
সিনিয়ার রিপোর্টার

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস মা ও গর্ভের শিশুর বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে শিশুর মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ডসহ বিভিন্ন অঙ্গের প্রাথমিক গঠন শুরু হয়। তাই গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই মায়ের পুষ্টি, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা, ওষুধ গ্রহণ এবং দৈনন্দিন জীবনযাপনের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।
এই সময়ে বমি বমি ভাব, ক্লান্তি, খাবারে অরুচি কিংবা ঘন ঘন প্রস্রাবের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে এসব সমস্যা স্বাভাবিক পরিবর্তনের অংশ হলেও কিছু লক্ষণ দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার সংকেত হতে পারে। তাই গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যত্ন নেওয়া মা ও শিশুর সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস কেন গুরুত্বপূর্ণ?
গর্ভাবস্থার প্রথম ১২ সপ্তাহকে সাধারণভাবে প্রথম তিন মাস বা প্রথম ত্রৈমাসিক বলা হয়। এ সময়ে ভ্রূণের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বিকাশ ঘটে। মায়ের শরীরেও হরমোনের পরিবর্তনের কারণে নানা ধরনের শারীরিক অনুভূতি দেখা দিতে পারে।
প্রথম দিকে নিয়মিত গর্ভকালীন পরিচর্যা শুরু করলে মায়ের স্বাস্থ্যগত অবস্থা মূল্যায়ন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি শনাক্ত করা সহজ হয়। আগে থেকে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েডের সমস্যা বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি রোগ থাকলে শুরুতেই চিকিৎসককে জানানো প্রয়োজন।
গর্ভধারণ নিশ্চিত হলে প্রথমেই কী করবেন?
মাসিক বন্ধ হওয়ার পর গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকলে উপযুক্ত সময়ে গর্ভধারণ পরীক্ষা করুন। ফল ইতিবাচক হলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসক বা প্রশিক্ষিত মাতৃস্বাস্থ্যসেবাদাতার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
প্রথম সাক্ষাতে সাধারণত শেষ মাসিকের প্রথম দিনের তারিখ, আগের গর্ভধারণের ইতিহাস, বর্তমানে ব্যবহৃত ওষুধ এবং আগে থেকে থাকা রোগ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। এসব তথ্য গর্ভাবস্থার সময়কাল ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যা নির্ধারণে সাহায্য করে।
প্রথম তিন মাস শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা না করে গর্ভধারণের শুরুতেই পরিচর্যা শুরু করা ভালো। এতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও পরামর্শ সময়মতো নেওয়া যায়।
প্রথম তিন মাসে কোন কোন পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে?
গর্ভাবস্থার শুরুতে মায়ের স্বাস্থ্য ও সম্ভাব্য ঝুঁকি মূল্যায়নের জন্য চিকিৎসক বিভিন্ন পরীক্ষা দিতে পারেন। ব্যক্তির অবস্থা ও স্থানীয় চিকিৎসা নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষার ধরন ভিন্ন হতে পারে।
রক্তচাপ ও ওজন: মায়ের প্রাথমিক স্বাস্থ্যগত অবস্থা বোঝার জন্য।
রক্ত পরীক্ষা: রক্তস্বল্পতা, রক্তের গ্রুপ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য বিষয় যাচাই করতে।
প্রস্রাব পরীক্ষা: সংক্রমণ বা অন্য কোনো সমস্যা শনাক্ত করার জন্য প্রয়োজন হতে পারে।
সংক্রমণ পরীক্ষা: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এইচআইভি, সিফিলিস, হেপাটাইটিস বি বা অন্যান্য সংক্রমণের পরীক্ষা করা হতে পারে।
আলট্রাসনোগ্রাম: গর্ভাবস্থার সময়কাল, গর্ভের অবস্থান এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ভ্রূণের বিকাশ সম্পর্কে তথ্য পেতে চিকিৎসক এটি দিতে পারেন।
সব গর্ভবতী মায়ের জন্য একই সময়ে একই ধরনের পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করানোই ভালো।
ফলিক অ্যাসিড কেন জরুরি?
গর্ভাবস্থার শুরুতে ফলিক অ্যাসিড গ্রহণ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এটি শিশুর মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের গঠনে সহায়তা করে এবং নিউরাল টিউবের কিছু জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
সাধারণভাবে গর্ভধারণের পরিকল্পনা করার সময় থেকেই প্রতিদিন ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক অ্যাসিড গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয় এবং গর্ভাবস্থার প্রথম ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যাঁদের কিছু নির্দিষ্ট ঝুঁকি রয়েছে, তাঁদের বেশি মাত্রার প্রয়োজন হতে পারে। তবে উচ্চমাত্রার ফলিক অ্যাসিড চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গ্রহণ করা উচিত নয়।
আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি বা অন্যান্য সম্পূরক কখন এবং কতটা প্রয়োজন, তা চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করুন।
গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে কী খাবেন?
এ সময়ে মায়ের শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী সুষম ও বৈচিত্র্যময় খাবার খাওয়া জরুরি। খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন—
ভাত, রুটি ও অন্যান্য শস্যজাতীয় খাবার।
মাছ, ডিম, মাংস, ডাল ও অন্যান্য প্রোটিনের উৎস।
বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ও মৌসুমি ফল।
দুধ, দই বা সহনীয় বিকল্প খাবার।
পর্যাপ্ত নিরাপদ পানি।
বমি বমি ভাব থাকলে অল্প অল্প করে বারবার খাওয়া অনেকের জন্য সহায়ক হতে পারে। তবে বারবার বমি হয়ে খাবার বা পানি ধরে রাখতে না পারলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
কাঁচা বা আধা সেদ্ধ ডিম, মাংস ও মাছ এবং অপরিষ্কার খাবার এড়িয়ে চলুন। ফল ও সবজি ভালোভাবে ধুয়ে খান। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার নিরাপদভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে কি না, সেদিকেও খেয়াল রাখুন।
কোন খাবার ও অভ্যাস এড়িয়ে চলবেন?
গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকি কমাতে কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
ধূমপান ও মদ্যপান: গর্ভাবস্থায় অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন। ধূমপান ও তামাকজাত পণ্যও পরিহার করুন এবং অন্যের ধোঁয়া থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন।
নিজে থেকে ওষুধ খাওয়া: ব্যথার ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিক, ভেষজ উপাদান কিংবা অন্য কোনো ওষুধ ব্যবহারের আগে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের সঙ্গে কথা বলুন। আগে থেকে নিয়মিত কোনো ওষুধ খেলে নিজে থেকে বন্ধ করবেন না; চিকিৎসকের সঙ্গে দ্রুত আলোচনা করুন।
অতিরিক্ত ভিটামিন গ্রহণ: বিশেষ করে ভিটামিন এ-এর রেটিনলযুক্ত সম্পূরক বা যকৃতজাতীয় খাবার বেশি পরিমাণে গ্রহণের বিষয়ে সতর্ক থাকুন। গর্ভাবস্থার উপযোগী সম্পূরক বেছে নিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
অতিরিক্ত ক্যাফেইন: চা, কফি ও ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়ের পরিমাণ সীমিত রাখুন। গর্ভাবস্থায় দৈনিক মোট ক্যাফেইন ২০০ মিলিগ্রামের বেশি না রাখার পরামর্শ অনেক স্বাস্থ্য নির্দেশিকায় দেওয়া হয়।
অতিরিক্ত পরিশ্রম ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ: স্বাভাবিক শারীরিক কার্যক্রম অনেকের জন্য উপকারী। তবে অতিরিক্ত ক্লান্তি, মাথা ঘোরা বা চিকিৎসকের নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকলে কাজ ও ব্যায়ামের ধরন নিয়ে পরামর্শ নিন।
গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে কোন লক্ষণ বিপদের সংকেত?
কিছু উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। যেমন—
যোনিপথে রক্তপাত, বিশেষ করে সঙ্গে পেটব্যথা থাকলে।
তলপেটে তীব্র ব্যথা বা একপাশে বেশি ব্যথা।
মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা কাঁধের ডগায় ব্যথার সঙ্গে পেটব্যথা।
বারবার বমি হওয়া এবং খাবার বা পানি ধরে রাখতে না পারা।
জ্বর বা গুরুতর অসুস্থ বোধ করা।
প্রস্রাবের সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়া, বিশেষ করে জ্বরের সঙ্গে থাকলে।
গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে রক্তপাত বা তীব্র পেটব্যথা কখনো কখনো গর্ভপাত বা জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণের মতো জরুরি সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। এসব উপসর্গ দেখা দিলে নিজে থেকে ওষুধ না খেয়ে দ্রুত চিকিৎসা নিন। প্রচুর রক্তপাত, তীব্র ব্যথা বা অজ্ঞান হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে জরুরি বিভাগে যেতে হবে।
মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও নজর দিন
গর্ভাবস্থায় শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি উদ্বেগ, ভয় বা মানসিক চাপ অনুভূত হতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, পরিবারের সহায়তা এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসক বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ উপকারী হতে পারে।
গর্ভাবস্থা নিয়ে কোনো প্রশ্ন বা দুশ্চিন্তা থাকলে তা চিকিৎসকের কাছে খোলামেলা বলুন। কোনো সমস্যা লুকিয়ে রাখা বা নিজের মতো করে চিকিৎসা নেওয়ার চেয়ে সময়মতো সঠিক পরামর্শ পাওয়া নিরাপদ।
শেষ কথা
গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে নিয়মিত গর্ভকালীন পরিচর্যা শুরু করা, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো, সুষম খাবার খাওয়া এবং ফলিক অ্যাসিড গ্রহণের বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ওষুধ ব্যবহারে সতর্ক থাকা এবং বিপৎসংকেত সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন।
প্রতিটি গর্ভাবস্থা আলাদা। তাই অন্যের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর না করে নিজের স্বাস্থ্যগত অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কোনো বিপজ্জনক লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করুন।

মাসিক নির্ধারিত সময়ে না হওয়া, কয়েক মাস বন্ধ থাকা কিংবা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বা কম রক্তপাত—এসব সমস্যায় অনেক নারী উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তবে সব সময় মাসিকের তারিখে সামান্য পরিবর্তন মানেই বড় কোনো অসুস্থতা নয়। বয়স, মানসিক চাপ, ওজনের পরিবর্তন, হরমোনের ওঠানামা এবং কিছু শারীরিক সমস্যার কারণে মাসিক চক্রে পরিবর্তন আসতে পারে।
২৫ মিনিট আগে

মাথাব্যথা হচ্ছে না, মাথা ঘুরছে না, শরীরও স্বাভাবিক—তাহলে কি রক্তচাপ ঠিক আছে? এমন ধারণা থেকে অনেকেই দীর্ঘদিন রক্তচাপ পরীক্ষা করেন না। অথচ উচ্চ রক্তচাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, অনেকের ক্ষেত্রেই এটি কোনো স্পষ্ট লক্ষণ ছাড়াই থাকতে পারে। নিয়মিত পরীক্ষা না করলে সমস্যাটি অজানা থেকে যেতে পারে।
৩০ মিনিট আগে

উচ্চ রক্তচাপ এমন একটি স্বাস্থ্যসমস্যা, যা অনেকের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন কোনো স্পষ্ট লক্ষণ ছাড়াই থাকতে পারে। এ কারণে অনেকে বুঝতেই পারেন না যে তাঁদের রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। কিন্তু দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হৃদ্রোগ, স্ট্রোক ও কিডনির সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
১৪ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্বজুড়ে পুরুষের প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় গত ৫০ বছরে পুরুষদের গড় টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় অর্ধেকে নেমে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে শুক্রাণুর সংখ্যা ও মান কমে যাওয়ার বিষয়টিও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে। এ কারণে কেউ কেউ পরিস্থিতিকে ‘স্পার্মাগেডন’ বা পুরুষের প্রজনন সংকট হিসেবে বর্ণনা করছেন।
৪ অক্টোবর ২০২৬

অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারকে অনেক সময় ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়। কারণ এই রোগের শুরুর দিকের লক্ষণগুলো বেশ সাধারণ হওয়ায় অনেকেই সেগুলোকে তেমন গুরুত্ব দেন না। ফলে রোগটি শনাক্ত হওয়ার আগেই শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ পেয়ে যেতে পারে।
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সারাদিনের ব্যস্ততা ও ক্লান্তি শেষে রাতে বিছানায় শুয়ে একটু স্বস্তির ঘুমের অপেক্ষা। কিন্তু চোখে ঘুম এলেও পায়ের অস্বস্তি যেন সেই ঘুম কেড়ে নেয়। পা স্থির রাখতে গেলেই ভেতরে অদ্ভুত এক অনুভূতি তৈরি হয়। মনে হয়, পা নাড়াতেই হবে। কিছুক্ষণ পা নড়ালে কিংবা উঠে হাঁটলে অস্বস্তি কিছুটা কমে যায়। কিন্তু আবার স্থির হয়ে শুয়ে পড়লেই ফিরে আসে একই সমস্যা। এভাবে রাতের পর রাত ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে থাকে।
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মালয়েশিয়ায় কঠোর পরিশ্রম করে যাওয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রার বাজার সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত বা শিগগিরই দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর কথা ভাবছেন, তাদের জন্য বর্তমান বাজারদর জানা অত্যন্ত জরুরি। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ান রিংগিতের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান বেশ স্থিতিশীল রয়েছে।
১৪ আগস্ট ২০২৬

বর্তমান আধুনিক ও যান্ত্রিক জীবনযাত্রায় ব্যস্ততা, কাজের চাপ এবং নানা ধরনের দুশ্চিন্তার কারণে আমাদের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক শান্তি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অথচ একটি সুন্দর ও সফল জীবনযাপনের জন্য শারীরিক স্বাস্থ্যের চেয়েও মানসিক স্বাস্থ্যের সুস্থতা অনেক বেশি জরুরি। মানসিকভাবে সুস্থ না থাকলে জীবনের কোনো আনন্দই ঠিকমতো উপভোগ করা যায় না। দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে কীভাবে মানসিক শান্তি বজায় রাখা যায় এবং একটি চাপমুক্ত জীবনযাপন করা সম্ভব, সে বিষয়েই আজকের এই বিস্তারিত আলোচনা।
১২ আগস্ট ২০২৬

বিশ্বের মূল্যবান ধাতুর বাজারে বেশ জোরালো ও স্থিতিশীল চাঙ্গা ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলারের মান দুর্বল হওয়া এবং বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা কমে আসার প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীদের মূল মনোযোগ এখন নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে পরিচিত স্বর্ণের দিকে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা তৃতীয় কার্যদিবসের মতো বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
৫ আগস্ট ২০২৬