
নিজস্ব প্রতিবেদক: যাত্রাবাড়ী থানার দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলককে বুধবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে তিনি আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় আদালতে উপস্থিত অনেকেই তার আবেগাপ্লুত অবস্থায় চোখ রাখেন।
পলকের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জানান, আদালতে উপস্থিত হয়ে পলক জানতে পারেন যে তার নিজ জেলা নাটোরে আন্দোলনের পর দমন-পীড়নের সময় কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এই খবর শুনেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং কান্নায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, হাজতখানা থেকে আদালত কক্ষে আনার সময়ও তাকে কাঁদতে দেখা যায়।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের হওয়া দুটি মামলায় পলককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই সময়ে সারাদেশে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে ব্যাপক পুলিশি গুলিবর্ষণের মাধ্যমে আন্দোলন দমন করা হয়, যাতে প্রাণ হারান বহু ছাত্র ও সাধারণ মানুষ।
প্রথমদিকে মন্ত্রী থাকাকালে পলক ইন্টারনেট বন্ধের জন্য ‘প্রযুক্তিগত ত্রুটি’ ও ‘জনতার হামলা’কে দায়ী করেন। তবে পরে আদালতে দেওয়া এক সাক্ষ্যে তিনি জানান, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্তটি সরাসরি এসেছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে। তার ভাষ্য মতে, এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য ছিল— সহিংসতা, গুলি ও হতাহতের ছবি আন্তর্জাতিকভাবে ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো।
২০২৫ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ১৫ আগস্ট পলককে ঢাকার বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর একাধিক হত্যা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
৯ জুলাই সকালবেলায় বৃষ্টিভেজা পরিবেশে তাকে আওয়ামী লীগের আরও কয়েকজন সাবেক মন্ত্রী ও এমপির সঙ্গে আদালতে আনা হয়। সকালে প্রথমে তাদের রাখা হয় হাজতখানায়, পরে সকাল সাড়ে দশটার দিকে কাঠগড়ায় তোলা হলে পলক কান্নায় ভেঙে পড়েন।
এই প্রতিবেদনটি আদালতে দেওয়া সাক্ষ্য, আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত। মামলাগুলো এখনও বিচারাধীন, এবং আদালতের চূড়ান্ত রায় প্রকাশিত হয়নি।
সোহাগ/

কারাগারে বন্দি থাকলেও বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার নিশ্চিত করতে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষরের সুযোগ চেয়ে তিনি একটি রিট আবেদন দায়ের করেছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে

শিক্ষামন্ত্রীকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় আরও তীব্র করলেন জুলাই আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল কাদের। তিনি মন্তব্য করেছেন, বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী সর্বোচ্চ হলে ‘নকল ধরা কমিটি’র আহ্বায়ক হওয়ার যোগ্যতা রাখেন, এর বেশি নয়।
১ দিন আগে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন ঢাকা-৮ আসনের আলোচিত নারী প্রার্থী মেঘনা আলম। একই সঙ্গে তিনি পূর্বের রাজনৈতিক দল গণঅধিকার পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।
১ দিন আগে

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে সাবেক বিএনপি নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে তিনি নাকি যোগ দিচ্ছেন সদ্য আলোচিত দল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (NCP)–তে। আর এই খবর ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র গুঞ্জন।
৫ দিন আগে

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ঐতিহাসিক ও নাটকীয় মোড় আইনগতভাবে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনের সব পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেল। দীর্ঘদিনের বিতর্ক, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং নানা ঘটনাপ্রবাহের পর অবশেষে জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’, যার মাধ্যমে দলটির সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
৬ দিন আগে

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে উপনির্বাচনে ধানের শীষে ভোটের সুনামি, বিপুল ব্যবধানে জয় পেলেন বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল।
৬ দিন আগে

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে রেজাউল করিম বাদশা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
৬ দিন আগে

সংরক্ষিত নারী আসনকে ঘিরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ। আগামীকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক সূচনা হতে যাচ্ছে, আর ভোটগ্রহণ হবে আগামী ১২ মে।
৭ এপ্রিল ২০২৬

ফরিদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচন ঘিরে ছিল তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও উত্তেজনা। ১৫টি পদের এই নির্বাচনে দলভিত্তিক ফলাফলে দেখা গেছে একটি ভারসাম্যপূর্ণ চিত্র, যেখানে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জামায়াত—তিন পক্ষই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পদে জয় পেয়েছে।
৩ এপ্রিল ২০২৬