
রিপোর্টার

দুই মাসের ব্যবধানে দুইটি বড় ওয়ানডে সিরিজ জয় বাংলাদেশ ক্রিকেটের নতুন আত্মবিশ্বাসের নাম এখন টাইগাররা। প্রথমে পাকিস্তানকে ২-১ ব্যবধানে হারানোর পর এবার শক্তিশালী নিউজিল্যান্ডকেও একই ব্যবধানে সিরিজ হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ।
এই ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল দল। তবে শর্ত একটাই আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে আইসিসি র্যাংকিংয়ের শীর্ষ আটে থাকতে হবে বাংলাদেশকে।
সিরিজের শেষ ও ‘অঘোষিত ফাইনাল’ ম্যাচে চট্টগ্রামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়াম-এ নাজমুল হোসেন শান্ত খেলেন দুর্দান্ত ১০৬ রানের সেঞ্চুরি, আর লিটন দাস যোগ করেন ৭৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। তাদের ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশ তোলে ৮ উইকেটে ২৬৫ রান।
জবাবে শুরুতেই চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। ৮ রানে প্রথম উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খায় তারা। এরপর ৫৪ ও ৬১ রানের মধ্যে আরও উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে কিউইরা।
নিক কেলি ৫৯ রান ও ডেন ফক্সক্রফট ৭৫ রান করে লড়াই চালালেও ৪৪.৫ ওভারে ২১০ রানে অলআউট হয়ে যায় নিউজিল্যান্ড।
বাংলাদেশের জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন মোস্তাফিজুর রহমান। ৯ ওভারে মাত্র ৪৩ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত ৫৫ রানের জয়ে সিরিজ নিজেদের করে নেয় মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল আর টাইগারদের নতুন সাফল্যের অধ্যায় আরও একবার লেখা হয়।

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
৬ দিন আগে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬