
সিনিয়ার রিপোর্টার

এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর পরই শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মনে সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটি ঘুরপাক খায়, তা হলো একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির পুরো প্রক্রিয়াটি কীভাবে সম্পন্ন হবে, কোন কলেজগুলো পছন্দ তালিকায় রাখা উচিত এবং আবেদন বা ভর্তি ফি বাবদ কত টাকা খরচ হতে পারে। এই পুরো ভর্তি প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে পরিষ্কার ও স্বচ্ছ ধারণা থাকলে শিক্ষার্থীদের অনাকাঙ্ক্ষিত বিভ্রান্তি অনেকটাই কমে যায়। সঠিক দিকনির্দেশনা ও সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণই নিশ্চিত করতে পারে আপনার কাঙ্ক্ষিত কলেজে পড়ার সুযোগ।
প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে প্রবেশ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট। তাই তাড়াহুড়ো বা না বুঝে আবেদন না করে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি আগে থেকেই জেনে রাখা বুদ্ধিমতার কাজ।
শতভাগ অনলাইনভিত্তিক আবেদন প্রক্রিয়া ও ভর্তি পরীক্ষার নিয়মাবলী
বর্তমান সময়ে একাদশ শ্রেণির সম্পূর্ণ ভর্তি প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত আধুনিক ও ডিজিটালাইজড উপায়ে সম্পূর্ণভাবে অনলাইনভিত্তিক সম্পন্ন করা হয়। শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (xiclassadmission.gov.bd)-এর মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হয়।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, একাদশ শ্রেণির সাধারণ ভর্তির ক্ষেত্রে সাধারণত কোনো আলাদা বা পৃথক ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় না। এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার প্রাপ্ত জিপিএ এবং ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুতকৃত মেধাক্রম বা মেরিট লিস্ট অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের কলেজ বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে দেশের হাতে গোনা দু-একটি বিশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (যেমন ঢাকার নটর ডেম কলেজ) নিজস্ব নিয়ম ও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজস্ব প্রক্রিয়ায় ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে থাকে।
কলেজ পছন্দক্রম নির্বাচনে সতর্কতা ও আবেদনের যোগ্যতা
আবেদনের সময় একজন শিক্ষার্থী সুনির্দিষ্ট নীতিমালা মেনে একাধিক কলেজ পছন্দক্রম বা চয়েস লিস্ট অনুযায়ী সাজিয়ে দেওয়ার সুযোগ পান। এখানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি হলো—মেধাক্রম ও জিপিএ অনুযায়ী পছন্দক্রমের একেবারে প্রথম দিকের কলেজেই আপনাকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হবে। তাই আপনার ড্রিম কলেজ বা সবচেয়ে পছন্দের প্রতিষ্ঠানটি সবসময় তালিকার একদম শীর্ষে রাখা উচিত। কোনো কারণে ভুলবশত আপনার পছন্দের ভালো কলেজটি নিচে দিয়ে রাখলে পরবর্তীতে তা সংশোধনের সুযোগ নাও থাকতে পারে।
অন্যদিকে, আবেদনের যোগ্যতার ক্ষেত্রে সাধারণত সাম্প্রতিক কয়েক শিক্ষাবর্ষের মধ্যে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নিয়মিত শিক্ষার্থীরাই আবেদন করার সুযোগ পান। শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রতি বছর সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রকাশ করে, যেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে ঠিক কোন কোন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এবার আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া একাধিক ধাপে এই ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় প্রথম ধাপে যারা পছন্দমতো কলেজ পাবেন না, তারা পরবর্তী ধাপগুলোতে নতুন করে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
ভর্তি ফি, বিভাগ পরিবর্তন ও আবেদনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি কর্তৃক একাদশ শ্রেণির ভর্তি ফি নির্ধারিত হয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট অনুমোদন ছাড়া দেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত কোনো অর্থ আদায় করতে পারে না। কোনো অবস্থাতেই রশিদ ছাড়া ফি প্রদান করা থেকে বিরত থাকা উচিত এবং অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে অভিযোগ জানানোর সুযোগ রয়েছে। এছাড়া বিজ্ঞান থেকে মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষায় যাওয়ার সুযোগ থাকলেও মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা থেকে বিজ্ঞানে আসার কোনো সুযোগ নেই।
আবেদনের পূর্বে যা যা প্রস্তুত রাখা জরুরি:
এসএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পাসের বছর ও শিক্ষাবোর্ডের সঠিক তথ্য।
আবেদন ফি অনলাইনে পরিশোধের জন্য বিকাশ, নগদ বা নির্দিষ্ট মোবাইল ব্যাংকিং মাধ্যম প্রস্তুত রাখা।
আগে থেকেই পছন্দের কলেজগুলোর একটি সুচিন্তিত তালিকা তৈরি করা, যাতে অনলাইনে আবেদনের সময় কোনো তাড়াহুড়ো বা ভুল না হয়।
সর্বোপরি, প্রতি বছর সুনির্দিষ্ট তারিখ ও কিছু খুঁটিনাটি নিয়মে সামান্য পরিবর্তন আসতে পারে, তাই ফরম পূরণের পূর্বে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবর্ষের সর্বশেষ সরকারি নীতিমালা ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত।

দেশের সামগ্রিক ব্যবসা এবং বিনিয়োগের পরিবেশকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও সহজতর করার লক্ষ্যে ২২ সদস্যের একটি শক্তিশালী ‘বিনিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসা সহজীকরণ বিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্স’ গঠন করেছে সরকার। দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের লালিত জটিলতা দূর করতে এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে

দেশের মাধ্যমিক ও সমমানের সাম্প্রতিক পাবলিক পরীক্ষায় এক নজিরবিহীন ফলাফল বিপর্যয় নিয়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চলতি বছর দেশের মোট ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি—অর্থাৎ শতভাগ ফেল করেছে। এই ভয়াবহ ফল বিপর্যয়ের মূল কারণগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর অংশ হিসেবে গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দাখিল পরীক্ষায় শূন্য পাস করা ২২৬টি মাদ্রাসার প্রধানদের আনুষ্ঠানিকভাবে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড।
৬ ঘণ্টা আগে

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় হু হু করে বেড়ে যাওয়ার ফলে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। এই বাস্তবতায় লাখো কর্মচারীর দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন দ্রুত প্রকাশ ও তা অবিলম্বে বাস্তবায়নের জোর দাবি জানানো হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে

লাখো পরীক্ষার্থীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের খাতা পুনঃনিরীক্ষণ বা বোর্ড চ্যালেঞ্জের ফল। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১০ আগস্ট সকাল ১০টায় একযোগে এই ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
৭ ঘণ্টা আগে

দেশের বুলিয়ন বাজারে আবারও এক ঐতিহাসিক ও রেকর্ড দাম বৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম লাগাতার বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর মূল্য নতুন করে সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় দাম বাড়ানোর ফলে সাধারণ ক্রেতা ও মধ্যবিত্তের জন্য স্বর্ণ কেনা আরও বেশি ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।
৮ ঘণ্টা আগে

অবশেষে কাটল দীর্ঘ প্রতীক্ষা! সারা দেশে একযোগে প্রকাশিত হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল। এ বছর পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা—উভয় ক্ষেত্রেই দেখা গেছে ইতিবাচক ও সাফল্যমণ্ডিত চিত্র। কাঙ্ক্ষিত ফল হাতে পেয়ে শিক্ষার্থী ও
২ দিন আগে

দেশের স্বর্ণের বাজারে ফের বড় পরিবর্তন। একদিনের ব্যবধানেই ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে এখন গুনতে হবে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা।
৪ দিন আগে

রাজধানী ঢাকায় আজ দুপুরের মধ্যেই বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে সন্ধ্যার মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
৪ দিন আগে

বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাই মাসের বেতন, বাড়িভাড়া ও ইনক্রিমেন্ট নিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে পারে আগামী সপ্তাহেই। এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বর্তমানে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে চলমান রয়েছে।
৪ দিন আগে