
বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) মেগা নিলাম সদ্য শেষ হয়েছে। তবে এই নিলামে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের জন্য হতাশার খবরই এসেছে। বাংলাদেশ থেকে ১২ জন ক্রিকেটারের নাম তালিকাভুক্ত থাকলেও মাত্র দুইজন—মুস্তাফিজুর রহমান ও রিশাদ হোসেন—নিলামের মঞ্চে উঠেছিলেন। তবে তাদের কারো প্রতিই আগ্রহ দেখায়নি আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।
বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের প্রতি আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিদের অনাগ্রহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। সমর্থকরা আইপিএল বয়কটের ডাক দিয়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, এই পরিস্থিতি কেবল ক্রিকেটীয় নয়, বরং এর পেছনে রাজনৈতিক কারণও থাকতে পারে।
তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্য আইপিএলে খেলার সুযোগ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। আইপিএল শুরুর আগে বা চলাকালীন সময়ের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি দলে পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষ করে যদি কোনো খেলোয়াড় ইনজুরিতে পড়েন বা ব্যক্তিগত কারণে টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ান, তখন নতুন খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এই পরিস্থিতিতে মুস্তাফিজ, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম এবং রিশাদ হোসেনের মতো ক্রিকেটারদের আইপিএলে খেলার আশা টিকে রয়েছে। অতীতে এমন ঘটনাও ঘটেছে। ২০২২ সালে তাসকিন আহমেদ এবং শরিফুল ইসলাম আইপিএলে দল পাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন, তবে বিসিবির অনুমতি না পাওয়ায় তারা খেলতে পারেননি।
মুস্তাফিজুর রহমানের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে একটি সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। চেন্নাই সুপার কিংসের (সিএসকে) একাধিক পেসার ইনজুরিতে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। অতীতে সিএসকে নিজেদের স্কোয়াডের বাইরে থেকে খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্ত করেছে, তাই যদি দলে পেসারের সংকট দেখা দেয়, তবে মুস্তাফিজ তাদের অন্যতম পছন্দ হতে পারেন।
মুস্তাফিজের আইপিএলে অভিজ্ঞতা এবং তাঁর কাটারের দক্ষতা তাঁকে এই ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলবে।
আইপিএল শুরুর আগে এখনো তিন মাস সময় রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে দলে ইনজুরি বা অন্যান্য কারণে শূন্যতা তৈরি হলে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের সুযোগ আসতে পারে। সেক্ষেত্রে তাদের প্রস্তুত থাকতে হবে এবং বিসিবির পক্ষ থেকেও অনুমতি পাওয়া নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাদেশি সমর্থকরা এখনও আশায় বুক বাঁধছেন যে, তাদের প্রিয় ক্রিকেটাররা শেষ মুহূর্তে হলেও আইপিএলে খেলার সুযোগ পাবেন। তবে এটি অনেক যদি-কিন্তুর ওপর নির্ভর করছে। এখন দেখার বিষয়, এই পরিস্থিতি কেমন মোড় নেয় এবং ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো শেষ মুহূর্তে কী সিদ্ধান্ত নেয়।

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে দারুণ অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবুয়ের টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্তের পর ব্যাট করতে নেমে ৩১.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান সংগ্রহ করেছে অস্ট্রেলিয়া।
৩ দিন আগে

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই ব্যাট হাতে দাপট দেখাচ্ছে ভারত। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তুলছে ভারত।
৪ দিন আগে

খেলাপ্রেমীদের জন্য আজকের দিনটি বেশ ব্যস্ততায় কাটবে। ক্রিকেট, টেনিস ও ফুটবল—তিন জনপ্রিয় খেলাতেই রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এর মধ্যে নারী এশিয়া কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেট ও ইউএস ওপেনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও সরাসরি দেখা যাবে টেলিভিশনে।
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের দেওয়া ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ভারতের ইনিংস শেষে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে ভারত। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংসের ২ দশমিক ১ ওভার শেষে ১৪ রান এসেছে, কোনো উইকেট হারায়নি নিগার সুলতানার দল।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৪ সালের নারী এশিয়া কাপে ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। এবার সেই হারের স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন লড়াইয়ের অপেক্ষায় নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ডাম্বুলার পর এবার দুবাইয়ের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে প্রতিশোধের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে টাইগ্রেসরা।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সামনে ব্যস্ত সূচি। আগামী অক্টোবর মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের অংশগ্রহণে বসতে যাচ্ছে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ। ১৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ২৩ অক্টোবর ফাইনালের মধ্য দিয়ে।
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে এবারও পদকের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। তবে পদকের মঞ্চে পৌঁছাতে হলে শুরুতেই কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে দুই দলকে। পুরুষ ও নারী—উভয় দলই সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে নিজেদের অভিযান শুরু করবে। ফলে প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিতে পারলে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হবে। আর সেই ধাপ পেরোতে পারলেই ব্রোঞ্জ নয়, সোনার পদকের লড়াইয়ে নামার সুযোগ তৈরি হবে বাংলাদেশের।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ক্রিকেটাররা যখন বের হচ্ছিলেন, তখন তাদের চোখেমুখে ছিল স্পষ্ট হতাশার ছাপ। আনন্দের কোনো কারণও ছিল না। নারী এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন দলকে।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাটিংয়ে প্রত্যাশামতো রান তুলতে না পারলেও বোলারদের দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ১১৪ রানের পুঁজি নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলেছিল মারুফা আক্তার ও সুলতানা খাতুনদের বোলিং নৈপুণ্য। তবে শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচ নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। ৪ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬