
সিনিয়র রিপোর্টার

রাকিব: ২০২৬ সালের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত চূড়ান্ত জয়লাভ করেছে। আহমেদাবাদের Narendra Modi Stadium-এ অনুষ্ঠিত ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানের ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা ও বড় অঙ্কের অর্থ পুরস্কার ঘরে তুলেছে ভারতীয় দল।
ফাইনালের দৃশ্যপট
ফাইনাল ম্যাচে ভারতীয় ক্রিকেটাররা ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নিউজিল্যান্ডের প্রতিরোধ ভেঙে ভারত নিশ্চিত করেছে জয়ের আনন্দ। এই জয়ের মাধ্যমে শিরোপার পাশাপাশি ভারতের হাতে এসেছে বিশাল অর্থ পুরস্কার।
পুরস্কারের হিসাব
আয়োজক সংস্থা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) জানিয়েছে, ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মোট পুরস্কার অর্থ ছিল প্রায় ১১.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩৪ কোটি টাকার সমান। চ্যাম্পিয়ন ভারতের দল পেয়েছে ২.৩৪ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। রানার্সআপ নিউজিল্যান্ড পেয়েছে ১.১৭ মিলিয়ন ডলার, যা প্রায় ১৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকার সমান।
বাকি দলের পুরস্কার
সেমিফাইনাল পর্যায়ে উঠলেও ফাইনালে না পৌঁছানো দুই দল পেয়েছে ৬৭৫ হাজার ডলার করে। পঞ্চম থেকে অষ্টম স্থানে থাকা দলগুলো পেয়েছে ২৭০ হাজার ডলার, নবম থেকে দ্বাদশ স্থানে থাকা দলগুলো পেয়েছে ১৩৫ হাজার ডলার করে। ১৩তম থেকে ২০তম স্থানে থাকা দলগুলোও খালি হাতে ফেরেনি; প্রত্যেকে পেয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ডলার। পাশাপাশি প্রতিটি ম্যাচ জয়ের জন্য অতিরিক্ত ৩১ হাজার ১৫৪ ডলার দেওয়া হয়েছে।
টুর্নামেন্টের গুরুত্ব
২০২৬ সালের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এই বিশাল পুরস্কার অর্থ ক্রিকেট বিশ্বে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাছাড়া খেলার মান, উত্তেজনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা বৃদ্ধি পায়, যা দর্শক ও ক্রিকেট ভক্তদের জন্য টুর্নামেন্টটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৮ ঘণ্টা আগে

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
৩ দিন আগে

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬

সিলেটে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টে দারুণ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে প্রথম দিনেই। টস জিতে পাকিস্তানের ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত শুরু থেকেই চাপে ফেলে বাংলাদেশকে। তবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে টাইগার ব্যাটাররা।
১৬ মে ২০২৬

অবশেষে পাকিস্তান বধের স্বপ্ন পূরণ করল বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত এক লড়াই শেষে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে টেস্ট ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করলো টাইগাররা। ঘরের মাঠে এই প্রথম পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট জয় পেল বাংলাদেশ।
১২ মে ২০২৬

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জাতীয় দলের অংশ না নেওয়া। সেই সিদ্ধান্ত ঘিরে দেশজুড়ে সমালোচনা, বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন ওঠার পর এবার আনুষ্ঠানিক তদন্তে নেমেছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
১১ মে ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টেস্টে দ্বিতীয় দিনে ব্যাট-বলের লড়াই জমে উঠেছে। প্রথম ইনিংসে শক্ত ভিত গড়ে ৪১৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়ে ম্যাচে দারুণ অবস্থান তৈরি করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। বড় স্কোরের চাপ নিয়ে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান।
৯ মে ২০২৬