
সিনিয়ার রিপোর্টার

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকার নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে দুই ধাপের পরিকল্পনা বিবেচনা করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এর আগে তিন ধাপে পে-স্কেল কার্যকর করার আলোচনা থাকলেও সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলোর জোরালো দাবির মুখে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার ইঙ্গিত মিলেছে।
তবে সরকারি কর্মচারী নেতারা মনে করছেন, মূল বেতন বা বেসিক ধাপে ধাপে ভাগ করে কার্যকর করা হলে প্রশাসনিক ও কারিগরি জটিলতা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে বর্তমানে সরকারি বেতন ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি ডিজিটাল হওয়ায় এই প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নতুন পে-স্কেলে যদি বেসিক বেতন শতাংশের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে কার্যকর করা হয়, তাহলে দেশের সব সরকারি দপ্তরে ব্যবহৃত সফটওয়্যার ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে। এতে শুধু প্রশাসনিক ব্যয়ই বাড়বে না, একই সঙ্গে সময়ক্ষেপণ এবং নানা ধরনের প্রযুক্তিগত জটিলতারও সৃষ্টি হতে পারে।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি, মূল বেতন একবারেই কার্যকর করা হলে এসব সমস্যা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব হবে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক আব্দুল মালেক জানিয়েছেন, ২০১৫ সালের পে-ফিক্সেশন বা বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া ছিল অনেকটাই হাতে পরিচালিত। সে সময় সার্ভিস বুক ও অন্যান্য নথিতে ম্যানুয়ালি বেতন নির্ধারণ করা হতো, ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী সহজেই পরিবর্তন বা সমন্বয় করা যেত।
কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখন সরকারি কর্মচারীদের বেতন ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার এবং আইবাস প্লাস প্লাস সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হয়। ফলে বেতন কাঠামোতে সামান্য পরিবর্তন আনতেও পুরো সফটওয়্যার ব্যবস্থায় পরিবর্তন প্রয়োজন হয়।
তার মতে, যদি প্রথম ধাপে ৫০ বা ৬০ শতাংশ বেসিক কার্যকর করা হয়, তাহলে সেই অনুযায়ী আইবাস সফটওয়্যারে নতুন কোড ও সেটআপ তৈরি করতে হবে। পরে অবশিষ্ট অংশ কার্যকর করতে আবারও পুরো সিস্টেমে পরিবর্তন আনতে হবে।
এটি শুধু একটি মন্ত্রণালয় বা দপ্তরের বিষয় নয়; দেশের সব সরকারি প্রতিষ্ঠানেই একযোগে এই পরিবর্তন আনতে হবে। ফলে পুরো প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ধাপে ধাপে বেতন কার্যকর করা হলে একই কর্মচারীর জন্য দুইবার পে-ফিক্সেশন করতে হবে। এতে প্রশাসনিক কাজের চাপ যেমন বাড়বে, তেমনি অপ্রয়োজনীয় জটিলতা ও সময়ের অপচয়ও হবে।
সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে পারেন অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে থাকা বা চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার অপেক্ষায় থাকা সরকারি কর্মচারীরা। কারণ, চাকরি শেষে তাদের সব পাওনা এককালীন পরিশোধ করতে হয়।
কিন্তু নতুন বেতন কাঠামো যদি ধাপে ধাপে কার্যকর করা হয়, তাহলে তাদের প্রাপ্য অর্থ নির্ধারণ ও পরিশোধে জটিলতা দেখা দিতে পারে। ডিজিটাল বেতন ব্যবস্থায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের পাওনা ভাগ করে পরিশোধের সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তার মতে, এতে বৈষম্য তৈরি হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনিক সমস্যাও বাড়তে পারে।
তবে এ পরিস্থিতিতে একটি বিকল্প প্রস্তাবও দিয়েছেন সরকারি কর্মচারী নেতারা। তাদের মতে, সরকার চাইলে দুই ধাপেই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে পারে, তবে প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন কার্যকর করে পে-ফিক্সেশন সম্পন্ন করা উচিত।
এরপর দ্বিতীয় ধাপে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষা সহায়তাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা কার্যকর করা যেতে পারে।
তাদের দাবি, এভাবে বাস্তবায়ন করা হলে সফটওয়্যার পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে না, বেসিক বেতনও ভাগ করতে হবে না এবং অবসর নেওয়া কর্মচারীরাও কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই তাদের প্রাপ্য অর্থ এককালীন বুঝে পাবেন।
এদিকে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এখন সবার নজর সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে। কারণ, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর নতুন বেতন কাঠামো কবে এবং কীভাবে কার্যকর হবে, সেটিই এখন লাখো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয়।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতি, আঞ্চলিক বাণিজ্য এবং বাংলাদেশ-ভারত-চীন সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সফর দুটিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিশ্লেষণে ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্ভাবনার নানা দিক তুলে ধরা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে দেশের লাখো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর। বহুল আলোচিত ও প্রত্যাশিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন বা গেজেট আগামী জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়েই প্রকাশ করা হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। এখন শুধু প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা। অনুমোদন মিললেই আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
১ ঘণ্টা আগে

দেশের স্বর্ণের বাজারে আবারও মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। টানা দুই দফা দাম কমার পর নতুন করে বাড়ানো হয়েছে মূল্যবান এই ধাতুর দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা।
২ ঘণ্টা আগে

দেশের কোটি ভোক্তার জন্য বড় স্বস্তির খবর নিয়ে এলো বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। চলতি জুলাই মাসের জন্য বেসরকারি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির নতুন মূল্য ঘোষণা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ৩৫৭ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে

দেশের স্বর্ণের বাজারে আবারও এলো স্বস্তির খবর। টানা ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৩২৪ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ফলে স্বর্ণ ক্রেতাদের মধ্যে নতুন করে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
২ ঘণ্টা আগে

দেশের লাখো এলপিজি ব্যবহারকারীর জন্য এলো বড় স্বস্তির খবর। নিত্যপ্রয়োজনীয় জ্বালানি খাতে ব্যয় কমাতে বড় ধরনের মূল্যহ্রাসের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক ধাক্কায় ৩৫৭ টাকা কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে কমেছে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও।
৩ ঘণ্টা আগে

লাখো সরকারি চাকরিজীবী, পেনশনভোগী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বহু প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল এখন চূড়ান্ত বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে। নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট প্রকাশের সময়সীমা এবং বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে

জুলাই মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এবং অটোগ্যাসের নতুন মূল্য আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঘোষণা করবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বিকেল ৩টায় ভোক্তা পর্যায়ের জন্য এক মাসের কার্যকর নতুন মূল্য প্রকাশ করা হবে।
১০ ঘণ্টা আগে

দেশের চারটি দুর্বল আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে আপাতত বন্ধ না করে শর্তসাপেক্ষে আরও তিন মাস সময় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সময়ের মধ্যে নির্ধারিত শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
১০ ঘণ্টা আগে