
সিনিয়ার রিপোর্টার

পুরোনো পরিসংখ্যান বাংলাদেশের পক্ষে খুব একটা স্বস্তির নয়। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দীর্ঘদিনের মুখোমুখি লড়াইয়ে জয়-পরাজয়ের হিসাবে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। তবে ফুটবলে অতীতের রেকর্ডই শেষ কথা নয়। সেই পুরোনো হিসাবের সামনে আজ নতুন পরীক্ষায় নামছে লাল-সবুজের দল।
ফিফা আসিয়ান কাপ ২০২৬-এর গ্রুপ পর্বে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায়।
মুখোমুখি পরিসংখ্যানে এগিয়ে মালয়েশিয়া
দুই দলের নথিভুক্ত ১০টি ম্যাচের হিসাবে মালয়েশিয়া জিতেছে সাতটিতে। বাংলাদেশের জয় একটি, আর দুটি ম্যাচ হয়েছে ড্র। গোলের হিসাবেও বড় ব্যবধান রয়েছে—মালয়েশিয়া করেছে ২০ গোল, বাংলাদেশ করেছে চারটি।
প্রায় পাঁচ দশকের এই লড়াইয়ে বাংলাদেশের জন্য যেমন বড় ব্যবধানের হার রয়েছে, তেমনি রয়েছে স্মরণীয় জয়ও। ১৯৮২ সালের এশিয়ান গেমসে মালয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত এটিই দুই দলের নথিভুক্ত ইতিহাসে বাংলাদেশের একমাত্র জয় হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
৬-০ হার থেকে ২-১ জয়ের স্মৃতি
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যবধানের পরাজয়গুলোর একটি আসে ১৯৭৬ সালের কিংস কাপে। ওই ম্যাচে ৬-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ।
তবে এর কয়েক বছর পরই বদলে যায় গল্প। ১৯৮২ সালের এশিয়ান গেমসে ২-১ ব্যবধানে জয় পায় বাংলাদেশ। দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এই জয়ই বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে স্মরণীয় ফলগুলোর একটি।
এরপর ১৯৮৩ সালের মারদেকা টুর্নামেন্টে মালয়েশিয়ার কাছে ১-০ গোলে হারে বাংলাদেশ। ১৯৯৭ সালের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও দুই দল দুইবার মুখোমুখি হয় এবং দুই ম্যাচেই জয় পায় মালয়েশিয়া—প্রথমটি ২-০ ও পরেরটি ১-০ গোলে।
২০১২ ও ২০১৫ সালে হারেনি বাংলাদেশ
তবে সাম্প্রতিক সময়ের ইতিহাসে বাংলাদেশের জন্য কিছু ইতিবাচক স্মৃতিও রয়েছে। ২০১২ সালে দুই দলের ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র হয়। এরপর ২০১৫ সালের ম্যাচ গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ হয়।
অর্থাৎ টানা দুটি ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে হারেনি বাংলাদেশ। এই দুই ম্যাচের ফলই দেখিয়েছে, শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষেও বাংলাদেশ সংগঠিতভাবে লড়াই করতে পারে।
সর্বশেষ সাক্ষাতে বড় জয় মালয়েশিয়ার
দুই দলের সর্বশেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল ২০২২ সালের এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে। ওই ম্যাচে মালয়েশিয়া ৪-১ গোলে জয় পায়। বাংলাদেশের হয়ে একটি গোল এলেও শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানেই ম্যাচটি শেষ হয়।
তাই ২৫ সেপ্টেম্বরের ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে থাকবে পুরোনো হিসাব বদলানোর পাশাপাশি নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ।
এবারের বাংলাদেশ দলেও পরিবর্তন
এবারের জাতীয় দলে আগের তুলনায় বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। প্রবাসী ফুটবলারদের উপস্থিতিও বেড়েছে। দলের নেতৃত্বে রয়েছেন জামাল ভূঁইয়া। পাশাপাশি হামজা চৌধুরীসহ কয়েকজন খেলোয়াড়কে ঘিরে সমর্থকদের আগ্রহ রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রধান কোচ টমাস ডুলি জানিয়েছেন, আসিয়ান কাপের ম্যাচগুলো নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রতিপক্ষদের শক্তিমত্তার কথা উল্লেখ করে বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামার ওপর জোর দিয়েছেন।
র্যাংকিংয়েও ব্যবধান
বর্তমান ফিফা র্যাংকিংয়ে দুই দলের মধ্যে ব্যবধান রয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বরের ম্যাচের আগে মালয়েশিয়া ১৩৬তম এবং বাংলাদেশ ১৮১তম অবস্থানে রয়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে র্যাংকিং কেবল দুই দলের সামগ্রিক অবস্থানের একটি সূচক। ম্যাচের ফল নির্ধারিত হবে মাঠের ৯০ মিনিটের পারফরম্যান্সে।
ম্যাচটি কখন, কোথায়
বিষয় তথ্য
ম্যাচ বাংলাদেশ বনাম মালয়েশিয়া
তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সময় বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা
ভেন্যু গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়াম, জাকার্তা
প্রতিযোগিতা ফিফা আসিয়ান কাপ ২০২৬
গ্রুপ গ্রুপ এ
ম্যাচটি জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এবং বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় শুরু হবে।
সামনে কঠিন গ্রুপ
বাংলাদেশ রয়েছে গ্রুপ এ-তে। এই গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। মালয়েশিয়ার পর ২৮ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এবং ১ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।
সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সামনে এটি শুধু একটি ম্যাচ নয়; পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইতিহাসের সঙ্গে নতুন দলের সামর্থ্য মেলানোরও সুযোগ। প্রায় পাঁচ দশকের মুখোমুখি লড়াইয়ে যে হিসাব মালয়েশিয়ার পক্ষে ভারী, এবার সেই ইতিহাসে নতুন কোনো অধ্যায় যোগ হয় কি না, সেটিই দেখার বিষয়।

নভেম্বরে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এ মাসে জাপান ও স্বাগতিক সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলবে কার্লো আনচেলত্তির দল। দুই ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে। ফলে ব্রাজিলের সমর্থকেরা বাংলাদেশ সময় বিকেলেই ম্যাচ দুটি উপভোগ করতে পারবেন।
৪ দিন আগে

এশিয়ার মাটিতে আবারও দেখা যাবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে। আগামী নভেম্বরে সিঙ্গাপুরে চার জাতির ফুটবল আয়োজনে দুটি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ জাপান, আর দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক সিঙ্গাপুর।
৪ অক্টোবর ২০২৬

কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে দাপুটে জয় পেয়েছে পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল। শনিবার (৩ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্বাগতিক ভারতকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। এস্তেভাও, পেদ্রো ও স্যামুয়েল লিনোর গোলে জয় নিশ্চিত করে দলটি। স্যামুয়েল লিনো করেছেন জোড়া গোল।
৩ অক্টোবর ২০২৬

কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে চলছে ভারত ও পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলের ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ। প্রথমার্ধে দুই গোল করে এগিয়ে থাকা ব্রাজিলকে পিছনে রেখেই দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় নেমেছে ভারত। বিরতির পর শুরু হয়েছে ম্যাচের শেষ ৪৫ মিনিটের লড়াই।
৩ অক্টোবর ২০২৬

কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে চলছে ভারত ও পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলের ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ। সিনিয়র পুরুষ জাতীয় দলের পর্যায়ে প্রথমবার মুখোমুখি হওয়া দুই দলের লড়াইয়ে প্রথমার্ধ শেষে ২-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে ব্রাজিল।
৩ অক্টোবর ২০২৬

কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে আজ শনিবার মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল। সিনিয়র পুরুষ জাতীয় দলের পর্যায়ে এই প্রথমবার একে অপরের বিপক্ষে মাঠে নামছে দুই দল। ফলে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ হলেও ভারত-ব্রাজিলের এই লড়াই ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ।
৩ অক্টোবর ২০২৬

বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ভারতের মাটিতে মুখোমুখি হচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ও ভারত। শনিবার (৩ অক্টোবর) কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে দুই দলের আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ। বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শুরু হবে ম্যাচটি।
২ অক্টোবর ২০২৬

জাকার্তার বুং কার্নো স্টেডিয়ামে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ফিফা আসিয়ান কাপের শেষ ম্যাচে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছে বাংলাদেশ। প্রথমার্ধেই ছয় গোল হজম করেছে জামাল ভূঁইয়ার দল। বিপরীতে বাংলাদেশের হয়ে একটি গোল করেছেন শাহরিয়ার ইমন। ফলে বিরতিতে ৬-১ গোলে পিছিয়ে ছিল লাল-সবুজের দল।
১ অক্টোবর ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রোমাঞ্চকর প্রীতি ম্যাচে ৪-২ গোলের জয় তুলে নিয়েছে ব্রাজিল। ম্যাচের শুরুতে এগিয়ে গিয়েও প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কায় ছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় নিশ্চিত করে লাতিন আমেরিকার দলটি। ম্যাচে গোল করেছেন ভ্যান্ডারসন, রাফিনহা, ব্রুনো গিমারায়েস ও ভিনিসিউস জুনিয়র।
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬