রিপোর্টার

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রকাশ করা হয়েছে নবম জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর গেজেট। নতুন বেতন কাঠামোয় সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বনিম্ন মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। ২০১৫ সালের বেতন কাঠামোর তুলনায় সর্বনিম্ন গ্রেডে মূল বেতন বেড়েছে ১৪২ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ গ্রেডে ১০০ শতাংশ।
নতুন বেতন স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর করা হয়েছে। তবে একবারে পুরো বেতন বৃদ্ধি দেওয়া হচ্ছে না। তিন ধাপে নতুন মূল বেতন বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা সহায়তা, মোবাইল ভাতা ও পেনশনের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।
নতুন কাঠামোয় আগের মতো ২০টি গ্রেড বহাল রাখা হয়েছে। ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের এখন সবচেয়ে বেশি আগ্রহ নিজের গ্রেড অনুযায়ী নতুন মূল বেতন, ইনক্রিমেন্ট, ভাতা এবং পে ফিক্সেশনের হিসাব জানা নিয়ে।
২০ গ্রেডে নতুন মূল বেতন কত?
নবম জাতীয় পে স্কেলে প্রথম থেকে ২০তম—সব গ্রেডেই মূল বেতন বাড়ানো হয়েছে। নিচে ২০১৫ সালের বেতন কাঠামোর প্রারম্ভিক মূল বেতনের সঙ্গে ২০২৬ সালের নতুন কাঠামোর তুলনা দেওয়া হলো।
গ্রেড | আগের মূল বেতন | নতুন মূল বেতন |
|---|---|---|
১ম | ৭৮,০০০ | ১,৫৬,০০০ |
২য় | ৬৬,০০০ | ১,৩২,০০০ |
৩য় | ৫৬,৫০০ | ১,১৩,০০০ |
৪র্থ | ৫০,০০০ | ১,০০,০০০ |
৫ম | ৪৩,০০০ | ৮৬,০০০ |
৬ষ্ঠ | ৩৫,৫০০ | ৭১,০০০ |
৭ম | ২৯,০০০ | ৫৮,০০০ |
৮ম | ২৩,০০০ | ৪৬,০০০ |
৯ম | ২২,০০০ | ৪৪,০০০ |
১০ম | ১৬,০০০ | ৩২,০০০ |
১১তম | ১২,৫০০ | ২৫,০০০ |
১২তম | ১১,৩০০ | ২৪,৩০০ |
১৩তম | ১১,০০০ | ২৪,০০০ |
১৪তম | ১০,২০০ | ২৩,৫০০ |
১৫তম | ৯,৭০০ | ২২,৮০০ |
১৬তম | ৯,৩০০ | ২১,৯০০ |
১৭তম | ৯,০০০ | ২১,৪০০ |
১৮তম | ৮,৮০০ | ২১,০০০ |
১৯তম | ৮,৫০০ | ২০,৫০০ |
২০তম | ৮,২৫০ | ২০,০০০ |
এখানে প্রতিটি গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন দেখানো হয়েছে। এটি সংশ্লিষ্ট গ্রেডের সর্বোচ্চ বেতন কিংবা সব কর্মচারীর নির্ধারিত মাসিক বেতন নয়। চাকরির মেয়াদ, বেতনধাপ ও ইনক্রিমেন্ট অনুযায়ী প্রকৃত মূল বেতন আলাদা হবে।
নতুন বেতন একবারে নয়, তিন ধাপে কার্যকর
নবম পে স্কেলের পুরো বেতন বৃদ্ধি একসঙ্গে কার্যকর হচ্ছে না। গেজেটে তিনটি পর্যায়ে নতুন মূল বেতন বাস্তবায়নের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রথম ধাপ: ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬। ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মচারীরা নতুন বেতনের অতিরিক্ত অংশের ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা অতিরিক্ত অংশের ৫০ শতাংশ পাবেন।
দ্বিতীয় ধাপ: ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন ২০২৭। ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের জন্য অতিরিক্ত বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের জন্য ৭৫ শতাংশ কার্যকর হবে।
তৃতীয় ধাপ: ১ জুলাই ২০২৭ থেকে। নতুন বেতন কাঠামোর সম্পূর্ণ মূল বেতন কার্যকর হবে। এ পর্যায়ে প্রযোজ্য বার্ষিক ইনক্রিমেন্টও যুক্ত হবে।
এখানে ৪০, ৫০, ৭০ বা ৭৫ শতাংশ পুরো নতুন মূল বেতন নয়। পুরোনো মূল বেতনের সঙ্গে নতুন স্কেলের নির্ধারিত বেতনের যে পার্থক্য তৈরি হবে, তার ওপর এই হার হিসাব করা হবে।
পে ফিক্সেশন: পুরোনো বেতন থেকে নতুন বেতন নির্ধারণ হবে যেভাবে
নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার পর সরকারি কর্মচারীদের জন্য পে ফিক্সেশন বা বেতন নির্ধারণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একই গ্রেডে চাকরি করলেও সবার মূল বেতন এক হবে না।
পে ফিক্সেশনের সময় ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে কর্মচারীর প্রাপ্য মূল বেতন, সংশ্লিষ্ট গ্রেড, বেতনধাপ এবং নতুন স্কেলের বিধান বিবেচনা করা হবে।
যাঁরা পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপে বেতন পেতেন, তাঁদের ক্ষেত্রে নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপ অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের বিধান রয়েছে। অন্যদিকে, প্রারম্ভিক ধাপের চেয়ে বেশি বেতন পেলে পুরোনো ও নতুন স্কেলের পার্থক্য এবং নির্ধারিত বেতনধাপ অনুযায়ী হিসাব করতে হবে।
উদাহরণ হিসেবে, পুরোনো স্কেলে কোনো কর্মচারীর প্রারম্ভিক মূল বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা এবং বর্তমান মূল বেতন ১৩ হাজার ৭৯০ টাকা হলে অতিরিক্ত অংশ দাঁড়ায় ১ হাজার ২৯০ টাকা। নতুন স্কেলের ২৫ হাজার টাকার সঙ্গে তা যোগ করলে হয় ২৬ হাজার ২৯০ টাকা। এরপর নির্ধারিত বেতনধাপ অনুযায়ী পরবর্তী প্রযোজ্য ধাপে বেতন নির্ধারণ করা হবে।
তবে ব্যক্তিগত পে ফিক্সেশনের ক্ষেত্রে সরকারি আদেশের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট কবে থেকে কার্যকর?
নতুন বেতন কাঠামোয় বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্টের তারিখ ১ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোর পূর্ণ বাস্তবায়নের সময় ১ জুলাই ২০২৭ থেকে নির্ধারিত নতুন মূল বেতনের সঙ্গে প্রযোজ্য ইনক্রিমেন্ট কার্যকর হবে।
তবে কার কত টাকা ইনক্রিমেন্ট হবে, তা সংশ্লিষ্ট গ্রেডের বেতনধাপ এবং চাকরির রেকর্ডের ওপর নির্ভর করবে।
উচ্চতর গ্রেড পেতে কত বছর চাকরি করতে হবে?
দীর্ঘদিন একই পদে কর্মরত সরকারি কর্মচারীদের জন্য উচ্চতর গ্রেড একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা। নতুন পে স্কেলে পদোন্নতি ছাড়াই উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার ক্ষেত্রে অপেক্ষার সময় কমিয়ে আট বছর করার বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে উচ্চতর গ্রেড পাওয়া স্বয়ংক্রিয় বিষয় নয়। কর্মচারীর চাকরির ধরন, সন্তোষজনক চাকরির মেয়াদ, আগে পাওয়া টাইম স্কেল বা সিলেকশন গ্রেড এবং অন্যান্য শর্ত বিবেচনা করতে হবে।
বাড়িভাড়া ভাতা কত হবে?
নতুন পে স্কেলে বাড়িভাড়া ভাতার হার কর্মস্থল ও গ্রেড অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য এক ধরনের হার এবং অন্যান্য শহর ও এলাকার জন্য আলাদা হার রাখা হয়েছে। নতুন হারে বাড়িভাড়া ভাতা কার্যকর হবে ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে।
গ্রেড | ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ | অন্যান্য নির্ধারিত শহর | অন্যান্য এলাকা |
|---|---|---|---|
১৬–২০ | ৬০% | ৫০% | ৪৫% |
১০–১৫ | ৫০% | ৪০% | ৩৫% |
৫–৯ | ৪৫% | ৩৫% | ৩০% |
১–৪ | ৪০% | ৩০% | ২৫% |
এখানে শতাংশের হিসাব মূল বেতনের ওপর নির্ধারিত হবে। তবে সরকারি বাসায় বসবাস, বাসা বরাদ্দ এবং অন্যান্য প্রযোজ্য শর্তের কারণে প্রকৃত প্রাপ্য অর্থ ভিন্ন হতে পারে।
চিকিৎসা, শিক্ষা ও অন্যান্য ভাতা কত?
মূল বেতনের পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতা সরকারি চাকরিজীবীদের মাসিক আয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নতুন বেতন কাঠামোয় চিকিৎসা, শিক্ষা সহায়তা, টিফিন, যাতায়াত, মোবাইল এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য ভাতার বিধান রাখা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য সুবিধাগুলো হলো—
চিকিৎসা ভাতা: ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত মাসিক ৩ হাজার টাকা এবং ৫০ বছর অতিক্রমের পর প্রযোজ্য পর্যায়ে ৪ হাজার টাকা।
শিক্ষা সহায়তা: সন্তানপ্রতি মাসিক ৫০০ টাকা, সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য ১ হাজার টাকা।
টিফিন ভাতা: নির্ধারিত নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য মাসিক ৫০০ টাকা।
যাতায়াত ভাতা: নির্ধারিত সিটি করপোরেশন এলাকায় যোগ্য কর্মচারীদের জন্য মাসিক ৬০০ টাকা।
প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানপ্রতি মাসিক ৩ হাজার টাকা, সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য।
মোবাইল ভাতা: বিভিন্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য মোবাইল ভাতার সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
সব কর্মচারী একই হারে সব ভাতা পাবেন না। পদ, গ্রেড, কর্মস্থল, বয়স ও পারিবারিক অবস্থার ওপর ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা নির্ভর করবে।
নতুন ভাতা কবে থেকে কার্যকর হবে?
নতুন পে স্কেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মূল বেতন ও ভাতা কার্যকরের সময় এক নয়। গেজেট অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রচলিত ভাতার হার বহাল থাকবে। নতুন হারে ভাতাদি কার্যকর হবে ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে।
অর্থাৎ নতুন মূল বেতন ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন শুরু হলেও বাড়িভাড়া ও অন্যান্য সংশোধিত ভাতার পূর্ণ সুবিধা পেতে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
পেনশনভোগীদের জন্য কত টাকা বাড়বে?
নবম জাতীয় পে স্কেলে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের পেনশনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিদ্যমান নিট পেনশনের পরিমাণ অনুযায়ী বিভিন্ন হারে পেনশন বাড়ানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
বর্তমান নিট পেনশন | বৃদ্ধির হার |
|---|---|
৯,০০০ টাকা পর্যন্ত | ১০০% |
৯,০০১–২০,০০০ টাকা | ৭৫% |
২০,০০১–৩০,০০০ টাকা | ৬৫% |
৩০,০০১–৪০,০০০ টাকা | ৬০% |
৪০,০০০ টাকার বেশি | ৫৫% |
পেনশনের নতুন সুবিধা ধাপে ধাপে কার্যকর হবে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে প্রযোজ্য বকেয়া পাওনার বিষয়টিও গেজেটে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এ ছাড়া পেনশনভোগীদের বয়স অনুযায়ী চিকিৎসা ভাতার হার ৩ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রকৃত পেনশনের অঙ্ক নির্ধারণের সময় বর্তমান নিট পেনশন, অবসরের তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট বিধান বিবেচনা করতে হবে।
পে ফিক্সেশন কোথায় করবেন?
নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য সরকারি কর্মচারীরা আইবাস++ (iBAS++)-এর পে ফিক্সেশন ব্যবস্থার নির্দেশনা অনুসরণ করতে পারবেন।
প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট—
অর্থ বিভাগ: https://mof.gov.bd
পে ফিক্সেশন: https://ibas.finance.gov.bd
পে ফিক্সেশনের সময় নিজের গ্রেড, বর্তমান মূল বেতন, ইনক্রিমেন্ট, চাকরির তথ্য এবং আগে পাওয়া উচ্চতর গ্রেডের তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করা জরুরি।
কারা নতুন পে স্কেলের আওতায় থাকবেন?
নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ সরকারি কর্মচারীদের পাশাপাশি গেজেটে নির্ধারিত অন্যান্য যোগ্য শ্রেণির জন্যও প্রযোজ্য। এর মধ্যে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্তির বিধান রয়েছে।
তবে সবার ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। চাকরির ধরন, নিয়োগের শর্ত এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পৃথক বিধান অনুযায়ী সুবিধা নির্ধারিত হবে। তাই কোনো নির্দিষ্ট কর্মচারী নতুন পে স্কেলের আওতায় পড়বেন কি না, তা নিশ্চিত হতে মূল গেজেটের প্রযোজ্যতার ধারা দেখতে হবে।
সরকারি চাকরিজীবীদের এখন যেসব বিষয় যাচাই করা জরুরি
নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী নিজের বেতন ও ভাতার হিসাব বুঝতে কর্মচারীদের কয়েকটি বিষয় যাচাই করা প্রয়োজন—
১. ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে নিজের মূল বেতন কত ছিল।
২. বর্তমানে কোন গ্রেড ও বেতনধাপে কর্মরত রয়েছেন।
৩. নতুন স্কেলে প্রযোজ্য মূল বেতন কত নির্ধারিত হয়েছে।
৪. বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের তারিখ ও পরিমাণ ঠিক আছে কি না।
৫. আগে উচ্চতর গ্রেড বা অন্য কোনো বিশেষ সুবিধা পেয়েছেন কি না।
৬. কর্মস্থল অনুযায়ী বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতার হার কত।
৭. পে ফিক্সেশনের তথ্য সঠিকভাবে অনুমোদিত হয়েছে কি না।
নবম জাতীয় পে স্কেল ২০২৬ সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন, ভাতা ও অবসর-পরবর্তী সুবিধায় বড় পরিবর্তন এনেছে। তবে শুধু গ্রেডের প্রারম্ভিক বেতন দেখে নিজের মোট মাসিক আয় নির্ধারণ করা যাবে না। মূল বেতন, ইনক্রিমেন্ট, কর্মস্থল, প্রাপ্য ভাতা এবং বাস্তবায়নের পর্যায় অনুযায়ী প্রকৃত বেতন নির্ধারিত হবে।
তাই সরকারি চাকরিজীবী ও পেনশনভোগীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মূল গেজেট এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্দেশনা অনুসরণ করে নিজের প্রাপ্য সুবিধার হিসাব যাচাই করা।

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হচ্ছে আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায়। ফল প্রকাশের পর পরীক্ষার্থীরা ঘরে বসেই মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার থেকে নিজেদের ফলাফল দেখতে পারবেন। একই সঙ্গে অনলাইনে প্রকাশিত বিস্তারিত ফলপত্র বা মার্কশিটও সংগ্রহ করা যাবে।
৪৫ মিনিট আগে

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হচ্ছে আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর)। সকাল ১১টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হবে। ফল প্রকাশের পর পরীক্ষার্থীরা ঘরে বসেই মোবাইল বা কম্পিউটারে অনলাইনে, মোবাইলের এসএমএসের মাধ্যমে কিংবা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফল জানতে পারবেন।
৫৬ মিনিট আগে

দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। এবার ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৯২ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। একই সঙ্গে ২১ ও ১৮ ক্যারেট এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও কমানো হয়েছে। স্বর্ণের পাশাপাশি কমেছে রুপার দামও।
১ ঘণ্টা আগে

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাসের হার নিয়ে একটি ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। ‘এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার ৫৩.২৩ শতাংশ’—এমন দাবি করে ফেসবুকের বিভিন্ন পেজ, গ্রুপ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট ও ফটোকার্ড প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে ফল প্রকাশের আগে পাসের হার জানার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
১ ঘণ্টা আগে

অবশেষে প্রকাশ হচ্ছে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল। আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হবে। ফলাফল কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
১ ঘণ্টা আগে

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামীকাল শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায়। ফল প্রকাশের পরপরই অনলাইনে, মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়ে এবং নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফল জানতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। এ জন্য শিক্ষার্থীদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর আগে থেকেই প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায়। ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই অনলাইনে ও মোবাইল ফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়ে ফল জানতে পারবেন। এ ছাড়া নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহের সুযোগ থাকছে।
২ ঘণ্টা আগে

ক্রিকেট ও ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আজ রয়েছে ব্যস্ত ক্রীড়াসূচি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিনে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। একই দিন ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। এ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়ার কেপটাউন টেস্টের পঞ্চম দিনের খেলাও অনুষ্ঠিত হবে।
২ ঘণ্টা আগে

অবশেষে প্রকাশ হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল। আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হবে। সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে ফল প্রকাশের আয়োজন করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে