
নিজস্ব প্রতিবেদক: ক্রিকেট বিশ্বে অবিশ্বাস্য এক রেকর্ড গড়েছে ইংল্যান্ডের মিডলসেক্স কাউন্টি লিগের দল রিচমন্ড সিসি। বিশাল ৪২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ২ রানেই অলআউট হয়ে যায় পুরো দল। মাত্র ৫.৪ ওভারে গুটিয়ে যাওয়া এই ইনিংস এখন ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে ২৪ মে, মিডলসেক্স কাউন্টি লিগের তৃতীয় স্তরের ডিভিশন ওয়ানের এক ম্যাচে। প্রতিপক্ষ নর্থ লন্ডন সিসি টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৪৫ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে তোলে ৪২৬ রান। দলের হয়ে ড্যান সিমন্স একাই করেন ১৪০ রান। এছাড়াও জ্যাক লেভিথ ৪৩ ও নাবিল আব্রাহামস ৪২ রান করেন।
বিশাল এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে রিচমন্ড সিসির ব্যাটিং লাইনআপ। দলের ৮ জন ব্যাটসম্যান কোনো রানই করতে পারেননি। মাত্র দুজন ব্যাটার ১ করে রান তুললেও দলীয় ইনিংস থামে মাত্র ২ রানে। ফলে ৪২৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারতে হয় রিচমন্ডকে।
এই লজ্জাজনক স্কোর ভেঙে দিয়েছে ১৮১০ সালে হওয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে গড়া আগের সর্বনিম্ন ৬ রানের রেকর্ড। সেবার লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে 'দ্য বিএস' নামে একটি দল মাত্র ৬ রানে অলআউট হয়েছিল। ১৮৭৭ সালে মেরিলেবোন ক্লাবের বিপক্ষে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ও মাত্র ১২ রানে অলআউট হয়।
আধুনিক ক্রিকেটেও এমন লজ্জার রেকর্ড আছে—১৯৫৫ সালে টেস্টে নিউজিল্যান্ড অলআউট হয়েছিল মাত্র ২৬ রানে। ওয়ানডেতে ২০২৪ সালে জিম্বাবুয়ে গুটিয়ে যায় ৩৫ রানে। টি-টোয়েন্টিতেও ২০২৪ সালে আইভরি কোস্ট অলআউট হয়েছিল মাত্র ৭ রানে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে।
রিচমন্ড সিসির ২ রানে অলআউট হওয়া ক্রিকেটভক্তদের বিস্মিত করেছে। আধুনিক যুগে যেখানে একের পর এক রানের পাহাড় গড়ে উঠছে, সেখানে একটি দল মাত্র ২ রানে অলআউট হওয়া নিঃসন্দেহে এক বিস্ময়কর ও বিব্রতকর অধ্যায় হিসেবে ইতিহাসে রয়ে যাবে।
— আয়শা/

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬