
সিনিয়র রিপোর্টার

রাকিব: বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য ২০২৬ সাল হতে যাচ্ছে চরম ব্যস্ততা, বড় চ্যালেঞ্জ আর রোমাঞ্চে ঠাসা এক বছর। ২০২৫ সালের টানা সূচি শেষ না হতেই নতুন বছরে আরও কঠিন পরীক্ষার সামনে দাঁড়াচ্ছে টাইগাররা। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মেগা আসর থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান কিংবা ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে হোম ও অ্যাওয়ে সিরিজ সব মিলিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্যালেন্ডার যেন এক মুহূর্তের জন্যও ফাঁকা নেই।
বছরের শুরুতেই বিশ্বকাপের উত্তাপ
২০২৬ সালের শুরুতে ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর বিপিএল দিয়ে ব্যস্ততা শুরু হলেও খুব দ্রুতই আন্তর্জাতিক মিশনে নামতে হবে লাল–সবুজের প্রতিনিধিদের। ফেব্রুয়ারি মাসে ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দল দেশ ছাড়বে। বিশ্বকাপের এই মঞ্চে ভালো করার লক্ষ্য নিয়েই বছরের শুরুতে প্রস্তুতি সারবে বাংলাদেশ।
বিশ্বকাপের পর ঘরের মাঠে শক্ত লড়াই
বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরপরই ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। পাকিস্তান সুপার লিগের সূচির কারণে এই সিরিজটি দুই দফায় আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সিরিজে থাকছে ৩টি ওয়ানডে, টি–টোয়েন্টির পাশাপাশি ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। মার্চ–এপ্রিলজুড়ে চলবে এই লড়াই।
এরপর এপ্রিলের শেষভাগে ঢাকায় পা রাখবে নিউজিল্যান্ড দল। কিউইদের বিপক্ষে বাংলাদেশ খেলবে ৩টি ওয়ানডে ও ৩টি টি–টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ, যা ঘরের মাঠে টাইগারদের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে।
মাঝবর্ষে অস্ট্রেলিয়া ও জিম্বাবুয়ের চ্যালেঞ্জ
জুন মাসে ঘরের মাঠে আসবে বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী দল অস্ট্রেলিয়া। অজিদের বিপক্ষে বাংলাদেশ খেলবে ৩ ওয়ানডে ও ৩ টি–টোয়েন্টির সীমিত ওভারের সিরিজ। এই সিরিজ শেষ করেই জুলাই মাসে বাংলাদেশ দল উড়াল দেবে জিম্বাবুয়ের উদ্দেশ্যে।
জিম্বাবুয়ে সফরে টাইগারদের অপেক্ষা করছে দীর্ঘ সূচি ৫টি ওয়ানডে এবং ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। বিদেশের কন্ডিশনে এই সফর বাংলাদেশের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ইউরোপ থেকে ক্যারিবিয়ান শেষ ভাগে কঠিন সফর
আগস্টের শুরুতে আয়ারল্যান্ড সফরে যাবে বাংলাদেশ দল। সেখানে আইরিশদের বিপক্ষে ৩টি ওয়ানডে ও ৩টি টি–টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে তারা। দীর্ঘ ব্যস্ততার পর সেপ্টেম্বরে ক্রিকেটাররা কিছুটা বিশ্রামের সুযোগ পেলেও অক্টোবরে আবার ঘরের মাঠে নামতে হবে।
অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশে আসবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়ে আবারও লাল বলের ক্রিকেটে ফিরবে টাইগাররা।
বছরের শেষ পরীক্ষা ও বিপিএলের প্রত্যাবর্তন
নভেম্বর মাসে কঠিন কন্ডিশনে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ। ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত চলা এই সফরে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ২টি টেস্ট ও ৩টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে দল। এই সফর দিয়েই শেষ হবে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত ২০২৬ সাল।
এরপর বছরের শেষভাগে আবারও শুরু হতে পারে বিপিএলের নতুন আসর। অর্থাৎ, বছরের শুরু ও শেষ—দুটোই হতে যাচ্ছে বিপিএলের জমজমাট উত্তাপ দিয়ে।
একনজরে ২০২৬ সালে বাংলাদেশের ক্রিকেট সূচি
জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি: বিপিএল
ফেব্রুয়ারি: টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (ভারত ও শ্রীলঙ্কা)
মার্চ–এপ্রিল: পাকিস্তান সিরিজ (হোম)
এপ্রিল (শেষভাগ): নিউজিল্যান্ড সিরিজ (হোম)
জুন: অস্ট্রেলিয়া সিরিজ (হোম)
জুলাই: জিম্বাবুয়ে সফর
আগস্ট: আয়ারল্যান্ড সফর
অক্টোবর: ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ (হোম)
নভেম্বর–ডিসেম্বর: দক্ষিণ আফ্রিকা সফর
ডিসেম্বর (শেষভাগ): বিপিএল (সম্ভাব্য)
২০২৬ সাল বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য শুধু ব্যস্তই নয়, বরং সাফল্য–ব্যর্থতার মানদণ্ড নির্ধারণের এক গুরুত্বপূর্ণ বছর হয়ে উঠতে যাচ্ছে। এখন অপেক্ষা—এই কঠিন সূচিতে টাইগাররা কতটা দৃঢ়তার সঙ্গে নিজেদের প্রমাণ করতে পারে।

আইপিএলের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে আলো ছড়ানো তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েলকে একটি গুরুতর অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা পুরো ক্রীড়াঙ্গনে ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য অস্ট্রেলিয়া সফরকে সামনে রেখে এসেছে এক দারুণ স্বস্তির ও আনন্দের খবর। দীর্ঘদিন ধরে ইনজুরি বা চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে থাকার পর অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রাথমিক ও চূড়ান্ত স্কোয়াডে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার লিটন কুমার দাস।
২ আগস্ট ২০২৬

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬