
ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসে আরেকটি অধ্যায়ের ইতি। হঠাৎ করেই টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন দেশটির অভিজ্ঞ ওপেনার এবং সাবেক অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ইনস্টাগ্রামে একটি আবেগঘন বার্তা দিয়ে নিজের সিদ্ধান্ত জানান রোহিত। সাদা জার্সির একটি ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “সাদা পোশাকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি। তবে সময় এসেছে এবার বিদায় জানানোর।”
২০১৩ সালে টেস্ট অভিষেক হওয়ার পর ভারতের হয়ে মোট ৬৭টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন রোহিত। এই দীর্ঘ যাত্রায় সংগ্রহ করেছেন ৪৩০১ রান, যার মধ্যে রয়েছে ১২টি সেঞ্চুরি ও ১৮টি হাফ-সেঞ্চুরি। ব্যাট হাতে যেমন সাফল্য এনেছেন, তেমনি নেতৃত্বের দায়িত্বও পালন করেছেন সফলভাবে। ২০২২ সালে বিরাট কোহলির কাছ থেকে নেতৃত্ব গ্রহণ করে ২৪টি টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দেন তিনি।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে তার ফর্ম ও দলের পারফরম্যান্স দুই-ই প্রশ্নের মুখে পড়ে। বিশেষ করে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা হারের ধাক্কা এবং নিজের ব্যাটিং দুর্বলতাই হয়তো এই সিদ্ধান্তের পেছনের মূল কারণ।
যদিও টেস্টকে বিদায় জানিয়েছেন, রোহিত এখনো ওয়ানডে ও আইপিএল ক্রিকেটে খেলা চালিয়ে যাবেন। সামনে তার লক্ষ্য হতে পারে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ—এটাই হয়তো ক্যারিয়ারের শেষ মিশন।
ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এটি একটি আবেগঘন মুহূর্ত। ভারতীয় ক্রিকেটের সাদা জার্সির ইতিহাসে রোহিত শর্মার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬