
ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ এক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে শক্তিশালী সংগ্রহ গড়ে তুলেছে পাকিস্তান। নির্ধারিত ওভারে ব্যাট করে তারা ২৭৪ রানের বড় স্কোর দাঁড় করায়, যা জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে কঠিন লক্ষ্য হিসেবে দাঁড়িয়েছে।
পাকিস্তানের ব্যাটাররা শুরু থেকেই ধৈর্য্য ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলেছেন। ইনিংসের শুরুতে উইকেট ধরে রেখে ধীরে ধীরে রান তুলতে থাকেন তারা। পরে মাঝের ও শেষের ওভারগুলোতে ব্যাটাররা আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে দ্রুত রান যোগ করেন। ফলে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান দল একটি শক্ত অবস্থানে পৌঁছে ২৭৪ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে।
এই বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা খুব একটা স্বস্তিদায়ক হয়নি। ইনিংসের ১.৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ মাত্র ৩ রান, যদিও এখনো কোনো উইকেট হারায়নি টাইগাররা। তবে শুরুতেই রান তোলার গতি ধীর থাকায় কিছুটা চাপে রয়েছে বাংলাদেশ দল।
বর্তমানে বাংলাদেশের রানরেট দাঁড়িয়েছে ২.০০। ম্যাচ জিততে হলে এখনো প্রয়োজন ২৭২ রান। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য পরবর্তী ওভারগুলোতে ব্যাটারদের আরও দায়িত্বশীল ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে হবে। বিশেষ করে ওপেনারদের বড় জুটি গড়ে দলকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যাওয়াটা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যদিকে পাকিস্তানের বোলাররাও শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিং করছে। তারা টাইট লাইন ও লেন্থে বল করে বাংলাদেশের ব্যাটারদের সহজে রান তুলতে দিচ্ছে না। এতে করে ম্যাচের শুরুতেই চাপ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের উপর।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, ২৭৪ রানের লক্ষ্য বড় হলেও তা অর্জন করা অসম্ভব নয়। তবে এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘ সময় ক্রিজে টিকে থাকা, উইকেট ধরে রাখা এবং মাঝের ওভারগুলোতে নিয়মিত রান তোলা। পাশাপাশি শেষের দিকে দ্রুত রান তুলতে পারলে ম্যাচে ফিরে আসার সুযোগ থাকবে বাংলাদেশের।
এখন দেখার বিষয়, বাংলাদেশের ব্যাটাররা কীভাবে এই চাপ সামাল দেয় এবং ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে পারে কি না। কারণ ক্রিকেটে যে কোনো সময় ম্যাচের মোড় ঘুরে যেতে পারে।
ম্যাচটি ইতোমধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং শেষ পর্যন্ত ফলাফল কী দাঁড়ায় তা জানতে আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন দুই দলের অসংখ্য সমর্থক।
সরাসরি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬