
নিজস্ব প্রতিবেদন: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দল। এই ম্যাচটি কেবল টি-টোয়েন্টি সিরিজের ভাগ্যই নির্ধারণ করবে না, বরং শ্রীলঙ্কা সফরে বাংলাদেশের প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির শেষ হিসেব নিকেশও করবে। কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হবে এই সিরিজ নির্ধারণী লড়াই।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শ্রীলংকা ১৯ রানে ২ উইকেট হারিয়েছে।
শ্রীলঙ্কা সফরে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো ছিল না। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে হারের পর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও ২-১ ব্যবধানে হেরেছে টাইগাররা। তাই আজকের টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি শুধু সিরিজ জয়ের সুযোগই নয়, পুরো সফরের একমাত্র সাফল্য নিশ্চিত করারও লড়াই। প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতে উভয় দল একটি করে জয় পাওয়ায়, তৃতীয় ম্যাচটি পরিণত হয়েছে একরকম 'অঘোষিত ফাইনালে'।
এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশ দলে এসেছে দুটি পরিবর্তন। ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের জায়গায় একাদশে এসেছেন মেহেদী হাসান। এছাড়া পেস অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের পরিবর্তে দলে সুযোগ পেয়েছেন তানজিম হাসান সাকিব।
অন্যদিকে, স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা দলেও দুটি পরিবর্তন দেখা গেছে। আভিস্কা ফার্নান্দো ও চামিকা করুনারত্নে বাদ পড়েছেন, তাদের পরিবর্তে একাদশে এসেছেন দিনেশ চান্দিমাল ও কামিন্দু মেন্ডিস। উল্লেখ্য, প্রায় সাড়ে ৩ বছর পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ফিরলেন চান্দিমাল। তিনি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের বিপক্ষে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছিলেন।
দুই দলের একাদশ
বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন, লিটন দাস, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলী, শামীম হোসেন, মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান, শরিফুল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান।
শ্রীলঙ্কা একাদশ: পাথুম নিশাঙ্কা, কুশল মেন্ডিস (উইকেটরক্ষক), কুশল পেরেরা, দিনেশ চান্দিমাল, কামিন্দু মেন্ডিস, চরিথ আসালাঙ্কা (অধিনায়ক), দাসুন শানাকা, মাহেশ থিকসানা, জেফরি ভানডারসে, বিনুরা ফার্নান্ডো ও নুয়ান তুষারা।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬