
নিজস্ব প্রতিবেদক: মধ্যপ্রাচ্যে যখন উত্তেজনার পারদ চরমে, তখন ইরানের পাশে দাঁড়িয়ে সরব হলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। ইসরাইলের সাম্প্রতিক বিমান হামলার কড়া নিন্দা জানিয়ে এই আক্রমণকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ বলে মন্তব্য করেছে পিয়ংইয়ং।
গত ১৩ জুন, কোনো ধরনের আগাম হুঁশিয়ারি ছাড়াই ইসরাইল ইরানের রাজধানী তেহরানে ভয়াবহ বিমান হামলা চালায়। এতে দেশটির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ও পারমাণবিক স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ও শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানীরা।
এই হামলার পাল্টা জবাব দিতে ইরান ছুড়ে দেয় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র, যা ইসরাইলের বেশ কিছু সামরিক ঘাঁটি ও শহরে আঘাত হানে। টানা ছয় দিন ধরে চলা এই পাল্টাপাল্টি হামলায় গোটা অঞ্চলে উত্তেজনা চরমে উঠেছে।
এই প্রেক্ষাপটে রাশিয়া ও চীনের পর এবার উত্তর কোরিয়া প্রকাশ্যে ইরানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ (KCNA) এক বিবৃতিতে জানায়, ইসরাইলের কর্মকাণ্ড শুধু আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনই নয়, এটি এক সরাসরি যুদ্ধ উসকে দেওয়ার চেষ্টা।
উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, “ইসরাইলের এই বর্বর আচরণ ইরানের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন এবং মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের সম্ভাবনা তৈরি করছে। এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার পশ্চিমা মিত্রদের ছত্রছায়ায় ইসরাইল এখন গোটা অঞ্চলের জন্য এক বিপজ্জনক ক্যান্সারের মতো হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, কিম জং উনের এই অবস্থান কেবল নীতিগত সমর্থন নয়, বরং ইরানকে ঘিরে একটি নতুন প্রতিরোধ জোট গঠনের আভাসও দিচ্ছে। রাশিয়া, চীন ও উত্তর কোরিয়ার মতো পরাশক্তির সরাসরি সমর্থন ইরানের কূটনৈতিক শক্তি আরও বাড়াবে বলেই মনে করছেন তারা।
সোহাগ/

দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি অবস্থান ও সংঘাতের পর অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি স্থায়ী শান্তিচুক্তির সম্ভাবনা জোরালো হওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য সমঝোতার খবর সামনে আসতেই আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন নেমে এসেছে। এতে বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তির বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে এবং জ্বালানিনির্ভর দেশগুলো নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে

চীনের শানসি প্রদেশে একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ৮২ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকেই পুরো এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এখনো কয়েকজন শ্রমিক নিখোঁজ থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
২ দিন আগে

অভিবাসন নীতিতে আরও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দেশটিতে অস্থায়ী ভিসায় অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকরা আর যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে থেকেই গ্রিন কার্ডের আবেদন করতে পারবেন না। স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পেতে হলে তাদের নিজ দেশে ফিরে আবেদন করতে হবে।
২ দিন আগে

চীনের শানসি প্রদেশে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে কয়লা খনিতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত আট শ্রমিক। এখনও খনির ভেতরে আটকা পড়ে আছেন আরও ৩৮ জন শ্রমিক। নিখোঁজদের উদ্ধারে অব্যাহত রয়েছে উদ্ধার অভিযান।
২ দিন আগে

মধ্যপ্রাচ্যকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যেই আবারও কঠোর বার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না এবং যুক্তরাষ্ট্র তা হতে দেবে না। একই সঙ্গে খুব শিগগিরই চলমান পরিস্থিতির সমাপ্তি ঘটবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
২ দিন আগে

অর্থনৈতিক সংকট ও দীর্ঘ অচলাবস্থার পর ইরানের শেয়ারবাজারকে আবারও স্বাভাবিক ধারায় ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। এতদিন জরুরি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার আওতায় পরিচালিত হওয়া বাজার এখন ধাপে ধাপে আরও নিয়ন্ত্রিত ও স্থিতিশীল পরিবেশে নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি বিশ্লেষক মোহাম্মাদ রেজা ফারজানেগান।
৬ দিন আগে

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে চলমান মার্কিন-ইসরাইল যুদ্ধের উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর উদ্বেগ। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)-এর প্রধান ফাতিহ বিরল জানিয়েছেন, বর্তমান বৈশ্বিক তেলের মজুত অত্যন্ত দ্রুত কমে যাচ্ছে এবং এই মজুত দিয়ে আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব।
১৮ মে ২০২৬

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সপ্তাহের শুরুতেই একদিকে যেমন স্বর্ণের দাম দেড় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায়, অন্যদিকে পরবর্তীতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়ে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখায় মূল্যবান এই ধাতু। তবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, উচ্চ সুদের হার এবং বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাজারে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
১৮ মে ২০২৬

ব্যাংককের ব্যস্ত সড়কে মুহূর্তেই ভয়াবহ মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয় একটি এলাকা। যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষের পর ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনে পুড়ে যায় বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেল। এতে অন্তত আটজন নিহত এবং ২৫ জন আহত হয়েছেন।
১৬ মে ২০২৬