
রির্পোটার

হাসান: পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্লেয়ার নিলামের সূচনা হয়েছে, আর শুরুতেই দেখা যাচ্ছে টাকার ঝড়। দীর্ঘদিনের ড্রাফট পদ্ধতি বাদ দিয়ে সিজন ১১-এর জন্য আয়োজিত এই নিলামে লাহোর এক্সপো সেন্টার হয়ে উঠেছে ক্রিকেট তারকাদের মিলনমেলা। দেশি-বিদেশি ক্রিকেটারদের নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে চলছে তুমুল প্রতিযোগিতা, আর কোটি কোটি রুপিতে গড়া হচ্ছে নতুন দল।
নাসিম-হারিসদের দামে উত্তাপ, বাংলাদেশের রিশাদের বড় সুযোগ
নিলামের শুরুতেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেন পাকিস্তানি পেসার নাসিম শাহ। ৪.২ কোটি রুপি ভিত্তিমূল্য থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত রাওয়ালপিন্ডি তাকে ৮.৬৫ কোটি রুপিতে দলে নেয়—যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দর। লাহোর কালান্দার্স নিজেদের তারকা হারিস রউফকে ৭.৬ কোটি রুপিতে ধরে রেখে শক্তিশালী পেস আক্রমণ নিশ্চিত করেছে।
বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য সুখবর এনে দেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। ১.১ কোটি রুপি ভিত্তিমূল্য থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত ৩ কোটি রুপিতে তাকে দলে নেয় রাওয়ালপিন্ডি। তবে অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজ নিলামের প্রথম ধাপে কোনো দল না পাওয়ায় অবিক্রিত থেকে গেছেন।
একনজরে নিলামের উল্লেখযোগ্য কেনাবেচা
নাসিম শাহ: ৮.৬৫ কোটি (রাওয়ালপিন্ডি)
ফাহিম আশরাফ: ৮.৫ কোটি (ইসলামাবাদ ইউনাইটেড)
ডেভিড ওয়ার্নার: ৭.৯ কোটি (করাচি কিংস)
হারিস রউফ: ৭.৬ কোটি (লাহোর কালান্দার্স)
সাহিবজাদা ফারহান: ৫.৭ কোটি (শিয়ালকোট স্ট্যালিয়নস)
রাইলি রুশো: ৫.৫৫ কোটি (কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স)
উসামা মির: ৩.৫০ কোটি (লাহোর কালান্দার্স)
আজম খান: ৩.২৫ কোটি (করাচি কিংস)
রিশাদ হোসেন: ৩ কোটি (রাওয়ালপিন্ডি)
অবিক্রিত আন্তর্জাতিক তারকারা
নিলামের প্রথমভাগে বেশ কিছু বড় নাম অবিক্রিত থেকে গেছে। সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজ ছাড়াও ইমাদ ওয়াসিম, কলিন মুনরো, ক্রিস জর্ডান, কাইল মেয়ার্স, ড্যানিয়েল সামস এবং দীনেশ চান্ডিমালের মতো তারকারা এখনো কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি পাননি।
বাজেট, নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি ও রিটেনশন সমীকরণ
পিএসএল ১১-তে প্রতিটি দলের জন্য ৪৫ কোটি রুপির বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের আসরে নতুন দুই দল—হায়দরাবাদ হিউস্টন কিংসমান এবং শিয়ালকোট স্ট্যালিয়নস—প্রতিযোগিতায় যোগ দিয়েছে। নিলাম শুরুর সময় করাচি কিংসের হাতে ছিল ৩২.২৬ কোটি এবং লাহোর কালান্দার্সের হাতে ৩১.৩৬ কোটি রুপি।
নিলামের আগে সরাসরি চুক্তিতে লাহোর কালান্দার্স বাংলাদেশের মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেয়। পাশাপাশি বাবর আজম (পেশোয়ার জালমি), শাহীন শাহ আফ্রিদি (লাহোর কালান্দার্স) এবং শাদাব খান (ইসলামাবাদ ইউনাইটেড) নিজ নিজ দলে রিটেইন হয়েছেন।
পিএসএল ১১-এর এই নিলাম ইতোমধ্যেই ক্রিকেট বিশ্বে নতুন এক উত্তেজনা তৈরি করেছে, যেখানে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি শক্তিশালী স্কোয়াড গঠনে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করছে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য অস্ট্রেলিয়া সফরকে সামনে রেখে এসেছে এক দারুণ স্বস্তির ও আনন্দের খবর। দীর্ঘদিন ধরে ইনজুরি বা চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে থাকার পর অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রাথমিক ও চূড়ান্ত স্কোয়াডে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার লিটন কুমার দাস।
২ আগস্ট ২০২৬

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬