
রিপোর্টার

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। তবে সেই ধস সামলে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস।
৩১.১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান যেখানে শুরুটা যেমন ছিল হতাশার, মাঝপথে তেমনই দেখা যাচ্ছে প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত।
শুরুতেই কিউই ঝড়
নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টম ল্যাথামের টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত শুরুতেই সঠিক প্রমাণ করেন পেসার উইল ও’রউর্ক। ইনিংসের প্রথম ওভারেই আঘাত—দ্বিতীয় বলেই সাইফ হাসান শূন্য রানে ফেরেন। এরপর দলীয় ৯ রানে তানজিদ হাসান তামিমও মাত্র ১ রান করে বোল্ড হন।
চাপ আরও বাড়ে যখন ৩২ রানের মাথায় সৌম্য সরকার ১৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ও’রউর্ক তার প্রথম স্পেলেই ৫ ওভারে মাত্র ১৬ রান দিয়ে তুলে নেন ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট, যা ম্যাচের শুরুতেই বাংলাদেশকে কোণঠাসা করে ফেলে।
শান্ত-লিটনের প্রতিরোধ
৩২ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে চরম চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেই কঠিন পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস। ধৈর্য ও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে তারা ইনিংসকে গুছিয়ে তোলার চেষ্টা করছেন।
শান্ত ৬৩ বলে ৪৪ রান করে অপরাজিত আছেন, তার ইনিংসে রয়েছে ৩টি চার ও ১টি ছক্কা। অন্যদিকে লিটন দাস ৪৯ বলে ৩০ রান করে তাকে দারুণভাবে সঙ্গ দিচ্ছেন। তাদের অবিচ্ছিন্ন ৬৬ রানের জুটি বাংলাদেশের ইনিংসে স্থিতিশীলতা এনে দিয়েছে এবং বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছে।
ম্যাচের বর্তমান অবস্থা (৩১.১ ওভার শেষে):
বাংলাদেশ: ১৫৭/৩,
নাজমুল হোসেন শান্ত: ৮২* (৯৪),
লিটন দাস: ৫৪* (৭৬),
উইল ও’রউর্ক: ৫-১-১৬-৩,
রান রেট: ৪.৮৪।
আউট হওয়া ব্যাটার:
১. সাইফ হাসান: ০ (২),
২. তানজিদ হাসান তামিম: ১ (৫),
৩. সৌম্য সরকার: ১৮ (২৬)।
সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণ
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ এখন ১-১ সমতায়। ফলে আজকের ম্যাচই ঠিক করবে ট্রফি কার হাতে উঠবে। বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমে এখনও তাওহীদ হৃদয় ও অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটাররা রয়েছেন, যা ইনিংসকে আরও বড় করার আশা জাগাচ্ছে।
বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ ২৫০ রানের বেশি সংগ্রহের পথে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ একাদশ:
সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, সৌম্য সরকার, তাওহীদ হৃদয়, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানভীর ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা।
সরাসরি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
৬ দিন আগে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬