
রিপোর্টার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা মন্তব্য করেছেন যে, তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মূল্যায়ন ও সাধারণ বিচারবুদ্ধি (কমন সেন্স) অনুযায়ী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একসময়ে বাংলাদেশে ঠিকই ফিরে আসবেন। গত বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন।
তিনি স্পষ্ট করে জানান যে, এটি সম্পূর্ণভাবে তার নিজস্ব রাজনৈতিক মূল্যায়ন, এর পেছনে কোনো ধরনের দাপ্তরিক বা নিশ্চিত তথ্য নেই। তবে একজন বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক পটপরিক্রমার কথা বিবেচনা করেই তিনি এই সম্ভাবনার কথা ব্যক্ত করেছেন।
বক্তব্য প্রচারের নিষেধাজ্ঞা ও ডিজিটাল মাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে রুমিন ফারহানার বিশ্লেষণ
শেখ হাসিনার বক্তব্য ও কন্টেন্ট গণমাধ্যমে প্রচারের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এই ধরনের নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার মতে, বর্তমান সময়ে গণমাধ্যম কেবল প্রথাগত টেলিভিশন চ্যানেল বা নির্দিষ্ট কিছু সীমানার মধ্যে আর সীমাবদ্ধ নেই।
আজ সাধারণ মানুষের হাতে হাতে স্মার্টফোন ও বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অবাধ বিস্তার রয়েছে, যার সুবাদে কেউ যদি কোনো বক্তব্য শুনতে চান, তবে তা যেকোনো উপায়েই হোক খুঁজে নেওয়া সম্ভব। তার যুক্তি অনুযায়ী, ডিজিটাল যুগে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে কারও বক্তব্য বা কণ্ঠস্বর পুরোপুরি রুদ্ধ করে রাখা বা চিরতরে বন্ধ করা আদতে সম্ভব নয়।
এ প্রসঙ্গে তিনি বিগত দিনের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, অতীতে শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনামলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য ও সংবাদও আদালতের সুনির্দিষ্ট আদেশে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছিল। রুমিন ফারহানার প্রশ্ন, অতীতের সেই সিদ্ধান্তগুলোকে যদি গণতান্ত্রিক চর্চা বা মনোভাব বলা না হয়ে থাকে, তবে বর্তমান পরিস্থিতির ক্ষেত্রেও ঠিক একই মাপকাঠি ও মূল্যায়ন প্রযোজ্য হওয়া উচিত।
ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষ ও সরাইলে স্থানীয় বিএনপির অনুষ্ঠান বয়কটের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
সাম্প্রতিক সময়ে ক্যাম্পাসে বা রাজপথে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যকার অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের ঘটনাগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এই সংসদ সদস্য। তার মতে, এ ধরনের সহিংস ঘটনাগুলো দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মূল ছাত্রসংগঠনগুলোর নিজেদের নেতাকর্মীদের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার বিষয়টি নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন জন্ম দিচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, যদি এখনই রাজনৈতিক সহনশীলতা না বাড়ে, তবে দেশ আবারও সেই পুরোনো ও সংঘাতময় রাজনৈতিক সংস্কৃতির অন্ধকারেই ফিরে যেতে পারে।
অন্যদিকে, সরাইল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে প্রধান অতিথি করায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানটি বর্জন করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলেন যে, তিনি কোনো অনৈতিক উপায়ে আসেননি, বরং সরাসরি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাই এই রাজনৈতিক বাস্তবতাকে সব দলেরই মেনে নেওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
উক্ত সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সরাইল উপজেলা জামায়াতের আমির এনাম খাঁ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন এবং সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গাজিপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি নুরুল ইসলাম
৩ ঘণ্টা আগে

আগামী ১৬ আগস্ট বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে, আর এই মাইলফলক সামনে রেখেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সরকারি মহলে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন নিয়ে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারের অভ্যন্তরীণ ও দলীয় উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে যে, বিগত ছয় মাসের কর্মদক্ষতা, রাজনৈতিক ভাবমূর্তি এবং নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের কঠোর মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করেই মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল আসতে পারে। এই পরিবর্তনের ধারায় কিছু বর্তমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী তাদের দায়িত্ব হারাতে পারেন, অন্যদিকে নতুন ও পরিচ্ছন্ন মুখের অন্তর্ভুক্তি ঘটে মন্ত্রিসভার কলেবর ও কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
১ দিন আগে

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত ও কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা বিষয়টি হলো দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া এই সাংবিধানিক ও সর্বোচ্চ পদে কে আসীন হবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা-কল্পনা ও গুঞ্জন চলছে। যদিও এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির নাম নিয়ে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি, তবুও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও দলীয় সূত্রে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় বিএনপির তিনজন জ্যেষ্ঠ ও হেভিওয়েট নেতার নাম জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে।
৪ দিন আগে

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া এই সাংবিধানিক পদে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে কে আসীন হবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির অভ্যন্তরীণ ভাবনা এবং মনোনয়নের মাপকাঠি নিয়ে নতুন সব তথ্য সামনে আসায় রাজনৈতিক অঙ্গনের উষ্ণতা আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে।
৫ দিন আগে

শিক্ষাব্যবস্থার চরম অব্যবস্থাপনা, বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং চাকরির নিয়োগে ব্যর্থতার অভিযোগে ভারতের তরুণ শিক্ষার্থীদের লাগাতার ও তীব্র আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। দিন যত গড়াচ্ছে, ভারতের অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতি ততই জটিল ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে পড়ে এখন নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এক কঠিন ও ঐতিহাসিক পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যেভাবে পরিস্থিতি রূপ নিচ্ছে, তাতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের ক্ষমতার পটপরিবর্তন ঘটার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
২৫ জুলাই ২০২৬

গুরুতর শারীরিক অসুস্থতা ও স্বাস্থ্যগত জটিলতার কারণে দেশের রাষ্ট্রপতির পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন।
২৫ জুলাই ২০২৬

২২তম রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের আকস্মিক পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ ২৩তম রাষ্ট্রপতির আসনে কে বসছেন, তা নিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনা। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বর্তমান জাতীয় সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থীরই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান হওয়া একরকম নিশ্চিত। দলটির নীতিনির্ধারক ও সরকারি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে এই দৌড়ে মূলত দলের শীর্ষস্থানীয় তিন নেতা এবং একজন দক্ষ আমলার নাম সবচেয়ে জোরালোভাবে উঠে আসছে।
২৫ জুলাই ২০২৬

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে তৈরি হওয়া দেশজোড়া আলোচিত ভিডিও ও বিতর্ক নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এনেছেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। তিনি দাবি করেছেন, ভাইরাল হওয়া ওই তরুণী নিজেই গাজী নজরুলের আজীবন সেবা করার চরম আবদার করেছিলেন।
২৪ জুলাই ২০২৬

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একাধিক ব্যক্তিগত ও অন্তরঙ্গ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
২৩ জুলাই ২০২৬