
বিপিএলের এবারের আসরে রাজশাহী দলে আছেন বাংলাদেশের গতি তারকা তাসকিন আহমেদ। দলটির সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করছেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার রাও ইফতিখার। সিলেট পর্বে এসে তাসকিনকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়ে এই তরুণ পেসারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন ইফতিখার।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে গতকাল (বৃহস্পতিবার) অনুশীলন শেষে তাসকিন সম্পর্কে ইফতিখার বলেন, "তাসকিনকে দেখে আমি অভিভূত। তার উচ্চতা, অ্যাকশন, এবং বোলিং কোয়ালিটি একজন বিশ্বমানের পেসারের সব বৈশিষ্ট্য বহন করে। তার টেকনিক দারুণ এবং সে মাঠে তার সামর্থ্য দেখাচ্ছে।"
তিনি আরও বলেন, "তাসকিনের চ্যালেঞ্জ হলো ধারাবাহিকভাবে তার গুণাবলিকে কাজে লাগানো। সেটা করতে পারলে সে বিশ্বের যেকোনো পর্যায়ে সফল হবে।"
এবারের বিপিএলে এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে মাত্র এক জয় পেয়েছে রাজশাহী। তবে দলের এমন পারফরম্যান্সেও হতাশ নন ইফতিখার। তার মতে, দলের ভেতরে পারিবারিক আবহই রাজশাহীর মূল শক্তি। তিনি বলেন, "আমরা একটি পরিবারের মতো। জয়-পরাজয় যেমন খেলার অংশ, তেমনই মাঠের বাইরের ঐক্য আমাদের দলকে আলাদা করে রাখে।"
রাজশাহীর পরবর্তী ম্যাচকে ঘিরে ইফতিখার আশাবাদী। তিনি বলেন, "সব ম্যাচ জেতা হয়তো সম্ভব নয়, তবে আমরা পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে প্রস্তুত। দিন ম্যাচ হওয়ায় শিশিরের প্রভাব থাকবে না, যা ব্যাটার ও বোলারদের জন্য সমান সুযোগ তৈরি করবে। ইনশাআল্লাহ, আমরা জয়ের ধারায় ফিরব।"
রাজশাহীর শুরুটা ভালো হয়নি, তবে দলটি ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। তাসকিন আহমেদের মতো দুর্দান্ত পেসার এবং রাও ইফতিখারের অভিজ্ঞতায় দলটি আবারও তাদের পুরোনো ছন্দ খুঁজে পাবে, এমনটাই মনে করছেন ভক্তরা। কোচ ইফতিখার বিশ্বাস করেন, একতাবদ্ধ থেকে দলটি বাকিটা টুর্নামেন্টে সাফল্য দেখাতে পারবে।
রাজশাহীর ভক্তরা এখন অপেক্ষায় আছেন, কবে তাদের প্রিয় দল জয়ের ধারায় ফিরবে এবং বিপিএলে আরও একবার চমক দেখাবে।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬