
রিপোর্টার

চলতি ICC Men's T20 World Cup-এ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে দাপটের সঙ্গে সুপার এইট নিশ্চিত করেছিল India national cricket team। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে South Africa national cricket team-এর কাছে পরাজয়ের পর সেমিফাইনালের পথ রোহিত শর্মাদের জন্য এখন বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে।
শেষ চারে উঠতে হলে এখন শুধু নিজেদের জয়ই যথেষ্ট নয়—নির্ভর করতে হবে অন্য ম্যাচের ফল এবং নেট রান রেটের জটিল হিসাব-নিকাশের ওপর।
সুপার এইট গ্রুপ ১: বর্তমান পয়েন্ট টেবিল
West Indies cricket team — ১ ম্যাচ, ২ পয়েন্ট (রান রেট +৫.৩৫০)
South Africa national cricket team — ১ ম্যাচ, ২ পয়েন্ট (রান রেট +৩.৮০০)
India national cricket team — ১ ম্যাচ, ০ পয়েন্ট (রান রেট -৩.৮০০)
Zimbabwe national cricket team — ১ ম্যাচ, ০ পয়েন্ট (রান রেট -৫.৩৫০)
আজকের ম্যাচে ভাগ্য নির্ধারণ
২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার আহমেদাবাদে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একই দিন সন্ধ্যা ৭টায় চেন্নাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে ভারত।
এই দুই ম্যাচের ফলাফলের ওপরই নির্ভর করছে ভারতের সেমিফাইনালের সমীকরণ।
যে তিনভাবে সেমিফাইনালে যেতে পারে ভারত
সমীকরণ ১
যদি দক্ষিণ আফ্রিকা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারায় এবং ভারত জিম্বাবুয়েকে পরাজিত করে, তাহলে দক্ষিণ আফ্রিকার পয়েন্ট হবে ৪। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারতের পয়েন্ট হবে সমান ২।
সেক্ষেত্রে ১ মার্চ ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচটি কার্যত ‘অলিখিত কোয়ার্টার ফাইনাল’-এ পরিণত হবে। যে দল জিতবে, সে-ই সরাসরি সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে।
সমীকরণ ২
যদি ওয়েস্ট ইন্ডিজ দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায় এবং ভারত জিম্বাবুয়েকে হারায়, তাহলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট হবে ৪। দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারতের পয়েন্ট হবে ২।
এ অবস্থায় ভারতের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ—শেষ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে। পাশাপাশি আশা করতে হবে, জিম্বাবুয়ে যেন দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায় অথবা দক্ষিণ আফ্রিকা খুব অল্প ব্যবধানে জয় পায়। সবশেষে নির্ধারক হবে নেট রান রেট।
সমীকরণ ৩
যদি ভারত জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে যায়, তাহলে বিদায় প্রায় নিশ্চিত। তবে ক্ষীণ সম্ভাবনা তখনও থাকবে।
সেক্ষেত্রে দক্ষিণ আফ্রিকাকে তাদের বাকি দুই ম্যাচ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে) জিততে হবে। এরপর ভারতকে শেষ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বিশাল ব্যবধানে হারাতে হবে।
তখন দক্ষিণ আফ্রিকা ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকবে এবং বাকি তিন দলের পয়েন্ট হবে ২। সেমিফাইনালের টিকিট নির্ধারণ করবে নেট রান রেট।
গ্রুপ ১-এর পরবর্তী সূচি
১ মার্চ
দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম জিম্বাবুয়ে (বিকেল ৩টা)
ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সন্ধ্যা ৭টা)
ভারতের সামনে তাই এখন শুধু জয়ের লক্ষ্য নয়, বরং বড় ব্যবধানেও জয়ের চাপ। সুপার এইটের উত্তেজনা ক্রমেই চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
২ দিন আগে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬