
টেস্ট ও টি-২০ থেকে সাকিবের অবসরের পর মূলত আলোচনা কেবল শুরু। কানপুরে ২য় টেস্টেরে একদিন আগে সাকিব জানিয়েছিলেন যে, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল গোছানোর জন্য তার সরে দাঁড়ানো উচিত বলে মনে করেন। বাংলাদেশও হাঁটছে সেই একই পথে, তবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কি হবে?
আজ শুক্রবার (০৪ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে আসেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, তিনি বলেন যে গোয়ালিয়রে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টির আগে মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে পরিকল্পনার প্রশ্নে, ভারত সিরিজেই তার শেষের ইঙ্গিত দিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
‘রিয়াদ ভাইর ব্যাপারটা অবশ্যই আমি যতটুকু বুঝতে পারি এই সিরিজ তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং হয়তো উনি নির্বাচকের সঙ্গে কথাও বলবেন। সুতরাং এ বিষয়ে আমি খুব একটা পরিষ্কার না। কিন্তু আমার মনে হয় যে, অবশ্যই নির্বাচক ও বোর্ডের সঙ্গে একটা আলোচনা তো হবেই।’
চলতি ২০২৪ সালে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১৭টি টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন। ১৭টির মধ্যে দুই ম্যাচে ফিফটি করেছেন। তবে ৯ ম্যাচের কোনোটিতে ২৫ রানের উপর উঠতে পারেননি রিয়াদ। সবশেষ ম্যাচে বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আউট হয়েছেন ৯ বলে ৬ রান করে। তাতে ডট বল ছিল ৬টি!
কানপুরে টেস্টের আগে সাকিবের অবসর ঘোষণার পর ৩৮ বছর বয়সী মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ কবে অবসর নেবে এই নিয়ে আলোচনা ওঠে প্রচুর। যার প্রভাব দেখা গেল ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর দুই দিন আগে। যেখানে বেশ কয়েকবার মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় শান্তকে।
নাজমুল হোসেন শান্ত বল ঠেলে দিয়েছেন নির্বাচক-বোর্ডের কোর্টে। তার সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলেও জানান, ‘এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে আমরা কোনো আলোচনায় যাইনি (শেষ সিরিজ কী না)। কিন্তু হয়তো সামনের দিকে হবে কী না...। এখন এই আলোচনায় যেতেও চাই না, কারণ সিরিজ শুরু হচ্ছে।’
বলা বাহুল্য যে, ক্রিকেটের ছোট ফরম্যাটে বাংলাদেশকে অনেক কয়েকটা ম্যাচের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। রিয়াদের অধীনে ২০২২ বিশ্বকাপ খেলে বাংলাদেশ। খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে অধিনায়কত্ব হারিয়েছেন তিনি, এর জন্য বাদ পড়েছেন জাতীয় দল থেকে। কঠোর অনুশীলন ও অধ্যবসায়ে দলে ফিরলেও এখন পারফরম্যান্সের গ্রাফ সবার তলানিতে।
ইদানিং থেকে অনুশীলনেও খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্যে দেখা যাচ্ছে না বাংলাদেশের এই সাইলেন্ট কিলার মাহমুদউল্লাহকে। সতীর্থদের বলে কয়েকবার বোল্ড হয়েছেন তিনি, ঠিকঠাক শটও যেন হচ্ছিল না। এ ছাড়া দেশে অনুশীলন ম্যাচেও ভালো করতে পারেননি তিনি।
একই জায়গায় শামীম পাটোয়ারিকে না নিয়ে মাহমুদউল্লাহকে নেওয়ার প্রশ্নে শান্ত পাল্টা জিজ্ঞাসা করেন, কার সঙ্গে কার তুলনা করছেন? সাংবাদিকের এ প্রশ্নে মেজাজ হারিয়ে ফেলন।
‘কার সঙ্গে কার তুলনা করছেন (শামীম না রিয়াদ)। জিনিসটা হচ্ছে, রিয়াদ ভাই এত বছর ধরে বাংলাদেশ দলকে সার্ভিস দিয়েছেন, ভালো করছেন। অনেক ম্যাচ জিতিয়েছেন, হ্যাঁ অনেক ম্যাচ হয়তো শেষ করে আসতে পারেননি। কিন্তু অনেক ম্যাচ জয়ের পেছনে উনার অনেক অবদান আছে।’
‘শামীম তরুণ এবং খুবই ভালো করছেন, খুবই ভালো ব্যাটিং করছেন। কিন্তু আমি এ জায়গায় তুলনায় এখনই যেতে চাই না, শামীম দারুণ ব্যাটিং করছে। যখনই সুযোগ পাবে বাংলাদেশ দলে খুব ভালো সার্ভিস দেবে। এ মুহূর্তে যদি বলেন যে রিয়াদ ভাই অনুশীলন ম্যাচে ভালো করেনি, এটা আমার কাছে ম্যাটার করে না’ -আরও যোগ করেন শান্ত।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬