
সিরিজের আশা টিকিয়ে রাখতে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। তবে প্রথম দিনেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের পুরনো গল্প আবারও ফিরে এসেছে। টস জিতে ব্যাট করতে নামা টাইগাররা ১০ রানেই হারিয়েছে দুই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। তবে সাদমান ইসলামের ফিফটিতে কিছুটা লড়াই করার আভাস মিলেছে।
জ্যামাইকার কিংস্টনের ঐতিহ্যবাহী সাবিনা পার্ক স্টেডিয়ামে টানা বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হয় প্রায় পাঁচ ঘণ্টা দেরিতে। শুকনো আউটফিল্ডে শেষ পর্যন্ত মাত্র একটি সেশন খেলা হয়, যেখানে ৩০ ওভার মোকাবিলা করে বাংলাদেশ সংগ্রহ করেছে ২ উইকেটে ৬৯ রান।
প্রথম টেস্টের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে একাদশে দুইটি পরিবর্তন আনে বাংলাদেশ। ওপেনিংয়ে সুযোগ পান সাদমান ইসলাম, যিনি জায়গা নেন জাকির হাসানের স্থলাভিষিক্ত হয়ে। আর পেস বোলিং বিভাগে নাহিদ রানা ফিরেছেন শরিফুল ইসলামের জায়গায়।
টাইগারদের ইনিংসের শুরুটা হয় চিরচেনা বিপর্যয়ে। ৫ম ওভারে কেমার রোচের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে মাত্র ৩ রানে সাজঘরে ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়। অফ স্টাম্পের বাইরে সুইং করা বলে ব্যাট চালিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন তিনি।
এরপর দলের ভরসা মুমিনুল হকও ফিরেছেন দ্রুত। রোচের ফুল লেংথ ডেলিভারিতে ব্যাট ছুঁইয়ে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে জমা হয় বল। ৬ বল খেলে রানের খাতা খুলতে ব্যর্থ হন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।
দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পর ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নেন সাদমান ইসলাম এবং শাহাদাত হোসেন দীপু। তবে তাদের সংগ্রামের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ফিল্ডারদের ক্যাচ মিস। সাদমান দুবার (১৫ ও ৩৫ রানে) জীবন পান, আর দীপু একটি সুযোগ পান ৮ রানে।
দুটি জীবন কাজে লাগিয়ে সাদমান তুলে নেন নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের পঞ্চম ফিফটি। ১০০ বল খেলে ৩টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা মেরে ৫০ রানে অপরাজিত রয়েছেন তিনি। অপর প্রান্তে দীপু ১২ রান নিয়ে দিনের খেলা শেষ করেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বল হাতে সেরা ছিলেন কেমার রোচ। ম্যাচের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের দুই ওপেনারকে দ্রুত ফিরিয়ে দলকে শক্ত অবস্থানে এনে দেন তিনি।
প্রথম দিনে ধীরগতির পারফরম্যান্সের পর দ্বিতীয় দিনটা হবে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাদমান ও দীপুকে বড় জুটি গড়তে হবে, অন্যথায় সিরিজের আশা ফিকে হয়ে যেতে পারে।

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে দারুণ অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবুয়ের টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্তের পর ব্যাট করতে নেমে ৩১.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান সংগ্রহ করেছে অস্ট্রেলিয়া।
২ দিন আগে

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই ব্যাট হাতে দাপট দেখাচ্ছে ভারত। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তুলছে ভারত।
২ দিন আগে

খেলাপ্রেমীদের জন্য আজকের দিনটি বেশ ব্যস্ততায় কাটবে। ক্রিকেট, টেনিস ও ফুটবল—তিন জনপ্রিয় খেলাতেই রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এর মধ্যে নারী এশিয়া কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেট ও ইউএস ওপেনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও সরাসরি দেখা যাবে টেলিভিশনে।
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের দেওয়া ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ভারতের ইনিংস শেষে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে ভারত। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংসের ২ দশমিক ১ ওভার শেষে ১৪ রান এসেছে, কোনো উইকেট হারায়নি নিগার সুলতানার দল।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৪ সালের নারী এশিয়া কাপে ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। এবার সেই হারের স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন লড়াইয়ের অপেক্ষায় নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ডাম্বুলার পর এবার দুবাইয়ের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে প্রতিশোধের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে টাইগ্রেসরা।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সামনে ব্যস্ত সূচি। আগামী অক্টোবর মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের অংশগ্রহণে বসতে যাচ্ছে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ। ১৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ২৩ অক্টোবর ফাইনালের মধ্য দিয়ে।
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে এবারও পদকের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। তবে পদকের মঞ্চে পৌঁছাতে হলে শুরুতেই কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে দুই দলকে। পুরুষ ও নারী—উভয় দলই সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে নিজেদের অভিযান শুরু করবে। ফলে প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিতে পারলে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হবে। আর সেই ধাপ পেরোতে পারলেই ব্রোঞ্জ নয়, সোনার পদকের লড়াইয়ে নামার সুযোগ তৈরি হবে বাংলাদেশের।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ক্রিকেটাররা যখন বের হচ্ছিলেন, তখন তাদের চোখেমুখে ছিল স্পষ্ট হতাশার ছাপ। আনন্দের কোনো কারণও ছিল না। নারী এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন দলকে।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাটিংয়ে প্রত্যাশামতো রান তুলতে না পারলেও বোলারদের দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ১১৪ রানের পুঁজি নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলেছিল মারুফা আক্তার ও সুলতানা খাতুনদের বোলিং নৈপুণ্য। তবে শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচ নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। ৪ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬