
সিনিয়র রিপোর্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক: নতুন দায়িত্ব গ্রহণের দিনেই দেশের অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার ও টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর থেকে লিখিত আকারে তার ১১ দফা পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়। এতে ম্যাক্রো অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধি অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
গভর্নর বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার একটি নাজুক অর্থনীতি থেকে দেশের অর্থনীতিকে নিম্ন সীমার স্থিতিশীলতায় (লো লেভেল ইকুলিব্রিয়াম) নিয়ে এসেছে। এখন আমাদের দায়িত্ব হলো ম্যাক্রো অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ধরে রেখে একটি ইনভেস্টমেন্ট-ড্রিভেন গ্রোথ নিশ্চিত করা, যাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।”
অর্থনীতিকে গতি দিতে ১১ দফা কর্মপরিকল্পনা
নতুন গভর্নরের ঘোষিত পরিকল্পনাগুলো হলো—
ম্যাক্রো অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা
শুধু জিডিপি নয়, ইনক্লুসিভ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা
বন্ধ কল-কারখানা ও বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করা
উচ্চ সুদের হার পুনর্বিবেচনা করা
মূল্যস্ফীতি (প্রাইস স্ট্যাবিলিটি) নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া
ব্যাংকিং খাতে সুশাসন (গুড গভর্ন্যান্স) নিশ্চিত করা
অবজেকটিভ-ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া জোরদার করা
রুল-বেইজড ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা বজায় রাখা
কাজের গতি বাড়াতে ‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’ বৃদ্ধি করা
সরকারের অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় বজায় রাখা
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভাবমূর্তি ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষা করা
লক্ষ্য: স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান
গভর্নরের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে—বর্তমান অগ্রাধিকার কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নয়, বরং এমন প্রবৃদ্ধি যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং সাধারণ মানুষের উপকারে আসবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ সুদের হার, মূল্যস্ফীতি ও ব্যাংকিং খাতের সুশাসন—এই তিনটি ইস্যুতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারলে অর্থনীতিতে আস্থা ফিরবে এবং বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত হবে।
অর্থনীতির নতুন অধ্যায়ের সূচনা?
মোস্তাকুর রহমানের ঘোষিত রোডম্যাপ দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ভিত্তি গড়ে তোলার ইঙ্গিত দেয়। এখন দেখার বিষয়—ঘোষিত এই ১১ দফা পরিকল্পনার বাস্তবায়ন কতটা দ্রুত ও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল আলোচিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোর আর্থিক, কারিগরি ও আইনি বিষয়গুলো চূড়ান্ত করতে বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে পুনর্গঠিত সচিব কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠককে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
৯ ঘণ্টা আগে

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে নানা আলোচনা, প্রত্যাশা ও জল্পনা-কল্পনা। বিশেষ করে নতুন পে-স্কেলের গেজেট কবে প্রকাশ হবে, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সরকার কি ইচ্ছাকৃতভাবে গেজেট প্রকাশে বিলম্ব করছে? তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র এবং প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করলে ভিন্ন চিত্রই সামনে আসে।
৯ ঘণ্টা আগে

দীর্ঘ ১১ বছরের প্রতীক্ষার পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার ঘোষণা দেওয়া হলেও মূল বেতনের কত শতাংশ বৃদ্ধি প্রথম ধাপে কার্যকর হবে, তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত সামনে আসেনি। ফলে দেশের লাখো সরকারি চাকরিজীবীর মধ্যে যেমন আশার সঞ্চার হয়েছে, তেমনি তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল।
১৯ ঘণ্টা আগে

দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন দেশের লাখো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১ জুলাই থেকে নবম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকরের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়ার পর সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বাস্তবতায় নতুন এই পে-স্কেলকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তির উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
২০ ঘণ্টা আগে

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে আজ (২৪ জুন) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠক। পে-স্কেল সংক্রান্ত সচিব কমিটির এই সভাকে ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পদ্ধতি, বেতন বৃদ্ধি, বিভিন্ন ভাতা সমন্বয় এবং দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য নিরসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে এ বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে।
২০ ঘণ্টা আগে

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও এলো স্বস্তির বার্তা। স্বর্ণ ও রুপার দাম কমার খবরে নতুন করে আশার আলো দেখছেন ক্রেতারা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণ ও রুপার নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৪৮২ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য মূল্যহ্রাস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
২০ ঘণ্টা আগে

সরকার নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য তুলনামূলক বেশি বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি অগ্রাধিকার পেতে পারে। জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার পরিকল্পনা থাকলেও এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার বেতন কাঠামোতে বড় ধরনের ভারসাম্য আনার দিকে এগোচ্ছে বলে জানা গেছে।
১ দিন আগে

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও স্বস্তির খবর এসেছে ক্রেতাদের জন্য। টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকায়।
১ দিন আগে

মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য সৌদি রিয়াল ও বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার সবসময়ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিশেষ করে যারা সৌদি আরব থেকে নিয়মিত দেশে অর্থ পাঠান, তাদের জন্য প্রতিদিনের মুদ্রাবাজারের হালনাগাদ জানা অপরিহার্য। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১ সৌদি রিয়ালের বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৩২.৭৮ বাংলাদেশি টাকা।
১ দিন আগে