
রিপোর্টার

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুদিনের প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের কার্যক্রম এখন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত বছরের জুলাইয়ে গঠিত পে কমিশন চলতি বছরের জানুয়ারিতে তাদের সুপারিশমালা সরকারের কাছে জমা দিয়েছে। ফলে এখন অপেক্ষা কেবল সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন এবং বাস্তবায়নের ঘোষণার।
সরকারের অবস্থান ও উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার এই পে-স্কেল প্রস্তাবকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, কমিশনের দেওয়া প্রতিবেদনটি ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে।
এই কমিটি সুপারিশগুলো বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করছে এবং দেশের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে একটি বাস্তবসম্মত বেতন কাঠামো নির্ধারণ করবে। তাদের পর্যালোচনার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
কবে কার্যকর হতে পারে নতুন পে-স্কেল?
সরকারি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানাচ্ছে, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে।
আংশিক বাস্তবায়ন: ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়ার পরিকল্পনা,
পূর্ণ বাস্তবায়ন: ১ জুলাই ২০২৬ (২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন),
প্রশাসনিক সুবিধার জন্য জুন মাস থেকেই কিছু কার্যক্রম শুরু হতে পারে।
বাজেট ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের ওপর বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী বাজেটে এ খাতে অতিরিক্ত ২২ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা বা তারও বেশি বরাদ্দ রাখা হতে পারে।
তবে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, এত বড় ব্যয়ের কারণে বাজেট ঘাটতি বাড়তে পারে এবং মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলতে পারে।
আন্দোলন ও প্রত্যাশা
দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৈষম্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠন আন্দোলন চালিয়ে আসছে। কলমবিরতি, বিক্ষোভসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে তারা দ্রুত নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন।
এই পে-স্কেল কার্যকর হলে প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সারসংক্ষেপ
নবম পে-স্কেল নিয়ে পে কমিশনের প্রতিবেদন এখন সচিব কমিটির চূড়ান্ত পর্যালোচনায় রয়েছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন পে-স্কেল পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হতে পারে, যার জন্য আসন্ন জাতীয় বাজেটে বড় অংকের বরাদ্দ রাখা হচ্ছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল আলোচিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোর আর্থিক, কারিগরি ও আইনি বিষয়গুলো চূড়ান্ত করতে বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে পুনর্গঠিত সচিব কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠককে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
১৫ ঘণ্টা আগে

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে নানা আলোচনা, প্রত্যাশা ও জল্পনা-কল্পনা। বিশেষ করে নতুন পে-স্কেলের গেজেট কবে প্রকাশ হবে, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সরকার কি ইচ্ছাকৃতভাবে গেজেট প্রকাশে বিলম্ব করছে? তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র এবং প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করলে ভিন্ন চিত্রই সামনে আসে।
১৫ ঘণ্টা আগে

দীর্ঘ ১১ বছরের প্রতীক্ষার পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার ঘোষণা দেওয়া হলেও মূল বেতনের কত শতাংশ বৃদ্ধি প্রথম ধাপে কার্যকর হবে, তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত সামনে আসেনি। ফলে দেশের লাখো সরকারি চাকরিজীবীর মধ্যে যেমন আশার সঞ্চার হয়েছে, তেমনি তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল।
১ দিন আগে

দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন দেশের লাখো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১ জুলাই থেকে নবম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকরের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়ার পর সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বাস্তবতায় নতুন এই পে-স্কেলকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তির উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
১ দিন আগে

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে আজ (২৪ জুন) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠক। পে-স্কেল সংক্রান্ত সচিব কমিটির এই সভাকে ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পদ্ধতি, বেতন বৃদ্ধি, বিভিন্ন ভাতা সমন্বয় এবং দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য নিরসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে এ বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে।
১ দিন আগে

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও এলো স্বস্তির বার্তা। স্বর্ণ ও রুপার দাম কমার খবরে নতুন করে আশার আলো দেখছেন ক্রেতারা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণ ও রুপার নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৪৮২ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য মূল্যহ্রাস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
১ দিন আগে

সরকার নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য তুলনামূলক বেশি বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি অগ্রাধিকার পেতে পারে। জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার পরিকল্পনা থাকলেও এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার বেতন কাঠামোতে বড় ধরনের ভারসাম্য আনার দিকে এগোচ্ছে বলে জানা গেছে।
১ দিন আগে

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও স্বস্তির খবর এসেছে ক্রেতাদের জন্য। টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকায়।
১ দিন আগে

মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য সৌদি রিয়াল ও বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার সবসময়ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিশেষ করে যারা সৌদি আরব থেকে নিয়মিত দেশে অর্থ পাঠান, তাদের জন্য প্রতিদিনের মুদ্রাবাজারের হালনাগাদ জানা অপরিহার্য। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১ সৌদি রিয়ালের বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৩২.৭৮ বাংলাদেশি টাকা।
১ দিন আগে