
নিজস্ব প্রতিবেদক: চোখ ধাঁধানো এক নাটকীয়তায় শেষ হলো বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার প্রথম ওয়ানডে। শুরুতে জয়ের পথে অনেকটাই এগিয়ে ছিল টাইগাররা, কিন্তু হঠাৎ এক ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে সব আশাই গুঁড়িয়ে যায়। মাত্র ৫ রানের ব্যবধানে ৭ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৭৭ রানের বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়ে মাঠ ছাড়ে সফরকারীরা।
এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা।
সহজ লক্ষ্য, কঠিন পরিণতি
২৪৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা বাংলাদেশ একসময় মাত্র এক উইকেটে দলীয় ১০০ রানে পৌঁছে গিয়েছিল। মনে হচ্ছিল জয়টা কেবল সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু হঠাৎ করেই ঘটে বিপর্যয়। ১০০ থেকে ১০৫ রানের মধ্যেই ৬ ব্যাটার ফিরে যান সাজঘরে। লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ এবং তাসকিন আহমেদ শূন্য রানে আউট হয়ে দলকে চাপে ফেলে দেন।
শেষদিকে কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন জাকের আলি। তার ৫০ রানের ইনিংস পরাজয়ের ব্যবধান কিছুটা কমালেও জয় এনে দিতে পারেননি। ৩৫.৫ ওভারে ১৬৭ রানেই থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
শ্রীলঙ্কার লড়াকু সংগ্রহ
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ২৪৪ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা। শুরুটা ভালো হয়নি তাদেরও—মাত্র ২৯ রানে হারিয়ে বসে তিন উইকেট। তবে এরপর কুশল মেন্ডিস ও চারিথ আসালঙ্কার দুর্দান্ত জুটি দলকে আবার পথ দেখায়। মেন্ডিস ৪৫ রানে এলবিডব্লিউ হলেও আসালঙ্কা একাই চালিয়ে যান লড়াই। তিনি তুলে নেন ১০৬ রানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি (১১৭ বল)।
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে তাসকিন আহমেদ ৪টি, তানজিম সাকিব ৩টি এবং শান্ত ও তানভীর ইসলাম একটি করে উইকেট নেন।
দুর্দান্ত শুরু, হতাশাজনক শেষ
বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে শুরুটা ছিল মন্দ নয়। তানজিদ হাসান ও ইমন মিলে গড়েন ২৯ রানের উদ্বোধনী জুটি। এরপর শান্তর সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটেও আসে কিছুটা স্থিতি, দল স্পর্শ করে ১০০ রান। কিন্তু শান্ত রানআউট হয়ে গেলে ঘটে সেই ভয়াবহ পতন।
মাত্র ৫ রান যোগ করতেই ফেরেন পরপর ৬ ব্যাটার। তিনজন আউট হন রানের খাতা না খুলেই। সবমিলিয়ে জয়ের স্বপ্ন দেখা টাইগাররা হতাশাজনকভাবে ম্যাচ হেরে বসে।
ম্যাচের নায়ক: আসালঙ্কা ও তাসকিন
এই ম্যাচে ব্যাটে-বলে আলো ছড়িয়েছেন দুইজন —চারিথ আসালঙ্কা, যার সেঞ্চুরিতেই ভর করে লড়াই করার মতো সংগ্রহ পায় শ্রীলঙ্কা,আর তাসকিন আহমেদ, যিনি বল হাতে একাই তুলে নেন প্রতিপক্ষের চারটি উইকেট।
সোহাগ/

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬