
নিজস্ব প্রতিবেদন: হঠাৎ করেই তীব্র শব্দে কেঁপে উঠেছে ইরানের রাজধানী তেহরান ও এর পাশের শহর মাহাল্লাত। এই অপ্রত্যাশিত বিস্ফোরণ-সদৃশ শব্দে সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য। একই সময়ে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ওরমিয়া বিমানবন্দরের কাছাকাছিও ঘটে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা।
এই ঘটনার পর তেহরান ও এর আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষত, ফর্দু, ইস্পাহান এবং নাতানজে অবস্থিত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রগুলো এই অঞ্চলে থাকায় অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—ইরান কি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে?
তবে এসব জল্পনা-কল্পনার মাঝেই ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (IRGC) জানিয়েছে, এটি ছিল পূর্বনির্ধারিত বিমান প্রতিরক্ষা মহড়া। তাদের দাবি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থার পরীক্ষার অংশ হিসেবে এ ধরনের শব্দ ও বিস্ফোরণ স্বাভাবিক।
লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম *ইরান ইন্টারন্যাশনাল* এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত এসব ঘটনার সঙ্গে কোনো বিদেশি হামলার প্রমাণ মেলেনি।
অন্যদিকে, ওরমিয়া বিমানবন্দরের কাছে যে বিস্ফোরণটি ঘটেছে, তা নিয়ে IRGC দাবি করেছে—ইসরায়েল থেকে ছোড়া একটি অস্ত্র ভূপাতিত করার সময় এই বিস্ফোরণ ঘটে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ইসরায়েলি বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ডের প্রধান মেজর জেনারেল হোসেন সালামি, সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরসহ একাধিক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা এবং বেশ কয়েকজন পারমাণবিক বিজ্ঞানী।
পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় একপ্রকার যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়নি। এমন অবস্থায় নতুন এই বিস্ফোরণের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিবেশে নতুন করে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি করেছে।
— প্রতিবেদক: সোহাগ

যুদ্ধবিরতির আলোচনা চললেও থামছে না রক্তপাত। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে বৃহস্পতিবার নতুন করে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে দুই শিশুসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২১ জন। একই সময়ে রাজধানী বৈরুতেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে পুরো দেশে নতুন করে উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
২ দিন আগে

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে বড় ধাক্কা খেল বিশ্ব জ্বালানি বাজার। ইরানে মার্কিন বাহিনীর নতুন হামলার পর আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম।
৪ দিন আগে

দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি অবস্থান ও সংঘাতের পর অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি স্থায়ী শান্তিচুক্তির সম্ভাবনা জোরালো হওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য সমঝোতার খবর সামনে আসতেই আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন নেমে এসেছে। এতে বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তির বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে এবং জ্বালানিনির্ভর দেশগুলো নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছে।
৬ দিন আগে

চীনের শানসি প্রদেশে একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ৮২ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকেই পুরো এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এখনো কয়েকজন শ্রমিক নিখোঁজ থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
২৩ মে ২০২৬

অভিবাসন নীতিতে আরও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দেশটিতে অস্থায়ী ভিসায় অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকরা আর যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে থেকেই গ্রিন কার্ডের আবেদন করতে পারবেন না। স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পেতে হলে তাদের নিজ দেশে ফিরে আবেদন করতে হবে।
২৩ মে ২০২৬

চীনের শানসি প্রদেশে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে কয়লা খনিতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত আট শ্রমিক। এখনও খনির ভেতরে আটকা পড়ে আছেন আরও ৩৮ জন শ্রমিক। নিখোঁজদের উদ্ধারে অব্যাহত রয়েছে উদ্ধার অভিযান।
২৩ মে ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যেই আবারও কঠোর বার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না এবং যুক্তরাষ্ট্র তা হতে দেবে না। একই সঙ্গে খুব শিগগিরই চলমান পরিস্থিতির সমাপ্তি ঘটবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
২৩ মে ২০২৬

অর্থনৈতিক সংকট ও দীর্ঘ অচলাবস্থার পর ইরানের শেয়ারবাজারকে আবারও স্বাভাবিক ধারায় ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। এতদিন জরুরি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার আওতায় পরিচালিত হওয়া বাজার এখন ধাপে ধাপে আরও নিয়ন্ত্রিত ও স্থিতিশীল পরিবেশে নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি বিশ্লেষক মোহাম্মাদ রেজা ফারজানেগান।
১৯ মে ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে চলমান মার্কিন-ইসরাইল যুদ্ধের উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর উদ্বেগ। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)-এর প্রধান ফাতিহ বিরল জানিয়েছেন, বর্তমান বৈশ্বিক তেলের মজুত অত্যন্ত দ্রুত কমে যাচ্ছে এবং এই মজুত দিয়ে আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব।
১৮ মে ২০২৬