
সিনিয়র রিপোর্টার

রাকিব: বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গনে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার Shakib Al Hasan। দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থাকার পর অবশেষে দেশে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আয়োজিত এক ইফতার অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সাকিব জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে খুব শিগগিরই তাকে বাংলাদেশে দেখা যেতে পারে। তার এই মন্তব্যে নতুন করে আশায় বুক বেঁধেছেন কোটি ভক্ত।
দেড় বছর পর দেশে ফেরার ইঙ্গিত
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ওই ইফতার অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সাকিব। সেখানে তাকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়—তিনি কি আবার বাংলাদেশে ফিরবেন? জবাবে আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে সাকিব বলেন, “বাংলাদেশে যাব, ইনশাআল্লাহ দ্রুত। ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশে দেখতে পাবেন।”
তার সংক্ষিপ্ত এই বক্তব্যই মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে। দীর্ঘ সময় পর দেশের মাটিতে তার ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।
কানপুর টেস্টের পর থেকেই অনিশ্চয়তা
২০২৪ সালে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের পর থেকেই সাকিবের ক্যারিয়ার ও দেশে ফেরা নিয়ে নানা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। বিশেষ করে India vs Bangladesh Test Series 2024-এর কানপুর টেস্টের পর আর জাতীয় দলের জার্সিতে তাকে দেখা যায়নি।
এরই মধ্যে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করতে থাকেন। সাবেক সরকারের সংসদ সদস্য হওয়ায় তার বিরুদ্ধে দেশে হত্যাসহ একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। এসব আইনি জটিলতাই তার দেশে ফেরার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
বিসিবির উদ্যোগে নতুন আলোচনার সূত্রপাত
সম্প্রতি সাকিবকে আবার জাতীয় দলে ফেরানোর বিষয়ে সক্রিয় হয়েছে Bangladesh Cricket Board। বোর্ডের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
সবুজ সংকেত পাওয়ার পর সাকিবের আইনজীবীরা সংশ্লিষ্ট মামলার প্রয়োজনীয় নথিপত্র Ministry of Youth and Sports-এ জমা দিয়েছেন। নতুন সরকারও দেশের অন্যতম সেরা এই ক্রিকেটারকে আবার মাঠে দেখতে আগ্রহী বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তবে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তাকে অভিযোগ থেকে মুক্ত হতে হবে—এমন শর্তেই পুরো বিষয়টি এগোচ্ছে বলে জানা গেছে।
লাল-সবুজ জার্সিতে ফেরার অপেক্ষা
ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে সাকিব কেবল একজন খেলোয়াড় নন, বরং বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম বড় তারকা। তাই তার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের খবরে ভক্তদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
অনেকের ধারণা, আইনি জটিলতা কাটিয়ে উঠতে পারলে আসন্ন কোনো আন্তর্জাতিক সিরিজেই হয়তো আবারও জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা যেতে পারে তাকে। সেই অপেক্ষাতেই এখন প্রহর গুনছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকরা।

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬