
লম্বা সময় ধরে ক্রিকেটের বাহিরে আছেন বাংলাদেশের ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল। আর এদিকে তিনি ভারত সিরিজে ধারাভাষ্যকরের রোল প্লে করছেন তামিম। তামিম ইকবালকে নিয়ে প্রশংসা করতে গিয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল একটি ফেসবুক পোস্টে সাকিবকে অপমান করেছেন বলে মনে করছেন সাকিবের ভক্তরা। এই পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে রীতিমত ভাইরাল হয়েছে এবং ভক্তদের মাঝে তুমুলভাবে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
গত ২০২৩ সালে ভারত ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে তামিম ইকবালকে বাদ দেওয়া নিয়ে চলমান আলোচনা এবং তার আকস্মিক অবসর নেওয়ার ঘটনায় ক্রিকেটপ্রেমীরা ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। এক সময় আবেগের তাড়নায় তিনি অবসর গ্রহণ করেন। এদিকে তামিমের অবসর ভেঙে ফেরার ঘোষণা আসলেও, সেই প্রত্যাবর্তন এখনো হয়নি। তামিমকে ঘিরে সৃষ্ট এ বিতর্কের প্রেক্ষাপটে আসিফ নজরুল তার পোস্টে তামিমের প্রশংসা করতে গিয়ে সাকিবকে নিয়ে কিছু মন্তব্য করেন, যা সাকিবের সমর্থকদের মনে আঘাত করেছে। চারিদিকে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
সেই ফেসবুক পোস্টের পর সাকিব এবং তামিম ভক্তদের মধ্যে অনলাইনে তুমুল আলোচনা এবং সমালোচনা শুরু হয়েছে। শুধু অনলাইনেই নয় বরং অফলাইনে একই ঘটনা ঘটছে। ভক্তদের অনেকেই মনে করছেন, তামিমের প্রশংসার আড়ালে সাকিবকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে, যা দুই তারকা ক্রিকেটারের ভক্তদের মধ্যে বিভেদ বাড়িয়েছে।
তিনি ফেসবুক পোস্ট লিখেন, আপনার চরিত্রে জু*য়ার মত কালো ইতিহাস নেই, নাই দর্শক পিটানোর মহুর্ত, নাই ব্যবসায় অধিক লাভ কিংবা কর ফাঁকি দেওয়ার জন্য নিজের বাপের নাম পাল্টানোর মত লজ্জাজনক ঘটনা তাছাড়াও আপনার চরিত্রে নেই খেলা চলার সময় ক্যামরায় নিজের গো*পনাঙ্গে দেখিয়ে ইংগিত করার মত লজ্জাজনক ঘটনা! আপনাকে আমরা ভালোবাসি আপনার খেলার জন্য, ভালোবাসি আপনার ব্যাক্তিত্বের জন্য। ধন্যবাদ খান সাহেব, হাজারো সালাম জানাই আপনাকে!

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য অস্ট্রেলিয়া সফরকে সামনে রেখে এসেছে এক দারুণ স্বস্তির ও আনন্দের খবর। দীর্ঘদিন ধরে ইনজুরি বা চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে থাকার পর অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রাথমিক ও চূড়ান্ত স্কোয়াডে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার লিটন কুমার দাস।
৩ দিন আগে

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬