
নিজস্ব প্রতিবেদক: আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের ১৮ বছরের পথচলা—তবু এখনো অধরা সেই কাঙ্ক্ষিত শিরোপা। দলবদল, তারকাখচিত স্কোয়াড, বিদেশি শক্তি, আধুনিক কৌশল—সবই ঘুরে গেছে দলটির রোস্টারে। তবুও ট্রফির দেখা মেলেনি। এ অবস্থায় এবার হয়তো একটু ভাগ্যের দিকেও তাকিয়ে আছেন দলের মালিক প্রীতি জিনতা।
এই ভাগ্যের গল্পেই উঠে আসছে একটি নাম—রিশাদ হোসেন। বাংলাদেশের তরুণ লেগ স্পিনার শুধু প্রতিভাবান বোলারই নন, গত কয়েক মাসের পরিসংখ্যান বলছে, তিনি যেন দলের জন্য এক ‘ভাগ্যবান মুখ’।
গত ছয় মাসে চারটি আলাদা টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছেন রিশাদ—কখনো মূল একাদশে, কখনো স্কোয়াডে থেকেই। অবাক করা ব্যাপার হলো, তিনি থাকা মানেই যেন ট্রফি জেতা! চারটির চারটিই ট্রফি জিতেছে তার দল:
* রংপুর রাইডার্স: গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগের চ্যাম্পিয়ন
* হোবার্ট হারিকেন্স: বিগ ব্যাশে স্কোয়াডে ছিলেন, দল জিতেছে প্রথমবারের মতো
* ফরচুন বরিশাল: মাঠে পারফর্ম করে জিতিয়েছেন বিপিএল ট্রফি
* লাহোর কালান্দার্স: পিএসএলে উইকেট শিকার ও শিরোপা জয়
এই সাফল্য নিছক কাকতালীয় বলা যায় না। ম্যাচে সরাসরি অবদান, প্রতিপক্ষকে বিভ্রান্ত করার কৌশল, এবং দলে আত্মবিশ্বাস ছড়ানোর সক্ষমতায় রিশাদ হয়ে উঠেছেন একরকম ‘চ্যাম্পিয়ন ফর্মুলা’।
যেখানে পাঞ্জাব কিংস বারবার বড় নাম নিয়ে ব্যর্থ হয়েছে, সেখানে এবার কি তারা ভাববে এমন এক ক্রিকেটারকে নিয়ে, যার সঙ্গে বারবার আসে জয়? আইপিএলে এখনও বড় তারকা না হলেও, প্রশ্নটা গুরুত্বপূর্ণ—আপনি কি ট্রফির জন্য নাম কিনবেন, নাকি এমন কাউকে, যার উপস্থিতিই জয় এনে দেয়?
রিশাদকে স্কোয়াডে রাখলে পাঞ্জাব চাইলে তাকে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবেও কাজে লাগাতে পারে। এমনকি যদি মাঠে সুযোগ না-ও পান, ইতিহাস বলছে—তার উপস্থিতিও ‘ট্রফি মন্ত্র’ হয়ে কাজ করতে পারে।
আইপিএলে কোটি কোটি টাকা খরচ করেও ট্রফি জেতা যায় না—তবে কিছু প্লেয়ারের সঙ্গে জয়ের গল্প যেন আপনাতেই আসে। রিশাদ হোসেন ঠিক সেই বিরলদের একজন হয়ে উঠছেন। এবার সিদ্ধান্ত প্রীতি জিনতার হাতে—তিনি কি কৌশলের বাইরে গিয়েও ভাগ্যকে সুযোগ দেবেন?
শেষ চেষ্টাগুলো অনেক সময়ই একটু ব্যতিক্রমী হয়—এবার সেই ব্যতিক্রম হতে পারেন রিশাদ হোসেন।
সোহাগ/

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে দারুণ অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবুয়ের টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্তের পর ব্যাট করতে নেমে ৩১.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান সংগ্রহ করেছে অস্ট্রেলিয়া।
২ দিন আগে

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই ব্যাট হাতে দাপট দেখাচ্ছে ভারত। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তুলছে ভারত।
৩ দিন আগে

খেলাপ্রেমীদের জন্য আজকের দিনটি বেশ ব্যস্ততায় কাটবে। ক্রিকেট, টেনিস ও ফুটবল—তিন জনপ্রিয় খেলাতেই রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এর মধ্যে নারী এশিয়া কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেট ও ইউএস ওপেনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও সরাসরি দেখা যাবে টেলিভিশনে।
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের দেওয়া ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ভারতের ইনিংস শেষে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে ভারত। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংসের ২ দশমিক ১ ওভার শেষে ১৪ রান এসেছে, কোনো উইকেট হারায়নি নিগার সুলতানার দল।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৪ সালের নারী এশিয়া কাপে ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। এবার সেই হারের স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন লড়াইয়ের অপেক্ষায় নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ডাম্বুলার পর এবার দুবাইয়ের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে প্রতিশোধের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে টাইগ্রেসরা।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সামনে ব্যস্ত সূচি। আগামী অক্টোবর মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের অংশগ্রহণে বসতে যাচ্ছে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ। ১৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ২৩ অক্টোবর ফাইনালের মধ্য দিয়ে।
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে এবারও পদকের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। তবে পদকের মঞ্চে পৌঁছাতে হলে শুরুতেই কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে দুই দলকে। পুরুষ ও নারী—উভয় দলই সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে নিজেদের অভিযান শুরু করবে। ফলে প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিতে পারলে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হবে। আর সেই ধাপ পেরোতে পারলেই ব্রোঞ্জ নয়, সোনার পদকের লড়াইয়ে নামার সুযোগ তৈরি হবে বাংলাদেশের।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ক্রিকেটাররা যখন বের হচ্ছিলেন, তখন তাদের চোখেমুখে ছিল স্পষ্ট হতাশার ছাপ। আনন্দের কোনো কারণও ছিল না। নারী এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন দলকে।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাটিংয়ে প্রত্যাশামতো রান তুলতে না পারলেও বোলারদের দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ১১৪ রানের পুঁজি নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলেছিল মারুফা আক্তার ও সুলতানা খাতুনদের বোলিং নৈপুণ্য। তবে শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচ নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। ৪ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬