
রিপোর্টার

জাতীয় নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে অন্তর্বর্তী সরকার ও তৎকালীন মার্কিন প্রশাসনের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি বাণিজ্যচুক্তি এখন বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে বড় ধরনের বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
চুক্তির শর্তগুলো দীর্ঘদিন গোপন রাখা হলেও পরে যুক্তরাষ্ট্র তা প্রকাশ করলে দেখা যায়, এতে একাধিক সংবেদনশীল খাতে বাংলাদেশের স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সীমিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকরা বলছেন, এই চুক্তি কার্যত বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রভাববলয়ে নিয়ে গেছে। এতে দেশীয় শিল্প, কৃষি এবং বাজারব্যবস্থা মারাত্মক চাপে পড়তে পারে।
বিশেষ করে শুল্ক কাঠামো বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র বিপুলসংখ্যক পণ্যে বাংলাদেশে শুল্কছাড় পাচ্ছে, অথচ বাংলাদেশি পণ্যের জন্য প্রাপ্ত সুবিধা তুলনামূলকভাবে অনেক কম এবং বাস্তবে তার ব্যবহারও সীমিত।
চুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা অনুযায়ী, বাংলাদেশকে নির্দিষ্ট পরিমাণ মার্কিন কৃষিপণ্য, এলএনজি ও সামরিক সরঞ্জাম কিনতে বাধ্য করা হয়েছে। একই সঙ্গে কিছু দেশের সঙ্গে বাণিজ্য বা প্রতিরক্ষা চুক্তির ক্ষেত্রেও সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে।
এ ছাড়া অশুল্ক বাধা কমানোর নামে মার্কিন খাদ্য ও জৈব প্রযুক্তি পণ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নিজস্ব পরীক্ষা ও মান নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়াও শিথিল করা হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য ও খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে সমান বা অধিক সুবিধা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে, যা স্থানীয় শিল্পখাতের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-এর সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, এই চুক্তি বাংলাদেশের স্বাধীন অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণকে সীমিত করতে পারে। একই প্রতিষ্ঠানের গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম এটিকে ‘চরম বৈষম্যমূলক’ আখ্যা দিয়ে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।
নীতিনির্ধারক মহলে এখন প্রশ্ন উঠেছে এ ধরনের একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি কীভাবে একটি অনির্বাচিত সরকার সম্পন্ন করল এবং এর দায়ভার ভবিষ্যৎ সরকারের ওপর বর্তাবে কীভাবে।

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে নতুন কাঠামোর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। সংসদের উচ্চকক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ও উপদেষ্টা নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা যায় কি না, তা নিয়ে মত দিয়েছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনের অধ্যাপক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা। এ ছাড়া সরকারি দল ও বিরোধী দলের সম্মতিতে নির্বাচিত স্পিকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার প্রস্তাবও এসেছে।
২৪ অক্টোবর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে নিরাপত্তা না পাওয়া এবং ওসির বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে জানতে বৃহস্পতিবার রাতে থানায় যান তিনি। এ সময় ওসির বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তোলা হলে তিনি তা অস্বীকার করেন।
২৩ অক্টোবর ২০২৬

মাদকবিরোধী উদ্যোগ ও ‘ফৌজদারি অপরাধের’ অভিযোগকে কেন্দ্র করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করা ইশরাক দাবি করেছেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার কথা বললেও বাস্তবে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না।
২০ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
১৪ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে উপবৃত্তি ও বিশেষ অনুদানের আবেদন কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন সরকারি বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী নিরব। শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে আবেদন ফর্ম পূরণে সার্বিক সহযোগিতা করছেন তিনি।
১২ অক্টোবর ২০২৬

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় লালন শাহের মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে পিটুনির অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৪ অক্টোবর ২০২৬

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পুরোনো দুর্নীতি মামলা, সম্পদের পরিমাণ এবং এসব সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।
২ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় আলোচনায় আসা বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। পরে সংসদ সচিবালয় তাঁর আসনটি শূন্য ঘোষণা করে। বিষয়টি একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
২ অক্টোবর ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগের পর সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সংসদীয় ৩২৩ মহিলা আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
১ অক্টোবর ২০২৬