা কখনোই পুরোপুরি এড়ানো যায় না। শরীর অসুস্থ হলে শুধু দেহ নয়, মনও ভেঙে পড়ে। এই দুর্বল মুহূর্তেই একজন মানুষ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বোধ করে আশ্রয়, সান্ত্বনা এবং আল্লাহর রহমতের।
১৬ এপ্রিল ২০২৬

জীবনে মানুষের চাহিদা ও প্রয়োজন কখনোই শেষ হয় না। অভাব ও লোভের চাপ অনেক সময় মানুষকে হালাল-হারামের সীমা ভুলিয়ে দেয়। কিন্তু ইসলামে একজন মুমিনকে শেখানো হয়েছে, সে যেন সবসময় পবিত্র ও বরকতময় রিজিকের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করে।
১০ এপ্রিল ২০২৬

মুসলমানদের জন্য জুমার দিন শুধু সাপ্তাহিক দিবস নয় এটি বরকত, রহমত ও নূরে পরিপূর্ণ এক মহান দিন। এই দিনের প্রতিটি মুহূর্ত আল্লাহর মেহেরবানির ছায়ায় ঢাকা। আর সেই বিশেষ দিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল হলো সুরা কাহাফ তিলাওয়াত।
১০ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র রমজান মাসের এক মাস সিয়াম সাধনার পর যখন শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়, তখন মুসলিম বিশ্বের হৃদয়ে নেমে আসে আনন্দ, প্রশান্তি ও কৃতজ্ঞতার আবহ। সেই আনন্দকে পূর্ণতা দেয় পবিত্র ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত নামাজ। মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে ঈদের নামাজ মুসলিম সমাজে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
২১ মার্চ ২০২৬

রাকিব: পবিত্র মাহে রমজান ধীরে ধীরে বিদায়ের পথে। রহমত ও মাগফিরাতের পর এখন চলছে নাজাতের পর্ব রমজানের শেষ দশ দিন। ইসলামে এই সময়টিকে ইবাদত-বন্দেগির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
১০ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমান বিশ্ব এক অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত ক্রমবর্ধমান, আর বিশ্বের নানা অঞ্চলে যুদ্ধের উত্তেজনা বাড়ছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এই পরিস্থিতি হাদিসে বর্ণিত শেষ জামানার মহাযুদ্ধ বা ‘মালহামা’-র আগাম সংকেত। বিশেষ করে ইরানের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান এবং সেখানে সংঘটিত সাম্প্রতিক ঘটনা ১৪০০ বছর আগের নবীর পূর্বাভাসের আলোকে নতুনভাবে আলোচিত হচ্ছে।
৩ মার্চ ২০২৬