
রিপোর্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। কয়েক সপ্তাহ ধরে ক্রিকেট অঙ্গনে তার প্রত্যাবর্তন নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে থাকলেও, নতুন সরকার গঠনের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি আরও বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর থেকেই সাকিবের জাতীয় দলে ফেরা নিয়ে জল্পনা নতুন মাত্রা পায়।
কী বলেছিলেন মির্জা ফখরুল?;
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আগেই এ প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছিলেন। তার ভাষায়,“সাকিবের খেলতে পারা তার ফর্মের ওপর নির্ভর করবে। আমি কখনোই খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতি জড়াতে চাইনি। যোগ্য খেলোয়াড় অবশ্যই খেলে।”
এই বক্তব্যের পর থেকেই বিষয়টি রাজনৈতিক ও ক্রীড়াঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে।
সাকিব কী বললেন?;
ইংরেজি দৈনিক The Daily Sun-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন,“আপনারা অনেক দূর চিন্তা করছেন। আগে আমাকে দেখতে দিন সামনের দিনগুলোতে কী হয়।”
তার এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্য জল্পনা থামায়নি; বরং সম্ভাবনার দরজা খোলা রেখেছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
২০২৭ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে পরিকল্পনা;
ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সাকিবের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা মূলত ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সক্রিয় থাকা। এজন্য তিনি টেস্ট ও টি-২০ ফরম্যাট থেকে অবসর নিয়ে কেবল ওয়ানডে ফরম্যাটে মনোযোগ দিতে পারেন।
দেশে ফেরার পর সম্ভাব্য পাকিস্তান সিরিজ দিয়েই তার নতুন যাত্রা শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে। এরপর লক্ষ্য থাকবে পরবর্তী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপ।
নতুন অধ্যায়ের অপেক্ষা;
জাতীয় দলের হয়ে ফেরার এই সম্ভাব্য পরিকল্পনাকে অনেকে সাকিবের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে এককভাবে নেতৃত্ব দেওয়া এই অলরাউন্ডারের প্রত্যাবর্তন সত্যিই হলে তা দলীয় ভারসাম্য ও অভিজ্ঞতায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
এখন অপেক্ষা—আসন্ন দিনগুলোতে সাকিবের সিদ্ধান্ত কোন দিকে মোড় নেয়।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬