
নিজস্ব প্রতিবেদক: মৃত্যুর পর মানুষ কি এই দুনিয়ার কথা মনে রাখে? প্রিয়জনদের স্মৃতি কি সঙ্গে থাকে? ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, মৃত্যুর পরে শুরু হয় এক ভিন্ন বাস্তবতা—যাকে বলা হয় আলমে বরযখ। এটি এমন এক জগত, যা দৃষ্টিগোচর নয়, কিন্তু সেখানে প্রতিটি মানুষ তার কর্মফল অনুযায়ী অবস্থান করে।
কোরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে জানা যায়—মৃত্যুর পর মানুষ জান্নাত বা জাহান্নামের একটি প্রাথমিক অভিজ্ঞতায় প্রবেশ করে। তখন তার মনোযোগ থাকে আখিরাতের প্রস্তুতি ও কবরের জীবনে। ধর্মীয় গ্রন্থে এমন কোনো নির্ভরযোগ্য দলিল নেই, যা প্রমাণ করে যে মৃত ব্যক্তি দুনিয়ার জীবনের কথা স্মরণ করে বা জীবিতদের নিয়ে ভাবেন।
গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী প্রশ্ন ও তাদের সুস্পষ্ট উত্তর:
* আজান ছাড়া নামাজ: যদি নামাজের সময় শুরু হয়, তবে মসজিদে আজান ছাড়াও নামাজ আদায় করা যায়।
* মৃতের ঘর ৪০ দিন খালি রাখা: এটি একটি ভুল প্রচলিত ধারণা, ইসলামে এর কোনো ভিত্তি নেই।
* ফরজ গোসল: ফরজ গোসল ফরজ হওয়ার পর দেরি না করে আদায় করাই উত্তম, তবে নামাজের সময় শুরু না হলে অল্প দেরি করা বৈধ।
* তাহাজ্জুদের কেরাত: রাতের নামাজ হওয়ায় তাহাজ্জুদের সময় আওয়াজ করে কেরাত পড়া জায়েজ।
* গর্ভাবস্থায় নামাজ: শুধু গর্ভবতী হলেই বসে নামাজ পড়া যাবে না। অসুস্থতা বা শারীরিক অক্ষমতা থাকলে বসে বা শুয়ে নামাজ পড়া জায়েজ।
* স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক: পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসা বাড়াতে সালাম ও উপহার বিনিময়ের গুরুত্ব রয়েছে।
* তালাক নিয়ে সংশয়: অনেক আগে ঝগড়ার সময় তালাক হয়েছে কি না মনে না থাকলে বা প্রমাণ না থাকলে বিবাহ বহাল থাকবে।
* নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাওয়া: সেজদার জায়গা অতিক্রম না করে পাশ দিয়ে যাওয়াই শরীয়তসম্মত।
* ভাসুর/দেবরের সঙ্গে কথা: পর্দা বজায় রেখে জরুরি প্রয়োজনে কথা বলা যায়, তবে অপ্রয়োজনীয় কথা পরিহার করতে হবে।
* বিয়ের উদ্দেশ্যে ছবি প্রদান: ছবি দেওয়ার ক্ষেত্রে নিশ্চিত হতে হবে এটি বিশ্বস্ত ব্যক্তির কাছে আছে এবং প্রয়োজনে তা মুছে ফেলা হবে।
ইসলামে মৃত্যু, ইবাদত ও সামাজিক আচরণ সম্পর্কে নির্দেশনা অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও সহজবোধ্য। কুসংস্কার বা ভিত্তিহীন বিশ্বাসে নয়, বরং কোরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে জীবন পরিচালনাই মুমিনের দায়িত্ব।
রাকিব/

ঈদুল ফিতরের আনন্দ-উৎসব শেষ না হতেই মুসলিম বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে শুরু হয়েছে আগাম আলোচনা ও অপেক্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমিরাত ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে, যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
২১ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। মধ্যপ্রাচ্যের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই প্রণালী দিয়েই বিশ্ববাজারে প্রবেশ করে।
১৯ এপ্রিল ২০২৬

মানুষের জীবনে প্রতিদিনের ব্যস্ততা ও দুশ্চিন্তার মাঝেও আত্মিক শান্তির সন্ধান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম আমাদের শেখায়, দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করা যায়।
১৮ এপ্রিল ২০২৬

রোগ মানুষের জীবনের এমন এক অধ্যায়, যা কখনোই পুরোপুরি এড়ানো যায় না। শরীর অসুস্থ হলে শুধু দেহ নয়, মনও ভেঙে পড়ে। এই দুর্বল মুহূর্তেই একজন মানুষ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বোধ করে আশ্রয়, সান্ত্বনা এবং আল্লাহর রহমতের।
১৬ এপ্রিল ২০২৬

জীবনে মানুষের চাহিদা ও প্রয়োজন কখনোই শেষ হয় না। অভাব ও লোভের চাপ অনেক সময় মানুষকে হালাল-হারামের সীমা ভুলিয়ে দেয়। কিন্তু ইসলামে একজন মুমিনকে শেখানো হয়েছে, সে যেন সবসময় পবিত্র ও বরকতময় রিজিকের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করে।
১০ এপ্রিল ২০২৬

মুসলমানদের জন্য জুমার দিন শুধু সাপ্তাহিক দিবস নয় এটি বরকত, রহমত ও নূরে পরিপূর্ণ এক মহান দিন। এই দিনের প্রতিটি মুহূর্ত আল্লাহর মেহেরবানির ছায়ায় ঢাকা। আর সেই বিশেষ দিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল হলো সুরা কাহাফ তিলাওয়াত।
১০ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র রমজান মাসের এক মাস সিয়াম সাধনার পর যখন শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়, তখন মুসলিম বিশ্বের হৃদয়ে নেমে আসে আনন্দ, প্রশান্তি ও কৃতজ্ঞতার আবহ। সেই আনন্দকে পূর্ণতা দেয় পবিত্র ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত নামাজ। মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে ঈদের নামাজ মুসলিম সমাজে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
২১ মার্চ ২০২৬

রাকিব: পবিত্র মাহে রমজান ধীরে ধীরে বিদায়ের পথে। রহমত ও মাগফিরাতের পর এখন চলছে নাজাতের পর্ব রমজানের শেষ দশ দিন। ইসলামে এই সময়টিকে ইবাদত-বন্দেগির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
১০ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমান বিশ্ব এক অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত ক্রমবর্ধমান, আর বিশ্বের নানা অঞ্চলে যুদ্ধের উত্তেজনা বাড়ছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এই পরিস্থিতি হাদিসে বর্ণিত শেষ জামানার মহাযুদ্ধ বা ‘মালহামা’-র আগাম সংকেত। বিশেষ করে ইরানের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান এবং সেখানে সংঘটিত সাম্প্রতিক ঘটনা ১৪০০ বছর আগের নবীর পূর্বাভাসের আলোকে নতুনভাবে আলোচিত হচ্ছে।
৩ মার্চ ২০২৬