
রিপোর্টার

হাসান: শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৭ দলের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ দল। ব্যাট হাতে ২৭১ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ, যার জবাবে নির্ধারিত ৫০ ওভার খেলেও লঙ্কান যুবারা তুলতে পারে মাত্র ১৯৩ রান। ফলে ৭৮ রানের দাপুটে জয় নিয়ে ম্যাচ শেষ করে বাংলাদেশ। দলের জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন সেঞ্চুরিয়ান অদ্রিত ঘোষ।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরুর ধাক্কায় কাবু শ্রীলঙ্কা
২৭২ রানের কঠিন টার্গেটে ব্যাট করতে নেমেই উইকেটের পতন শুরু হয় শ্রীলঙ্কার। স্কোরবোর্ডে রান যোগ হওয়ার আগেই আউট হন ওপেনার আরোশা সিথুমিনা তাকে বোল্ড করেন মাহিনুজ্জামান মাহবীর। পরের ওভারেই ফিরে যান আরেক ওপেনার ও দলনেতা রেহান পেইরিস আকাশের শিকার হয়ে শ্রীলঙ্কা তখন মাত্র ৯ রানে ২ উইকেট হারায়।
এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার আগেই ৩১ রানে তৃতীয় এবং ৪৬ রানে চতুর্থ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে লঙ্কানরা। ফাইয়াজ রহমান আরিব ও জারিফ সিয়াম তুলে নেন এই দুই উইকেট।
৭৫ রানেই অর্ধেক ব্যাটার সাজঘরে ফেরত গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। তবে ষষ্ঠ উইকেটে আসে দলের সবচেয়ে বড় জুটি ৮৬ রান। এই জুটি ভাঙেন আকাশ রায়, যিনি সানুল বিরারত্নেকে ৬৫ বলে ৩৪ রানে থামান। এরপর দ্রুতই হিমারু দেশানকে আউট করেন মোহাম্মদ ইফতেখার। ফলে ১৮২ রানে তাদের সাত উইকেট পড়ে যায়।
ধীরগতির স্কোরিং রেইটে শ্রীলঙ্কা শেষ পর্যন্ত পুরো ৫০ ওভার খেলেও ১৯৩ রানের বেশি তুলতে পারেনি।
অদ্রিতের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের শক্ত ভিত্তি
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ দল। শুরুটা ভালো হয়নি দ্বিতীয় ওভারেই ৩ রানে আউট হন ওপেনার জারিফ সিয়াম। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে অদ্রিত ঘোষ ও মোহাম্মদ নাঈম ৪৮ রানের জুটি গড়ে দলের ভিত্তি মজবুত করেন। নাঈমের ইনিংস থামে ৪২ বলে ৩২ রানে, যেখানে ছিল তিনটি চারের মার।
তৃতীয় উইকেটে আসে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পার্টনারশিপ। অদ্রিত ও আকাশ রায় যোগ করেন ৮৯ রান। তবে আকাশ ৬২ বলে ৩৯ রানে ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। এরপর অধিনায়ক রাকিবুল হাসান ১০ বলে ১২ রান করে রান-আউট হন।
জুনায়েদও আউট হন দ্রুত। অদ্রিতের সঙ্গে তার ৩৪ রানের জুটি ভেঙে যায় ১৮ রানে থেমে। শেষদিকে সৌরভ কর্মকার খেলেন ঝড়ো ইনিংস মাত্র ২০ বলে ৩২ রান, যার মধ্যে ছিল তিনটি বিশাল ছক্কা। মাহিনুজ্জামান মাহবীরও ৪ বলে অপরাজিত ৯ রানের ক্যামিও খেলেন।
তবে পুরো ইনিংসের নায়ক ছিলেন অদ্রিত ঘোষ। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধীরস্থির ব্যাটিং করে ১৩৫ বলে তিন অঙ্ক স্পর্শ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ১৩৭ বলে ১০৩ রানে। তার ইনিংসে ছিল আটটি চার ও দুইটি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট যদিও ছিল ৭৫.১৮।
বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে তোলে ২৭১ রান, যা শেষে যথেষ্টের চেয়েও বেশি প্রমাণিত হয়।

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে দারুণ অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবুয়ের টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্তের পর ব্যাট করতে নেমে ৩১.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান সংগ্রহ করেছে অস্ট্রেলিয়া।
৪ দিন আগে

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই ব্যাট হাতে দাপট দেখাচ্ছে ভারত। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তুলছে ভারত।
৫ দিন আগে

খেলাপ্রেমীদের জন্য আজকের দিনটি বেশ ব্যস্ততায় কাটবে। ক্রিকেট, টেনিস ও ফুটবল—তিন জনপ্রিয় খেলাতেই রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এর মধ্যে নারী এশিয়া কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেট ও ইউএস ওপেনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও সরাসরি দেখা যাবে টেলিভিশনে।
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের দেওয়া ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ভারতের ইনিংস শেষে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে ভারত। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংসের ২ দশমিক ১ ওভার শেষে ১৪ রান এসেছে, কোনো উইকেট হারায়নি নিগার সুলতানার দল।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৪ সালের নারী এশিয়া কাপে ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। এবার সেই হারের স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন লড়াইয়ের অপেক্ষায় নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ডাম্বুলার পর এবার দুবাইয়ের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে প্রতিশোধের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে টাইগ্রেসরা।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সামনে ব্যস্ত সূচি। আগামী অক্টোবর মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের অংশগ্রহণে বসতে যাচ্ছে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ। ১৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ২৩ অক্টোবর ফাইনালের মধ্য দিয়ে।
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে এবারও পদকের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। তবে পদকের মঞ্চে পৌঁছাতে হলে শুরুতেই কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে দুই দলকে। পুরুষ ও নারী—উভয় দলই সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে নিজেদের অভিযান শুরু করবে। ফলে প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিতে পারলে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হবে। আর সেই ধাপ পেরোতে পারলেই ব্রোঞ্জ নয়, সোনার পদকের লড়াইয়ে নামার সুযোগ তৈরি হবে বাংলাদেশের।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ক্রিকেটাররা যখন বের হচ্ছিলেন, তখন তাদের চোখেমুখে ছিল স্পষ্ট হতাশার ছাপ। আনন্দের কোনো কারণও ছিল না। নারী এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন দলকে।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাটিংয়ে প্রত্যাশামতো রান তুলতে না পারলেও বোলারদের দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ১১৪ রানের পুঁজি নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলেছিল মারুফা আক্তার ও সুলতানা খাতুনদের বোলিং নৈপুণ্য। তবে শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচ নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। ৪ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬