
সিনিয়র রিপোর্টার

রাকিব: মিরপুরের ঐতিহাসিক শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম-এ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে শক্ত অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে টাইগাররা। ওপেনার Tanzid Hasan Tamim-এর দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এবং মিডল অর্ডারের কার্যকর অবদানেই এই লড়াকু স্কোর পায় স্বাগতিকরা।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছে পাকিস্তান। ইনিংসের শুরুতেই একটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছে সফরকারীরা।
তানজিদের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের শক্ত ভিত
আজকের ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের মূল ভরসা ছিলেন ওপেনার তানজিদ হাসান। তিনি ১০৭ বলে ১০৭ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৭টি বিশাল ছক্কা। মিরপুরের দর্শকদের সামনে তার এই দারুণ সেঞ্চুরি দলকে বড় সংগ্রহ গড়ার ভিত্তি এনে দেয়।
ওপেনিংয়ে তার সঙ্গী Saif Hasan ৫৬ বলে ৩৬ রান করেন। এই জুটি প্রথম উইকেটে ১০৫ রান যোগ করে দলকে শক্ত ভিত দেয়। তবে শেষ পর্যন্ত সাইফ হাসান পাকিস্তান অধিনায়ক Shaheen Shah Afridi-র বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন।
মিডল অর্ডারের দৃঢ়তা
এরপর অধিনায়ক Najmul Hossain Shanto ২৭ রান করে ইনিংস এগিয়ে নেন। অভিজ্ঞ ব্যাটার Litton Das ৫১ বলে ৪১ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল একটি চার ও একটি ছক্কা।
ইনিংসের শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন Towhid Hridoy। তিনি ৪৪ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন এবং দলকে ২৯০ রানের বড় সংগ্রহে পৌঁছে দেন। শেষদিকে Afif Hossain ৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।
পাকিস্তানের বোলিং
পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন Haris Rauf। তিনি ১০ ওভারে ৫২ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া শাহীন শাহ আফ্রিদি এবং Abrar Ahmed একটি করে উইকেট শিকার করেন।
রান তাড়া করতে নেমেই ধাক্কা পাকিস্তানের
২৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই উইকেট হারায় পাকিস্তান। ওপেনার Sahibzada Farhan মাত্র ৬ রান করে Taskin Ahmed-এর বলে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।
১.৩ ওভার শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১২ রান। ক্রিজে আছেন মাজ সাদাকাত (৬*) এবং গাজী ঘরি (০*)।
ম্যাচের বর্তমান অবস্থা (লাইভ আপডেট)
বাংলাদেশ: ২৯০/৫ (৫০ ওভার)
পাকিস্তান: ১২/১ (১.৩ ওভার)
জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ২৮৩ বলে ২৭৯ রান।
বোলিং করছেন বাংলাদেশের পেসাররা—
তাসকিন আহমেদ: ১-০-৬-১
নাহিদ রানা: ০.৩-০-৬-১
এখন পাকিস্তানের সামনে বড় লক্ষ্য। বাংলাদেশের পেসাররা শুরুতেই যে চাপ তৈরি করেছেন, তা ধরে রাখতে পারলে মিরপুরে সিরিজ জয়ের আনন্দে মাততে পারে টাইগার সমর্থকরা।
ম্যাচটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬