
সিনিয়ার রিপোর্টার

দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আবারও নিজেদের শক্তির জানান দিল Bangladesh national cricket team। মিরপুরের Sher-e-Bangla National Cricket Stadium-এ অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ওয়ানডেতে New Zealand national cricket team-কে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে টাইগাররা।
১৯৯ রানের লক্ষ্য মাত্র ৩৫.৩ ওভারে পূরণ করে বাংলাদেশ, হাতে ছিল আরও ৮৭ বল যা ম্যাচে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্যের স্পষ্ট প্রমাণ।
কিউইদের ইনিংস: লড়াই করেও থামতে হলো ১৯৮-এ
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ১৯৮ রানে অলআউট হয়। কিউইদের হয়ে একমাত্র উল্লেখযোগ্য ইনিংস আসে Nick Kelly-র ব্যাট থেকে, যিনি ৮৩ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন।
তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোর কারণে বড় সংগ্রহ গড়া সম্ভব হয়নি তাদের।
নাহিদ রানার আগুনে বোলিং
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন Nahid Rana। এই তরুণ পেসার একাই ৫ উইকেট তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে দেন।
তাকে দারুণভাবে সহায়তা করেন Shoriful Islam, যিনি নেন ২টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।
এছাড়া Taskin Ahmed, Mehidy Hasan Miraz এবং Rishad Hossain পুরো ইনিংসে চাপ ধরে রাখেন।
ব্যাট হাতে তাণ্ডব সহজ জয়ে বাংলাদেশ
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলেন Tanzid Hasan Tamim। তার ৭৬ রানের ঝড়ো ইনিংস বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেয়।
এরপর দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন Najmul Hossain Shanto, যিনি করেন ৫০ রান। শেষটা সহজ করে দেন Towhid Hridoy, তার অপরাজিত ৩০ রানের ইনিংসে।
সিরিজে সমতা, সামনে ‘ফাইনাল’ ম্যাচ
এই জয়ের মাধ্যমে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে বাংলাদেশ, ফলে শেষ ম্যাচটি এখন কার্যত ফাইনালে পরিণত হয়েছে।
বিশেষ করে নাহিদ রানার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দলকে নতুন আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে, যা সিরিজের শেষ ম্যাচে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
৪ দিন আগে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬