
২০২৪ সালের আইপিএল নিলামে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের প্রতি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর আগ্রহ খুব একটা দেখা যায়নি। যদিও ১২ জনের নাম নিবন্ধিত হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত মাত্র দুজন—মুস্তাফিজুর রহমান ও রিশাদ হোসেন—নিলামের চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা পান। কিন্তু তাদের কেউই কোনো দলে স্থান করে নিতে পারেননি। ভক্তদের জন্য এটি হতাশার খবর হলেও, বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটারদের জন্য একটি নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)।
পিএসএল সাধারণত অনুষ্ঠিত হয় ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে, যা বিপিএলের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্য অংশগ্রহণ করা বেশ কঠিন হয়ে যেত। কিন্তু ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিকে সামনে রেখে পিএসএল এবার থেকে হবে এপ্রিল-মে মাসে। এর ফলে এবার পিএসএল সরাসরি আইপিএলের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে উঠবে। তবে এই পরিবর্তন বাংলাদেশের তারকাদের জন্য আশীর্বাদ হতে পারে, কারণ সেই সময় আন্তর্জাতিক সূচিতে বাংলাদেশ দলের কোনো ব্যস্ততা নেই।
সাকিব আল হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ—এ ধরনের অভিজ্ঞ ও প্রতিভাবান ক্রিকেটাররা যে কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য বড় সম্পদ হতে পারেন। মুস্তাফিজের নিখুঁত স্লোয়ার, তাসকিনের বিধ্বংসী গতি, আর সাকিবের ব্যাটে-বলে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স যেকোনো দলের শক্তি বাড়াতে সক্ষম।
পিএসএল ইতোমধ্যেই বিশ্বব্যাপী ব্যাটিং-বোলিং প্রতিযোগিতার মান এবং উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচগুলোর জন্য পরিচিত। যেহেতু আইপিএল এবং পিএসএল একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে, তাই পিএসএলে আন্তর্জাতিক তারকাদের চাহিদা বাড়তে পারে। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য একটি বড় সুযোগ তৈরি করবে, যেখানে তারা তাদের প্রতিভা প্রদর্শন করে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করতে পারবেন।
আইপিএলে দল না পাওয়াটা বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের জন্য হতাশার কারণ হতে পারে। তবে এটি তাদের জন্য প্রেরণাও হতে পারে নতুন উদ্যমে নিজেকে প্রমাণ করার। পিএসএলে ভালো পারফরম্যান্স শুধু তাদের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারকে আরও উজ্জ্বল করবে না, বরং ভবিষ্যতে আইপিএলে তাদের জায়গা নিশ্চিত করার পথও সুগম করতে পারে।
পিএসএল বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের জন্য শুধু একটি লিগ নয়, বরং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার আরেকটি সুবর্ণ সুযোগ। আইপিএলে দল না পেলেও পিএসএলে ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তারা প্রমাণ করতে পারবেন, কেন তারা বিশ্বের সেরা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোর জন্য আদর্শ খেলোয়াড়।
বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের জন্য এটি নতুন এক উত্তেজনার গল্প। পিএসএল মঞ্চে বাংলাদেশের তারকারা কতটা আলো ছড়াতে পারেন, এখন শুধু সেই অপেক্ষা। নিজেদের প্রতিভা দিয়ে তারা শুধু দেশের মুখ উজ্জ্বল করবেন না, বরং ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটেও বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের গুরুত্ব আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করবেন।

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে দারুণ অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবুয়ের টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্তের পর ব্যাট করতে নেমে ৩১.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান সংগ্রহ করেছে অস্ট্রেলিয়া।
৩ দিন আগে

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই ব্যাট হাতে দাপট দেখাচ্ছে ভারত। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তুলছে ভারত।
৪ দিন আগে

খেলাপ্রেমীদের জন্য আজকের দিনটি বেশ ব্যস্ততায় কাটবে। ক্রিকেট, টেনিস ও ফুটবল—তিন জনপ্রিয় খেলাতেই রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এর মধ্যে নারী এশিয়া কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেট ও ইউএস ওপেনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও সরাসরি দেখা যাবে টেলিভিশনে।
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের দেওয়া ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ভারতের ইনিংস শেষে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে ভারত। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংসের ২ দশমিক ১ ওভার শেষে ১৪ রান এসেছে, কোনো উইকেট হারায়নি নিগার সুলতানার দল।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৪ সালের নারী এশিয়া কাপে ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। এবার সেই হারের স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন লড়াইয়ের অপেক্ষায় নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ডাম্বুলার পর এবার দুবাইয়ের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে প্রতিশোধের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে টাইগ্রেসরা।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সামনে ব্যস্ত সূচি। আগামী অক্টোবর মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের অংশগ্রহণে বসতে যাচ্ছে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ। ১৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ২৩ অক্টোবর ফাইনালের মধ্য দিয়ে।
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে এবারও পদকের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। তবে পদকের মঞ্চে পৌঁছাতে হলে শুরুতেই কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে দুই দলকে। পুরুষ ও নারী—উভয় দলই সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে নিজেদের অভিযান শুরু করবে। ফলে প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিতে পারলে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হবে। আর সেই ধাপ পেরোতে পারলেই ব্রোঞ্জ নয়, সোনার পদকের লড়াইয়ে নামার সুযোগ তৈরি হবে বাংলাদেশের।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ক্রিকেটাররা যখন বের হচ্ছিলেন, তখন তাদের চোখেমুখে ছিল স্পষ্ট হতাশার ছাপ। আনন্দের কোনো কারণও ছিল না। নারী এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন দলকে।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাটিংয়ে প্রত্যাশামতো রান তুলতে না পারলেও বোলারদের দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ১১৪ রানের পুঁজি নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলেছিল মারুফা আক্তার ও সুলতানা খাতুনদের বোলিং নৈপুণ্য। তবে শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচ নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। ৪ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬