-3.jpg)
রির্পোটার

ম্যাচের শুরুতে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক। তবে ভারতীয় বোলারদের আগ্রাসী আক্রমণে সেই সিদ্ধান্তই কাল হয়ে দাঁড়ায়। ইনিংসের প্রথম ওভারেই সাইমা ঠাকুরের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন ইউসরা আমির। শুরুর ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি পাকিস্তান।
মাঝের ওভারগুলোতে রাধা যাদব ও প্রেমা রাওয়াত বল হাতে দারুণ নিয়ন্ত্রণ দেখান। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৩ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন শাওয়াল জুলফিকার। শেষ পর্যন্ত ৯৩ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস।
ভারতের হয়ে সাইমা ঠাকুর, রাধা যাদব ও প্রেমা রাওয়াত—প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। এছাড়া একটি করে উইকেট শিকার করেন জিন্টিমণি কলিটা ও মিন্নু মণি, ফলে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে পুরোপুরি ধস নামে।
বৃন্দার ঝড়ো ফিফটিতে দাপুটে জয়
৯৪ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। ইনিংসের প্রথম বলেই শূন্য রানে আউট হন হুমাইরা কাজি। তবে সেই চাপ মুহূর্তেই উড়িয়ে দেন দীনেশ বৃন্দা। মাত্র ২৯ বলে ৫৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি, যার মধ্যে ছিল ১২টি চার। পাকিস্তানি বোলারদের ওপর একতরফা আধিপত্য দেখান এই ব্যাটার।
তাকে দারুণ সঙ্গ দেন অনুষ্কা শর্মা, যিনি ২৪ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস খেলেন। পরে চার নম্বরে নেমে তেজল হাসনবিশ মাত্র ৫ বলে ১২ রান (১টি চার ও ১টি ছক্কা) করে জয় নিশ্চিত করেন।
৫৯ বল হাতে রেখেই জয়ের উল্লাস
ভারতীয় ব্যাটারদের আগ্রাসী মেজাজে ৫৯ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত। ৮ উইকেটের এই বড় জয় বিশ্বকাপের মূল লড়াইয়ের আগে ভারতীয় নারী দলের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দিল। ব্যাংককের মাটিতে এই পারফরম্যান্স আবারও প্রমাণ করল—পাকিস্তানের বিপক্ষে বড় মঞ্চে ভারত কতটা প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম।

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬