
রিপোর্টার

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত ও কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা বিষয়টি হলো দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া এই সাংবিধানিক ও সর্বোচ্চ পদে কে আসীন হবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা-কল্পনা ও গুঞ্জন চলছে। যদিও এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির নাম নিয়ে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি, তবুও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও দলীয় সূত্রে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় বিএনপির তিনজন জ্যেষ্ঠ ও হেভিওয়েট নেতার নাম জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে।
অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটের শিক্ষা এবং সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার তাগিদে এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দেশের সর্বোচ্চ এই অভিভাবক পদে কে আসছেন, তা জানতে এখন দেশের সব মহলের নজর রাজনৈতিক নীতিনির্ধারক মহলের দিকে।
সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় যারা এগিয়ে: হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ড. মঈন খান ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
দলীয় ও নির্ভরযোগ্য রাজনৈতিক বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, দলের অভিজ্ঞ স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন খান এবং দলের মহাসচিব ও বর্তমান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে।
দলীয় সূত্রগুলোর দাবি অনুযায়ী, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে এই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। যদিও এটি আনুষ্ঠানিক আলোচ্যসূচিতে সরাসরি অন্তর্ভুক্ত ছিল কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে একাধিক সূত্রে জানা গেছে যে অতীতের ধারাবাহিকতার মতো এবারও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে জোরালো মত আসতে পারে।
মনোনয়নের মাপকাঠি: সাংবিধানিক অভিজ্ঞতা, কূটনৈতিক ভারসাম্য ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তি
সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে কেবল দলীয় আনুগত্য বা রাজনৈতিক পরিচয়কেই একমাত্র মাপকাঠি হিসেবে ধরা হচ্ছে না। এর পাশাপাশি সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের অসাধারণ সক্ষমতা, দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ভারসাম্যের বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। এমন একজন প্রাজ্ঞ ব্যক্তিকে এই পদে বসানোর চিন্তা চলছে, যিনি দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সম্পূর্ণ গ্রহণযোগ্য এবং সব ধরনের বিতর্কের ঊর্ধ্বে থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারবেন।
আলোচনায় থাকা তিন নেতার মধ্যে অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন খানের নাম সামনের সারিতে আসার পেছনে রয়েছে তার বর্ণাঢ্য শিক্ষাগত ও পেশাগত ব্যাকগ্রাউন্ড। পদার্থবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা, নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞানে উচ্চতর গবেষণা, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং অতীতে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিকল্পনা খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনের সুদীর্ঘ দক্ষতা তাকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছে। অন্যদিকে, হাফিজ উদ্দিন আহমেদের দীর্ঘ সংসদীয় ও সাংবিধানিক অভিজ্ঞতা এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাষ্ট্র পরিচালনায় নেতৃত্বদানের ক্ষমতাও বেশ ইতিবাচকভাবে মূল্যায়িত হচ্ছে।
রাজনৈতিক মহলের প্রতিক্রিয়া ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের প্রতীক্ষা
এই সার্বিক বিষয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান স্পষ্ট করে বলেছেন যে, বর্তমানে রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য থাকায় সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানামুখী আলোচনা হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি বিষয়। পাশাপাশি রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন খানের মতে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে এমন একজন ব্যক্তিত্বকে নির্বাচন করা উচিত যার ব্যক্তিগত ও পেশাগত ভাবমূর্তি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, যার বিরুদ্ধে কোনো গুরুতর অভিযোগ নেই এবং যিনি সংবিধানের প্রতি পূর্ণ দায়বদ্ধ থেকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
যদিও গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক অন্দরে এই নামগুলো নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে এবং এ বিষয়ে দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে নানা সমীকরণ কষা হচ্ছে, তবুও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার জন্য সাংবিধানিক ও দলীয় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

দেশের সামগ্রিক ব্যবসা এবং বিনিয়োগের পরিবেশকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও সহজতর করার লক্ষ্যে ২২ সদস্যের একটি শক্তিশালী ‘বিনিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসা সহজীকরণ বিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্স’ গঠন করেছে সরকার। দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের লালিত জটিলতা দূর করতে এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে

দেশের মাধ্যমিক ও সমমানের সাম্প্রতিক পাবলিক পরীক্ষায় এক নজিরবিহীন ফলাফল বিপর্যয় নিয়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চলতি বছর দেশের মোট ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি—অর্থাৎ শতভাগ ফেল করেছে। এই ভয়াবহ ফল বিপর্যয়ের মূল কারণগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর অংশ হিসেবে গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দাখিল পরীক্ষায় শূন্য পাস করা ২২৬টি মাদ্রাসার প্রধানদের আনুষ্ঠানিকভাবে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড।
৭ ঘণ্টা আগে

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় হু হু করে বেড়ে যাওয়ার ফলে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। এই বাস্তবতায় লাখো কর্মচারীর দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন দ্রুত প্রকাশ ও তা অবিলম্বে বাস্তবায়নের জোর দাবি জানানো হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে

লাখো পরীক্ষার্থীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের খাতা পুনঃনিরীক্ষণ বা বোর্ড চ্যালেঞ্জের ফল। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১০ আগস্ট সকাল ১০টায় একযোগে এই ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
৮ ঘণ্টা আগে

দেশের বুলিয়ন বাজারে আবারও এক ঐতিহাসিক ও রেকর্ড দাম বৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম লাগাতার বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর মূল্য নতুন করে সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় দাম বাড়ানোর ফলে সাধারণ ক্রেতা ও মধ্যবিত্তের জন্য স্বর্ণ কেনা আরও বেশি ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।
৮ ঘণ্টা আগে

অবশেষে কাটল দীর্ঘ প্রতীক্ষা! সারা দেশে একযোগে প্রকাশিত হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল। এ বছর পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা—উভয় ক্ষেত্রেই দেখা গেছে ইতিবাচক ও সাফল্যমণ্ডিত চিত্র। কাঙ্ক্ষিত ফল হাতে পেয়ে শিক্ষার্থী ও
২ দিন আগে

দেশের স্বর্ণের বাজারে ফের বড় পরিবর্তন। একদিনের ব্যবধানেই ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে এখন গুনতে হবে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা।
৪ দিন আগে

রাজধানী ঢাকায় আজ দুপুরের মধ্যেই বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে সন্ধ্যার মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
৪ দিন আগে

বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাই মাসের বেতন, বাড়িভাড়া ও ইনক্রিমেন্ট নিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে পারে আগামী সপ্তাহেই। এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বর্তমানে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে চলমান রয়েছে।
৪ দিন আগে