
অপেক্ষার পালা শেষে আজ বিকেলে পাকিস্তানে শুরু হচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির। একদিন পর বাংলাদেশ বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আসর শুরু করবে ভারত। তবে টুর্নামেন্টের শুরুতেই ভারতের ড্রেসিংরুমে অশান্তির খবর এসেছে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, ভারতীয় দলের ড্রেসিংরুমে অশান্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে কোচ গৌতম গম্ভীরের সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের এক তারকা ক্রিকেটারের অসন্তোষ দেখা গেছে।
অস্ট্রেলিয়া সফরের পর থেকেই কোচ গম্ভীরের সঙ্গে বেশ কিছু ক্রিকেটারের সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল, এমন গুঞ্জন উঠেছিল ভারতীয় মিডিয়ায়। তবে, কিছু সময় পর এই সমস্যা সমাধান হয়ে যাওয়ার খবরও এসেছিল। ইংল্যান্ড সিরিজে ভারতের দাপুটে জয়ে এই বিতর্ক কিছুটা কমে গিয়েছিল। তবে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগমুহূর্তে আবারও উঠে এসেছে ভারতীয় দলের অন্দরের দ্বন্দ্ব।
এএনআই’র একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের তারকা উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান রিষভ পন্ত কোচ গম্ভীরকে তার সুযোগ না দেওয়ার জন্য দায়ী করেছেন। ইংল্যান্ড সিরিজের পর গম্ভীর স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য কেএল রাহুলই ভারতের প্রথম পছন্দের উইকেটরক্ষক। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “রাহুল আমাদের এক নম্বর উইকেটরক্ষক। এখন এটাই বলতে পারি আমি। পন্তও সুযোগ পাবে, তবে রাহুল ভালো খেলছে। দুজন উইকেটকিপার একসঙ্গে খেলানো যাবে না।” এর মাধ্যমে গম্ভীর নিশ্চিত করে জানান, পন্তকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শুরুর দিকে অন্তত বেঞ্চে বসেই থাকতে হবে।
এই সিদ্ধান্তে একেবারেই সন্তুষ্ট নন পন্ত। তিনি অভিযোগ করছেন, তাকে কোনো সুযোগ না দিয়ে সাইডলাইনে রাখা হচ্ছে, এবং এর ফলে তিনি হতাশ। গাড়ি দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে কয়েক মাস মাঠের বাইরে থাকার পর তিনি সবে মাত্র একটিমাত্র ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। পন্ত নাকি টিম ম্যানেজমেন্টকে জানিয়েছেন, যদি রান করতে না পারতেন, তবে তাকে বাইরে রাখার বিষয়টি মেনে নিতেন, কিন্তু দিন দিন সুযোগ না পাওয়ার কারণে তার ক্ষোভ বেড়েছে।
এদিকে, কোচ গম্ভীর বা পন্ত, কিংবা টিম ম্যানেজমেন্ট কেউই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। তাই এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। তবে, যদি এই খবর সত্যি হয়, তাহলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে ভারতের জন্য এটা এক বড় অশনিসংকেত হতে পারে। দলের মধ্যে এই ধরনের অশান্তি যদি অব্যাহত থাকে, তবে তার প্রভাব দলীয় পারফরম্যান্সে পড়তে পারে, যা ভারতের জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।
এখন দেখার বিষয়, এই পরিস্থিতি ভারতের দলের মানসিকতা ও পারফরম্যান্সে কিভাবে প্রভাব ফেলবে এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তারা কীভাবে নিজেদের সামলে খেলবে।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬