সিনিয়র রিপোর্টার
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

রাকিব: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে জিম্বাবুয়েকে ১০৭ রানে উড়িয়ে দিয়ে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই জয়ের ফলে ভারতের শেষ চারে ওঠার সমীকরণ আরও জটিল হয়ে পড়েছে। প্রতিবেদন এনডিটিভির।
দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে আগের ম্যাচে হেরে আগে থেকেই চাপে ছিল ভারত। তার ওপর ক্যারিবিয়ানদের এই বিশাল জয় ভারতের নেট রান রেটের হিসাবকে কঠিন করে তুলেছে। এখন শুধু জয় নয়, বড় ব্যবধানে জয়ই হয়ে উঠেছে ভারতের প্রধান লক্ষ্য।
ভারত তাদের পরবর্তী ম্যাচে বুধবার চেন্নাইয়ে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে। একই দিনে আহমেদাবাদে গ্রুপ ১-এর গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ভারতের সেমিফাইনাল ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করছে এই ম্যাচের ফলাফলের ওপর। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলে ভারতের জন্য সমীকরণ কিছুটা সহজ হবে।
সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাব্য সমীকরণ
পরিস্থিতি–১: ভারত যদি বাকি দুই ম্যাচেই জেতে
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় পেলে ভারতের পয়েন্ট দাঁড়াবে ৩ ম্যাচে ৪। দক্ষিণ আফ্রিকা যদি তাদের তিন ম্যাচই জেতে, তবে তারা শীর্ষে থেকে সেমিফাইনালে উঠবে এবং ভারতও তাদের সঙ্গে শেষ চারে যাবে।
কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকা যদি ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হারে, তাহলে দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারতের পয়েন্ট সমান ৪ করে হবে। সে ক্ষেত্রে নেট রান রেটই নির্ধারণ করবে কারা সেমিফাইনালে উঠবে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বড় জয় পাওয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ এই লড়াইয়ে এগিয়ে গেছে, ফলে ভারতের জন্য কাজটা আরও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা যদি বাকি দুই ম্যাচেই হেরে যায়, তাহলে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সেমিফাইনালে উঠবে।
পরিস্থিতি–২: ভারত যদি দুই ম্যাচের একটিতে জেতে
ভারতকে সেমিফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে হলে অবশ্যই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিততে হবে। যদি দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের দুই ম্যাচই জিতে এবং ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে যায়, তাহলে ভারত, জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ—তিন দলেরই পয়েন্ট হবে ২ করে। তখন আবারও নেট রান রেট হয়ে উঠবে নির্ধারক।
তবে দক্ষিণ আফ্রিকা যদি বাকি দুই ম্যাচেই হেরে যায়, তাহলে সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন ভারতের সেমিফাইনালে ওঠা সম্ভব হবে না।
সুপার এইট: গ্রুপ ১-এর বাকি সূচি
২৬ ফেব্রুয়ারি: দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (আহমেদাবাদ)
২৬ ফেব্রুয়ারি: ভারত বনাম জিম্বাবুয়ে (চেন্নাই)
১ মার্চ: দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম জিম্বাবুয়ে (দিল্লি)
১ মার্চ: ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (কলকাতা)
সব মিলিয়ে সুপার এইটের গ্রুপ ১ এখন রোমাঞ্চকর সমীকরণে ঠাসা। ভারতের সামনে পথ খোলা থাকলেও ভুলের সুযোগ একেবারেই নেই। বড় জয়, অনুকূল ফলাফল এবং নেট রান রেট—এই তিনের সমন্বয়েই নির্ধারিত হবে শেষ চারের টিকিট।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬