
সিনিয়ার রিপোর্টার

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র ও আর্জেন্টিনাকে ব্যাক-টু-ব্যাক বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পাইয়ে দেওয়া মহাতারকা লিওনেল মেসিকে নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনার যেন কোনো শেষ নেই। ২০২৬ সালের সদ্য সমাপ্ত ফিফা বিশ্বকাপ জয় এবং সবশেষ কোপা আমেরিকার রাজত্ব সফলভাবে ধরে রাখার পর এবার এই জাদুকরী ফুটবলারকে আগামী ২০৩০ সালের বিশ্বমঞ্চেও সবুজ ঘাসের বুকে দেখার জন্য জোরালো দাবি উঠেছে। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্তের এই আবেগ ও ভালোবাসাকে বাস্তবে রূপ দিতে অনলাইনে স্বাক্ষর সংগ্রহের এক অভিনব ও আবেগী প্রস্তাব সামনে এসেছে, যা ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিশ্ব ফুটবল মহলে তুমুল আলোচনার ঝড় তুলেছে।
খেলোয়াড়ি জীবনের প্রায় শেষ প্রান্তে এসেও মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্স ভক্তদের মনে নতুন করে এই আশার জন্ম দিয়েছে যে, বয়স কেবল একটি সংখ্যা মাত্র। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি সমর্থক নিজেদের আইডলকে আরও কিছুদিন ফুটবল মাঠে সক্রিয় দেখতে চান।
আবেগের জোয়ার ও স্বাক্ষর সংগ্রহের পিটিশন: মেসিকে ২০৩০-এ পাওয়ার আকুতি
চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপে বিশ্বকে অবাক করে দিয়ে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন লিওনেল মেসি। এই টুর্নামেন্টে একাই অসাধারণ ৮টি গোল করে আলবিসেলেস্তাদের টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রধান ও নেতৃত্বসুলভ ভূমিকা পালন করেন তিনি। এর পরপরই বিশ্বজুড়ে ফুটবল ভক্তদের একটি বিশাল অংশ একত্রিত হয়ে দাবি তুলতে শুরু করেছে যে, ২০৩০ সালে মেসির বয়স ৪৩ বছর ছুঁইছুঁই হলেও ফুটবলপ্রেমীরা তাকে অন্তত আরও একটি বিশ্বকাপ মঞ্চে দেখতে চান।
ভক্তদের এই গভীর আবেগ ও ভালোবাসা ফুটিয়ে তুলতেই অনলাইন পিটিশন এবং বিশ্বব্যাপী স্বাক্ষর সংগ্রহের এই দারুণ প্রস্তাবটি আনা হয়েছে। এই উদ্যোগের নেপথ্যের মূল উদ্দেশ্য হলো—আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (AFA) এবং খোদ লিওনেল মেসির ওপর একটি ইতিবাচক মানসিক চাপ ও বার্তা তৈরি করা, যাতে তিনি ফুটবলকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্তটি আরও একবার পুনর্বিবেচনা করেন।
বাস্তবতার সমীকরণ ও ফুটবল বোদ্ধাদের মূল্যায়ন: ৪৩ বছর বয়সে মাঠের লড়াই কতটা সম্ভব?
ভক্তদের এই পাগলামি ও আকুলতা সম্পূর্ণ আবেগ এবং ভক্তি থেকে উৎসারিত হলেও, ক্রীড়া বিশ্লেষক, কোচ ও চিকিৎসকেরা বিষয়টিকে একটি অত্যন্ত বড় ও অবাস্তব চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। ২০৩০ সালে যখন পরবর্তী বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে, তখন মেসির বয়স হবে ৪৩ বছর। আধুনিক ফুটবলের প্রচণ্ড চড়া গতি, হাই-ইনটেনসিটি প্রেসিং এবং তীব্র শারীরিক সক্ষমতার সঙ্গে এই বয়সে খাপ খাইয়ে নেওয়া যেকোনো আউটফিল্ড খেলোয়াড়ের জন্যই প্রায় অসম্ভব একটি ব্যাপার।
তবে ফুটবল বিশেষজ্ঞদের একটি অংশের মতে, মেসি যদি ৯০ মিনিটের নিয়মিত ম্যাচ নাও খেলেন, তবুও কৌশলগতভাবে মাঠে তার উপস্থিতি, ড্রেসিংরুমে তার অমূল্য অভিজ্ঞতা এবং দলের ‘মেন্টর’ বা প্রধান পরামর্শক হিসেবে তার ভূমিকা আর্জেন্টিনার জন্য একটি বিশাল মনস্তাত্ত্বিক ও শক্তির উৎস হতে পারে। অতীতেও অনেক কিংবদন্তি খেলোয়াড় বয়সের ভারে মাঠের সময় কমিয়ে দিলেও দলের মানসিক শক্তি বাড়াতে স্কোয়াডে যুক্ত থেকেছেন।
মেসির নিজস্ব ভাবনা ও ভক্তদের প্রত্যাশা: কিংবদন্তি কি ভাববেন নতুন করে?
এর আগে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লিওনেল মেসি নিজেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপটিই হতে পারে তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক মঞ্চ। বয়স, শারীরিক ক্লান্তি ও ফিটনেসের কথা মাথায় রেখে তিনি সবসময়ই বলে এসেছেন যে, জোর করে ক্যারিয়ার দীর্ঘায়িত না করে—যতদিন শরীর ও মন সায় দেবে এবং তিনি ফুটবল উপভোগ করবেন, ততদিনই মাঠে থাকবেন।
তবে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ভক্তদের এই ঐতিহাসিক ও আবেগঘন স্বাক্ষর সংগ্রহের উদ্যোগ যদি শেষ পর্যন্ত বিরাট গণআন্দোলন বা রূপ নেয়, তবে ফুটবল ইতিহাসের এই মহানায়ক নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানা নিয়ে নতুন করে কোনো সিদ্ধান্ত নেন কি না, তা দেখার জন্য মুখিয়ে আছে গোটা ফুটবল দুনিয়া। কোটি ভক্তের ভালোবাসা কি তবে শেষ পর্যন্ত মেসিকে রাজি করাতে পারবে ২০৩০-এর মঞ্চে? এই প্রশ্নটির উত্তর সময়ের হাতেই ছেড়ে দিয়েছেন ক্রীড়াপ্রেমীরা।

আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ অধ্যায় এখন সময়ের অপেক্ষা। আগামী ৬ অক্টোবর বেনিনের বিপক্ষে বুয়েনস আইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বিদায়ী ম্যাচ খেলবেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এর আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে সেই বিশেষ ম্যাচে পরতে যাওয়া জার্সির ঝলক দেখিয়েছেন মেসি।
১৮ ঘণ্টা আগে

আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির সম্ভাব্য শেষ ম্যাচ ঘিরে শুরু হয়েছে আবেগঘন অপেক্ষা। জাতীয় দলের দীর্ঘদিনের সতীর্থ ও বন্ধু আনহেল দি মারিয়াও এই বিশেষ মুহূর্তটি সামনে থেকে দেখতে চান। আগামী ৬ অক্টোবর বেনিনের বিপক্ষে মেসির সম্ভাব্য শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে গ্যালারিতে উপস্থিত থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি।
১ দিন আগে

স্প্যানিশ লা লিগার মাদ্রিদ ডার্বিতে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে দারুণ অবস্থানে রয়েছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে স্বাগতিকরা ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর বিরতির কয়েক মিনিটের ব্যবধানেই ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়।
২ দিন আগে

২০২৬ বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের পর দেশের মাটিতে টানা তিনটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলবে লিওনেল স্কালোনির দল। সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে এই ম্যাচের সিরিজ।
৪ দিন আগে

দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের মঞ্চে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যকার ম্যাচে শুরুতেই এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচারের দৃশ্যে দেখা যাচ্ছে, খেলার সময় প্রায় ৫৯ সেকেন্ডে বাংলাদেশ ১–০ গোলে মালদ্বীপের বিপক্ষে এগিয়ে রয়েছে।
৪ দিন আগে

এশিয়ান গেমস ২০২৬-এ আজ বৃহস্পতিবার মাঠে নামছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার মুখোমুখি হবে ঋতুপর্ণা চাকমাদের দল। ম্যাচটি ঘিরে বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে কখন শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই ম্যাচ?
৬ দিন আগে

লা লিগার ২০২৬-২৭ মৌসুমে আবারও মাঠে নামছে বার্সেলোনা। ষষ্ঠ jornada-তে নিজেদের মাঠ স্পটিফাই ক্যাম্প ন্যুতে রেসিং সান্তান্দেরের মুখোমুখি হবে কাতালান ক্লাবটি। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা ম্যাচটি ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।
৬ দিন আগে

চ্যাম্পিয়নস লিগে কঠিন পরাজয়ের পর ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য ছিল অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের। লা লিগায় ওসাসুনার বিপক্ষে সেই জবাবটা বেশ জোরালোভাবেই দিয়েছে দিয়েগো সিমিওনের দল। রিয়াদ এয়ার মেট্রোপলিতানোতে প্রতিপক্ষকে ৪-০ গোলে হারিয়ে বড় জয় তুলে নিয়েছে অ্যাটলেটিকো।
৬ দিন আগে

২০২৮ ও ২০২৯ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের আয়োজক ভেন্যু চূড়ান্ত করেছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা। ২০২৮ সালের মহারণ অনুষ্ঠিত হবে জার্মানির মিউনিখের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায়। আর এক বছর পর, ২০২৯ সালের ফাইনাল বসবে স্পেনের বার্সেলোনার ঐতিহাসিক ও সংস্কার করা ক্যাম্প ন্যুতে।
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬