
রিপোর্টার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য প্রাথমিক তালিকা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আসনসংখ্যার অনুপাতে দলটি এবার ৬৮টি সাধারণ আসনের বিপরীতে ১১টি সংরক্ষিত নারী আসন পাচ্ছে, যার মধ্যে ইতোমধ্যে ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দলের এক সহকারী সেক্রেটারি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বাকি একজনসহ পূর্ণাঙ্গ ১১ সদস্যের তালিকা আগামী ২০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। এই তালিকায় দলীয় নারী নেত্রীদের পাশাপাশি বাইরের দুইজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
চূড়ান্ত হওয়া ১০ জনের তালিকায় রয়েছেন মহিলা জামায়াতের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম, মানবসম্পদ ও আইন বিভাগের সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাবিকুন নাহার মুন্নি এবং নাজমুন্নিছা নিলু। এ ছাড়া অঞ্চলভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নেত্রীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আঞ্চলিক ভারসাম্যের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম থেকে মেরিনা সুলতানা, সিলেট থেকে মাহফুজা খানম এবং বগুড়া অঞ্চল থেকে সাজেদা সামাদ ও প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজের নাম রয়েছে তালিকায়। দলটির এই পদক্ষেপকে বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে দলীয় কোটায় বাইরের দুইজনকেও মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন জাগপা সভাপতি তাসমিয়া প্রধান এবং এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের অন্তর্ভুক্তি জোটভিত্তিক রাজনীতি ও সমন্বয়ের ইঙ্গিত বহন করে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে দলটির অভ্যন্তরে একাধিক ধাপে আলোচনা, যাচাই-বাছাই এবং পর্যালোচনা প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। নেতৃত্ব, অভিজ্ঞতা, অঞ্চলভিত্তিক ভারসাম্য এবং রাজনৈতিক অবদান বিবেচনায় রেখে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে, যা জাতীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চলতি বছরেই জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলীয় এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের পর সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বর্তমান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
৪ ঘণ্টা আগে

কারাগারে বন্দি থাকলেও বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার নিশ্চিত করতে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষরের সুযোগ চেয়ে তিনি একটি রিট আবেদন দায়ের করেছেন।
২ দিন আগে

শিক্ষামন্ত্রীকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় আরও তীব্র করলেন জুলাই আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল কাদের। তিনি মন্তব্য করেছেন, বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী সর্বোচ্চ হলে ‘নকল ধরা কমিটি’র আহ্বায়ক হওয়ার যোগ্যতা রাখেন, এর বেশি নয়।
৩ দিন আগে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন ঢাকা-৮ আসনের আলোচিত নারী প্রার্থী মেঘনা আলম। একই সঙ্গে তিনি পূর্বের রাজনৈতিক দল গণঅধিকার পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।
৩ দিন আগে

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে সাবেক বিএনপি নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে তিনি নাকি যোগ দিচ্ছেন সদ্য আলোচিত দল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (NCP)–তে। আর এই খবর ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র গুঞ্জন।
১০ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ঐতিহাসিক ও নাটকীয় মোড় আইনগতভাবে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনের সব পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেল। দীর্ঘদিনের বিতর্ক, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং নানা ঘটনাপ্রবাহের পর অবশেষে জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’, যার মাধ্যমে দলটির সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
১০ এপ্রিল ২০২৬

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে উপনির্বাচনে ধানের শীষে ভোটের সুনামি, বিপুল ব্যবধানে জয় পেলেন বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল।
৯ এপ্রিল ২০২৬

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে রেজাউল করিম বাদশা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
৯ এপ্রিল ২০২৬

সংরক্ষিত নারী আসনকে ঘিরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ। আগামীকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক সূচনা হতে যাচ্ছে, আর ভোটগ্রহণ হবে আগামী ১২ মে।
৭ এপ্রিল ২০২৬