
অ্যান্টিগার স্যার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে ২০১ রানের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা এবং ধারাবাহিক ব্যর্থতার কারণে বড় হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো টাইগারদের।
৪৩৪ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়ায় চতুর্থ দিনেই ১০৯ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। শেষ দিনের শুরুতে টাইগার সমর্থকদের আশার আলো হয়ে ছিলেন জাকের আলি, যিনি প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করছিলেন।
কিন্তু দিনের শুরুতেই বাংলাদেশ হোঁচট খায়। আলজারি জোসেফের বলে ১২ বল খেলে শূন্য রানে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন হাসান মাহমুদ। এর কিছুক্ষণ পরই সেই জোসেফের বলেই এলবিডব্লিউ হয়ে বিদায় নেন ৩১ রান করা জাকের আলি। যদিও তিনি রিভিউ নিয়েছিলেন, কিন্তু তৃতীয় আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত তার পক্ষে আসেনি।
শেষ ব্যাটার শরিফুল ইসলাম চোটের কারণে নামতে পারেননি। ফলে ১১২ রানে থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
প্রথম ইনিংসেও ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। ৪৫০ রানের জবাবে ২৬৯ রানেই অলআউট হয় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে মেহেদি হাসান মিরাজ এবং তাসকিন আহমেদের বোলিং নৈপুণ্যে স্বাগতিকদের ১৫২ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পরও ব্যাটিং লাইন-আপ কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি।
পঞ্চম দিনের শুরুতে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের সম্ভাবনার শেষ করে দেন আলজারি জোসেফ। তার নিয়ন্ত্রিত এবং আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে টাইগাররা কোনঠাসা হয়ে পড়ে।
ম্যাচের সংক্ষিপ্ত ফলাফল
ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস: ৪৫০ রান
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ২৬৯ রান
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় ইনিংস: ১৫২ রান
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস: ১১২ রান
এই হারের ফলে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ঘুরে দাঁড়াতে হলে ব্যাটিং লাইন-আপে বড় পরিবর্তন আনতে হবে। বিশেষ করে ব্যাটারদের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলার প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হচ্ছে।
টাইগাররা কি ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজে সমতা আনতে পারবে? নাকি একই দুর্বলতায় ভুগে সিরিজ হেরে ফিরবে? এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর-
ওয়েস্ট ইন্ডিজ (প্রথম ইনিংস)- ৪৫০/৯ (১৪৪.১ ওভার) (লুইস ৯৭, আথানেজ ৯০, হজ ২৫, সিলভা ১৪, গ্রেভস ১১৫*, রোচ ৪৭, সিলস ১৮, শামার ১১*; হাসান ৩/৮৭, তাসকিন ২/৭৬)
বাংলাদেশ (প্রথম ইনিংস)- ২৬৯/৯ (৯৮ ওভার) (জাকির ১৫, জয় ৫, দিপু ১৮, মুমিনুল ৫০, লিটন ৪০, মিরাজ ২৩, জাকের ৫৩; আলজারি ৩/৬৯, সিলস ২/৪২)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ (দ্বিতীয় ইনিংস)- ১৫২/১০ (৪৬.১ ওভার) (লুইস ৮, ব্রাথওয়েট ২৩, কাভেম ১৫, অ্যাথানাজ ৪২, ডি সিলভা ২২, আলজারি ১৭; তাসকিন ৬/৬৪)
বাংলাদেশ (দ্বিতীয় ইনিংস)- ১৩২/১০ (৩৮ ওভার) (জাকির ০, জয় ৬, মুমিনুল ১১, দিপু ৪, লিটন ২২, মিরাজ ৪৫, জাকের ৩১)

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে দারুণ অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবুয়ের টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্তের পর ব্যাট করতে নেমে ৩১.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান সংগ্রহ করেছে অস্ট্রেলিয়া।
৪ দিন আগে

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই ব্যাট হাতে দাপট দেখাচ্ছে ভারত। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তুলছে ভারত।
৪ দিন আগে

খেলাপ্রেমীদের জন্য আজকের দিনটি বেশ ব্যস্ততায় কাটবে। ক্রিকেট, টেনিস ও ফুটবল—তিন জনপ্রিয় খেলাতেই রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এর মধ্যে নারী এশিয়া কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেট ও ইউএস ওপেনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও সরাসরি দেখা যাবে টেলিভিশনে।
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের দেওয়া ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ভারতের ইনিংস শেষে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে ভারত। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংসের ২ দশমিক ১ ওভার শেষে ১৪ রান এসেছে, কোনো উইকেট হারায়নি নিগার সুলতানার দল।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৪ সালের নারী এশিয়া কাপে ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। এবার সেই হারের স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন লড়াইয়ের অপেক্ষায় নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ডাম্বুলার পর এবার দুবাইয়ের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে প্রতিশোধের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে টাইগ্রেসরা।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সামনে ব্যস্ত সূচি। আগামী অক্টোবর মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের অংশগ্রহণে বসতে যাচ্ছে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ। ১৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ২৩ অক্টোবর ফাইনালের মধ্য দিয়ে।
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে এবারও পদকের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। তবে পদকের মঞ্চে পৌঁছাতে হলে শুরুতেই কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে দুই দলকে। পুরুষ ও নারী—উভয় দলই সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে নিজেদের অভিযান শুরু করবে। ফলে প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিতে পারলে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হবে। আর সেই ধাপ পেরোতে পারলেই ব্রোঞ্জ নয়, সোনার পদকের লড়াইয়ে নামার সুযোগ তৈরি হবে বাংলাদেশের।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ক্রিকেটাররা যখন বের হচ্ছিলেন, তখন তাদের চোখেমুখে ছিল স্পষ্ট হতাশার ছাপ। আনন্দের কোনো কারণও ছিল না। নারী এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন দলকে।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাটিংয়ে প্রত্যাশামতো রান তুলতে না পারলেও বোলারদের দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ১১৪ রানের পুঁজি নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলেছিল মারুফা আক্তার ও সুলতানা খাতুনদের বোলিং নৈপুণ্য। তবে শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচ নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। ৪ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬