
রিপোর্টার

ঢাকার শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম-এ বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে উত্তেজনা তুঙ্গে। টসে জিতে আগে ব্যাটিং নেওয়া নিউজিল্যান্ড ধীরে-সুস্থে এগিয়ে গিয়ে একটি লড়াকু সংগ্রহের দিকে এগোচ্ছে।
বর্তমানে ৪২.২ ওভার শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ১৯৬ রান, উইকেট হারিয়েছে ৬টি। ম্যাচের এই পর্যায়ে কিউইদের রান রেট দাঁড়িয়েছে ৪.৬২—যা মিরপুরের ধীরগতির উইকেটে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ স্কোরের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
শুরুতে ধাক্কা, পরে ঘুরে দাঁড়ানো
ইনিংসের শুরুতে বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে কিছুটা চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোর কারণে বড় স্কোরের পথে বাধা তৈরি হয়। তবে মিডল অর্ডারের ব্যাটাররা ধৈর্য ধরে খেলে ইনিংসকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন।
বিশেষ করে মাঝের ওভারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে তোলার ফলে দলটি আবার ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়। যদিও বড় ইনিংস কেউ খেলতে পারেননি, তবুও ছোট ছোট অবদান মিলিয়ে একটি সম্মানজনক সংগ্রহের ভিত গড়ে উঠছে।
শেষ ৫ ওভারে গতি বাড়ানোর চেষ্টা
শেষ ৫ ওভারে নিউজিল্যান্ড তুলেছে ২৫ রান, হারিয়েছে ১টি উইকেট। রান রেট ৫.০০ থাকলেও, প্রত্যাশা অনুযায়ী খুব বড় গতি পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশের বোলাররা ডেথ ওভারেও শৃঙ্খলিত বোলিং করে রান তোলার গতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।
এখন শেষ কয়েক ওভারে দ্রুত রান তুলে ২২০-২৩0-এর মতো সংগ্রহে পৌঁছানোই হবে কিউইদের লক্ষ্য।
বাংলাদেশের লক্ষ্য কী হতে পারে?
মিরপুরের উইকেট সাধারণত ব্যাটিংয়ের জন্য খুব সহজ নয়। এখানে ২০০+ স্কোর অনেক সময়ই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাই যদি নিউজিল্যান্ড ২২০ বা তার বেশি রান করতে পারে, তাহলে ম্যাচটি হয়ে উঠতে পারে রোমাঞ্চকর।
বাংলাদেশের জন্য এখন গুরুত্বপূর্ণ হলো শেষের ওভারগুলোতে দ্রুত উইকেট তুলে রান সীমিত রাখা।
ম্যাচের বর্তমান চিত্র
নিউজিল্যান্ড: ১৯৬/৬ (৪২.২ ওভার),
কারেন্ট রান রেট: ৪.৬২,
শেষ ৫ ওভার: ২৫/১ (RR: ৫.০০),
টস: নিউজিল্যান্ড, ব্যাটিং নির্বাচন।
বিশ্লেষণ
এই ম্যাচে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের বোলাররা পরিকল্পনা অনুযায়ী ভালোই পারফর্ম করছে। তবে শেষ ৭-৮ ওভারে কিউই ব্যাটাররা যদি গতি বাড়াতে পারে, তাহলে ম্যাচের চিত্র দ্রুত বদলে যেতে পারে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ চাইবে ২০০-২২০ রানের মধ্যে ইনিংস থামিয়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে।

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
৪ দিন আগে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬