
নিজস্ব প্রতিবেদক: টানা ব্যর্থতায় জর্জরিত বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ব্যাটিং-বোলিংয়ের অসংগতি, নেতৃত্বের অভাব এবং দলে অভিজ্ঞতার সংকট মিলিয়ে হতাশ ক্রিকেটভক্তরা। এমন দুঃসময়ে আলোচনায় উঠে এসেছে জাতীয় দলের দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার—মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন।
বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নবনিযুক্ত সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল দলের ভারসাম্য রক্ষায় অভিজ্ঞদের ফেরানোর বিষয়ে ইতিবাচক চিন্তা করছেন। বিশেষ করে মিডল অর্ডারে স্থিতিশীলতা আনতে মুশফিক ও রিয়াদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারে বলেই তার ধারণা।
বোর্ডের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “দুজনই এখনও ফিট এবং ক্রিকেটের প্রতি নিবেদিত। প্রয়োজনে তারা জাতীয় দলে ফিরতে প্রস্তুত আছেন।”
সাম্প্রতিক সময়ে দলের ব্যাটিং অর্ডারে বারবার ভেঙে পড়া, ম্যাচ ফিনিশিংয়ে দুর্বলতা এবং নেতৃত্বের ঘাটতি স্পষ্ট। বিশ্লেষকদের মতে, মুশফিকের টেকসই ব্যাটিং ও রিয়াদের চাপ সামলানোর ক্ষমতা এই সংকটে দলকে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে।
মুশফিকুর রহিম ৮০’র বেশি টেস্ট ও ২০০’র বেশি ওয়ানডে খেলে বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান। অন্যদিকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বহুবার দলের ‘সাইলেন্ট ফিনিশার’ হিসেবে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেছেন। দুজনই এখনও নিয়মিত ঘরোয়া লিগ ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন এবং শারীরিকভাবে পুরোপুরি ফিট রয়েছেন।
যদিও জাতীয় দলে ফেরার ব্যাপারে তারা প্রকাশ্যে কিছু বলেননি, তবে ঘনিষ্ঠ মহলের বরাতে জানা যাচ্ছে—ফেরার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত রয়েছেন দুই অভিজ্ঞ তারকা।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই গুঞ্জন নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। অনেক সমর্থক মনে করছেন, দুঃসময়ে অভিজ্ঞদেরই সামনে এসে দলকে পথ দেখানো উচিত। মুশফিক ও রিয়াদ হতে পারেন দলের পুনর্জাগরণের মূল অনুপ্রেরণা।
তবে প্রশ্ন রয়ে গেছে—বোর্ড আসলেই কতটা এগোয় এই পরিকল্পনায়? আর সত্যি কি আমরা আবারও জাতীয় দলের জার্সিতে মুশফিক-রিয়াদকে দেখতে পাব?
সোহাগ/

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬