
নিজস্ব প্রতিবেদন: ওয়ানডে সিরিজ শেষ হওয়ার পর এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। তিন ম্যাচের এই সিরিজকে ঘিরে দুই দলই ঘোষণা করেছে নিজেদের স্কোয়াড। এর মধ্যে শ্রীলঙ্কার ঘোষিত ১৭ সদস্যের দলে রয়েছে বেশ কিছু চমক, যা ক্রিকেটভক্তদের দৃষ্টি কেড়েছে।
প্রায় এক বছরের ব্যবধানে শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেছেন সাবেক অধিনায়ক দাসুন শানাকা। দলে ফিরেছেন আরেক পেস অলরাউন্ডার চামিকা করুণারত্নেও। তবে বাজে ফর্মের কারণে বাদ পড়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার ভানুকা রাজাপাকসে। শ্রীলঙ্কার নেতৃত্বে থাকছেন মিডল-অর্ডার ব্যাটার চারিথ আসালাঙ্কা।
সিরিজের সূচি অনুযায়ী, ১০ জুলাই প্রথম ম্যাচ হবে ক্যান্ডিতে। এরপর ১৩ জুলাই দ্বিতীয় ম্যাচ ডাম্বুলায় এবং ১৬ জুলাই তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কলম্বোতে। প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে।
বাংলাদেশ দলেও এসেছে কিছু নতুন চেহারা। দীর্ঘদিন পর টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে ফিরেছেন মোহাম্মদ নাঈম ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ওয়ানডে দলে থাকা বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার এই দলেও জায়গা পেয়েছেন। সিরিজ সামনে রেখে ইতোমধ্যে শরীফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন।
বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড:
লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, মোহাম্মদ নাঈম, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলী অনিক, শামীম হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন, মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, শরীফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড:
চারিথ আসালাঙ্কা (অধিনায়ক), পাথুম নিসাঙ্কা, কুশল মেন্ডিস, দিনেশ চান্দিমাল, কুশল পেরেরা, কামিন্দু মেন্ডিস, আভিস্কা ফার্নান্দো, দাসুন শানাকা, দুনিথ ওয়েলালাগে, ভানিদু হাসারাঙ্গা, মাহেশ থিকশানা, জেফরি ভান্ডারসে, চামিকা করুণারত্নে, মাথিশা পাথিরানা, নুয়ান থুশারা, বিনুরা ফার্নান্দো, ঈশান মালিঙ্গা।
সিরিজ ঘিরে দুই দলের এই দল নির্বাচন বেশ কৌশলগত এবং চমকপ্রদ—বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শক্তি যাচাই করার ভালো সুযোগ হিসেবেই দেখছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
সোহাগ/

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬