
নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তি গড়ে তোলার চলমান প্রক্রিয়া নিয়ে এক আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, প্রতিদিন অসংখ্য বৈঠকে অংশ নিই, নানান আলোচনা করি। তবে সবচেয়ে তৃপ্তি পাই তখনই, যখন আপনাদের মতো সবার সঙ্গে বসে খোলামেলা কথা বলার সুযোগ হয়। কারণ এখানেই রচিত হচ্ছে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।
সোমবার অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, সংস্কার-প্রক্রিয়া শুরুর সময় কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকলেও দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—বিষয়ভিত্তিক বিশ্লেষণের জন্য গঠন করা হবে একাধিক কমিশন। প্রথমে গঠিত হয় ছয়টি, পরে আরও ছয়টি, সব মিলিয়ে ১২টি কমিশন কাজ শুরু করে।
তিনি বলেন, প্রত্যেক কমিশনকে ৯০ দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল। বেশিরভাগ কমিশন সময়মতো কাজ শেষ করেছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সময় লেগেছে, তবে সেটি মোটেই বাধা নয়। তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই ঐক্যমতের খসড়া তৈরি হয়েছে।
এই জাতীয় ঐক্যমতের প্রক্রিয়ার নেতৃত্বে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. আলী রিয়াজ। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, প্রত্যেক বৈঠকে ড. রিয়াজের আশাবাদী ও উৎসাহব্যঞ্জক মনোভাব আমাদের কাজকে প্রাণবন্ত করেছে।
তিনি আরও বলেন, প্রথমে ভাবিনি সবাই এত গভীরভাবে যুক্ত হবেন। কিন্তু আমি অভিভূত। কমিশনের সদস্যরা শুধু নিজেদের মধ্যে নয়, আন্তঃকমিশন পর্যায়েও আলোচনা করে মত গঠন করেছেন। এটাই গণতান্ত্রিক ঐক্যের প্রকৃত রূপ।
এখন এই প্রক্রিয়া এগোচ্ছে ‘ঐক্যমত সনদ’ চূড়ান্ত ও প্রকাশের দিকে। লক্ষ্য—আগামী জুলাইয়ে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা। উপদেষ্টা বলেন, দ্বিতীয় পর্বে যদি আরও কিছু বিষয়ে ঐক্যমত প্রতিষ্ঠা করা যায়, তাহলে সেটি জাতির জন্য হবে একটি গর্বের অর্জন।
বক্তব্যের শেষ অংশে তিনি বলেন, আমরা রাজনীতিকে বিভক্তির পথে ঠেলে দিতে চাই না। আমাদের লক্ষ্য—জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়া। এই ঐতিহাসিক উদ্যোগের অংশ হতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।

শিক্ষাব্যবস্থার চরম অব্যবস্থাপনা, বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং চাকরির নিয়োগে ব্যর্থতার অভিযোগে ভারতের তরুণ শিক্ষার্থীদের লাগাতার ও তীব্র আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। দিন যত গড়াচ্ছে, ভারতের অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতি ততই জটিল ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে পড়ে এখন নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এক কঠিন ও ঐতিহাসিক পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যেভাবে পরিস্থিতি রূপ নিচ্ছে, তাতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের ক্ষমতার পটপরিবর্তন ঘটার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
৩ দিন আগে

গুরুতর শারীরিক অসুস্থতা ও স্বাস্থ্যগত জটিলতার কারণে দেশের রাষ্ট্রপতির পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন।
৩ দিন আগে

২২তম রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের আকস্মিক পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ ২৩তম রাষ্ট্রপতির আসনে কে বসছেন, তা নিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনা। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বর্তমান জাতীয় সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থীরই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান হওয়া একরকম নিশ্চিত। দলটির নীতিনির্ধারক ও সরকারি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে এই দৌড়ে মূলত দলের শীর্ষস্থানীয় তিন নেতা এবং একজন দক্ষ আমলার নাম সবচেয়ে জোরালোভাবে উঠে আসছে।
৩ দিন আগে

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে তৈরি হওয়া দেশজোড়া আলোচিত ভিডিও ও বিতর্ক নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এনেছেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। তিনি দাবি করেছেন, ভাইরাল হওয়া ওই তরুণী নিজেই গাজী নজরুলের আজীবন সেবা করার চরম আবদার করেছিলেন।
৩ দিন আগে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একাধিক ব্যক্তিগত ও অন্তরঙ্গ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
৫ দিন আগে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের আরও একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে ভিডিওটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ভিডিওটি কবে এবং কোথায় ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি।
৫ দিন আগে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি দাবি করেছেন, ভিডিওটি পরিকল্পিতভাবে গোপনে ধারণ করা হয়েছে এবং পরে সেটি ব্যবহার করে তাকে ব্ল্যাকমেইল ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছে।
২১ জুলাই ২০২৬

মৃত্যুদণ্ডের সাজা মাথায় নিয়ে প্রায় দুই বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটাতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ডিসেম্বরের দিকেই তিনি দেশে ফেরার চূড়ান্ত পরিকল্পনা করছেন। তবে লুকিয়ে নয়, বরং দেশে ফিরেই দলের শীর্ষ নেতাদের সাথে নিয়ে তিনি স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
১০ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি মন্তব্যকে ঘিরে বুধবার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। সকালে সিলেটে সফরের শুরুতেই বিমানবন্দরে উপস্থিত কয়েকজন সংসদ সদস্যকে দেখে প্রধানমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এরপর বিকেলেই সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীকে জাতীয় সংসদে উপস্থিত হতে দেখা যায়।
১৭ জুন ২০২৬