
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে এমন নাটকীয় মোড় খুব কমই এসেছে—যেমনটি ঘটেছিল ২০২৩ সালে, তামিম ইকবালের হঠাৎ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়ার ঘোষণায়। এক মুহূর্তে যেন স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল পুরো দেশ। অনেকে ধরে নিয়েছিলেন, আবেগের জোয়ারে ভেসেই হয়তো এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দেশের অন্যতম সফল এই ওপেনার।
কিন্তু এক বছর পর, সময়ের পর্দা সরিয়ে দিলেন তামিম নিজেই। সমকালকে দেওয়া এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে জানালেন, সেই সিদ্ধান্ত আবেগের নয়, বরং দীর্ঘদিনের মানসিক যন্ত্রণার ফল। দলের ভেতর থেকে পরিকল্পিতভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া, এবং কিছু ‘বিশেষ মানুষের’ আচরণ তাকে ঠেলে দেয় এই চরম সিদ্ধান্তের দিকে।
তামিম বললেন, “অনেকেই ভেবেছে আমি আবেগপ্রবণ হয়ে অবসরের ঘোষণা দিয়েছি। কিন্তু সত্যি বলতে, আমি অনেক দিন ধরেই ভিতরে ভিতরে ভেঙে পড়ছিলাম। একটা নিরব যুদ্ধ চলছিল আমার ভেতরে।”
তামিমের ভাষায়, দলের মধ্য থেকেই কয়েকজন তার বিরুদ্ধে এক প্রকার ‘অদৃশ্য প্রাচীর’ গড়ে তুলেছিলেন। “আমি সব সময় মিশুক ছিলাম, সবাইকে নিয়ে থাকতে ভালোবাসতাম। কিন্তু একসময় দেখলাম, সবাই এড়িয়ে চলছে। একা করে দেওয়া হলো আমাকে। সেই নিঃসঙ্গতাই আমাকে ধ্বংস করেছে।”
তামিম কারও নাম নেননি। তবে ইঙ্গিতটা যথেষ্ট স্পষ্ট—ক্রিকেট অঙ্গনে এখন প্রশ্ন, কে সেই ২-৩ জন ‘বিশেষ ব্যক্তি’?তারা কি বোর্ডের কেউ, নাকি দলেরই সিনিয়র খেলোয়াড়?
তামিম জানান, অবসরের আগে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন তিনি। “হ্যাঁ, ঘোষণার দিন আবেগ ছিল, চোখে পানি ছিল। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত আমি অনেক আগেই নিয়ে ফেলেছিলাম। সেই সময়ের কষ্ট কেউ জানে না।”
তামিমের এই বক্তব্য সামনে আসার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে বাংলাদেশ দলের ভেতরের বিভাজন, দলের সংস্কৃতি, ও নেতৃত্বের সংকট।
তাহলে কি সত্যিই জাতীয় দলের ভেতরে ছিল এক 'অদৃশ্য রাজনীতি'?তামিম কি ভবিষ্যতে সব কিছু প্রকাশ করবেন?আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—তাকে একা ফেলে দেওয়ার পেছনে দায়ী কারা?
বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে সেই অজানা অধ্যায়ের উন্মোচনের,যেখানে হয়তো একদিন ফুটে উঠবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভিতরে লুকিয়ে থাকা বহু অন্ধকার গলির গল্প।
আহমেদ/

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬