
সিনিয়ার রিপোর্টার

বাংলাদেশ ক্রিকেটে প্রশাসনিক পর্যায়ে বড় পরিবর্তন এসেছে। জাতীয় দলের নতুন প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। তিনি দায়িত্ব নিচ্ছেন সাবেক প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর জায়গায়, যার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকেই নতুন নিয়োগ নিয়ে আলোচনা চলছিল।
এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দল নির্বাচনের কাঠামোয় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আনতে চাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
অভিজ্ঞতার ভান্ডার নিয়ে দায়িত্বে বাশার
বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সফল ব্যাটার হিসেবে পরিচিত হাবিবুল বাশার। তিনি দেশের ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ অনেক মাইলফলকের অংশীদার।
তিনি ছিলেন—
বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার, যিনি টেস্ট ক্রিকেটে ৩ হাজার রান পূর্ণ করেন
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক
আগে জাতীয় দলের নির্বাচক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন
এছাড়া তিনি সাবেক প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর নেতৃত্বাধীন নির্বাচক প্যানেলের সদস্য ছিলেন এবং মেয়েদের ক্রিকেট দলের নির্বাচক হিসেবেও কাজ করেছেন।
নতুন নির্বাচক প্যানেলে কারা আছেন
নতুন চার সদস্যের নির্বাচক কমিটিতে প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন আরও তিনজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। তারা হলেন—
হাসিবুল হোসেন শান্ত
নাইম ইসলাম
নাদিফ চৌধুরী
সদস্যদের সংক্ষিপ্ত পরিচয়
নাইম ইসলাম
প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ ক্রিকেট ক্যারিয়ারে সব ফরম্যাট মিলিয়ে ২০ হাজারের বেশি রান করেছেন তিনি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার রয়েছে ৩৪টি সেঞ্চুরি, যা বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ। জাতীয় দলের হয়ে তিনি খেলেছেন ৮টি টেস্ট, ৫৯টি ওয়ানডে ও ১০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।
নাদিফ চৌধুরী
ঘরোয়া ক্রিকেটে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি দলে অভিষেকও হয়েছিল। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে তিনি ট্যালেন্ট ডেভেলপমেন্ট ও বয়সভিত্তিক দল নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
হাসিবুল হোসেন শান্ত
বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক পেসার। সাম্প্রতিক সময়েও তিনি নির্বাচক প্যানেলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ক্রিকেট প্রশাসনে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
দায়িত্বের মেয়াদ
নতুন এই নির্বাচক প্যানেলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত। আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০২৭ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে।
কী বোঝায় এই পরিবর্তন
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই প্যানেল গঠনের মাধ্যমে ভবিষ্যতের দল গঠনে নতুন কৌশল গ্রহণ করতে চাইছে বিসিবি। অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি নতুন চিন্তা ও পরিকল্পনার সমন্বয় ঘটিয়ে দল নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যই এখানে স্পষ্ট।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
৪ দিন আগে

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬